<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
	<title type="html"><![CDATA[Banglalibrary - Forum]]></title>
	<link rel="self" href="http://forum.banglalibrary.org/feed-atom.xml"/>
	<updated>2012-02-19T16:26:46Z</updated>
	<generator version="1.3.2">PunBB</generator>
	<id>http://forum.banglalibrary.org/</id>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[কেরী সাহেবের মুন্সী_প্রমথনাথ বিশী_KERI SAHEBER MUNSHI_PRAMATHANATH BIS]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic1596new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[[b]কেরী সাহেবের মুন্সী
প্রমথনাথ বিশী[/b]

[b]১ চাঁদপাল ঘাট[/b]

১৭৯৩ সালের ১১ই নভেম্বর।ও-পারের জনশূন্য বাবলাবনের দিগন্তে হেমন্তের সূর্য ডোববার মুখে। এতক্ষণ ঘাট প্রায় জনশূন্য ছিল, ক্রমে ক্রমে লোকজন জড়ো হতে লাগল, সেই সঙ্গে গাড়িঘোড়াও।

বিলাতী জাহাজ এসে পৌঁছনো একটা মস্ত ঘটনা। আজ পৌঁছবে দিনেমার জাহাজ প্রিন্সেস মারিয়া।

[img=Chandpal Ghat]http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1329668219.gif[/img]

A View of Chandpal Ghat Calcutta (Kolkata) by James Baillie Fraser - 1826



ক্রমবর্ধমান জনতার একান্তে নিম গাছের তলে দাঁড়িয়ে দুজন লোক। একজন লম্বা ছিপছিপে, দাঁড়ি-গোঁপ কামানো, কথা বলবার সময় কপালে অনেকগুলো রেখা জাগে ; অপরজন বেঁটে, শক্ত নিরেট দেহ, ঘাড়ে-গর্দানে এক।লম্বা লোকটি বলল, পার্বতীভায়া, তোমাকে কেন চটি পায়ে আর নামাবলী গায়ে আসতে বলেছিলাম বুঝতে পারলে কি ?না বসুজা, সত্যি কথা বলতে কি, পারি নি। তুমি বললে তাই এই বেশে এলাম। এ কি ঘাটে আসবার পোশাক। তার পর ভাবলাম, এসব বিষয়ে বসুজা আমার চেয়ে বেশি বোঝে, তাই আর আপত্তি করলাম না।ভালই করেছ। এই পাদ্রীগুলোর স্বভাব কি জান, যারা দূরে থাকে তাদের উপর বেশি টান। তুমি কোট পাৎলুন পর, খানা খাও, খ্রীষ্টান হও, দুদিন পরে আর পুছবে না। আর তা না করে যদি চটি চাদর নামাবলী শিখা বজায় রাখ, একটু অং বং করে দুটো সংস্কৃত মন্তর আওড়াও, তোমার পিছু পিছু ঘুরে বেড়াবে। সে তো তোমাকে দেখেই বুঝতে পারছি। চেম্বার্স সাহেবের মুন্সীগিরি করলে কত বছর, তার পর টমাস ডাক্তারের সঙ্গে ঘুরলে আরও কত বছর, কিন্তু না উঠল গায়ে কাটাপোশাক, না খেলে অখাদ্য কুখাদ্য। অথচ তোমার উপরই দেখি সবচেয়ে বেশি টান। কেন এমন হয় বলতে পার ?

এ সেই ওদের বাইবেলের নিষিদ্ধ ফলের গল্প আর কি। নিষিদ্ধ বলেই টানের অন্ত নেই। জাহাজঘাটায় পৌঁছাবার বিলম্ব সয় না। টমাস সাহেবের চিঠির পর চিঠি-মুন্সীজি, জাহাজঘাটে হাজির থাকবে।

কিন্তু আবার এই বুড়ো পার্বতী ব্রাহ্মণকে কেন ? তোমার ব্রাহ্মণত্বেই যে তোমার দাম। একটা ব্রাহ্মণকে খ্রীষ্টান করতে পারলে হাজারটা শুদ্রকে খ্রীষ্টান করবার ফল পাওয়া যায়। কিন্তু একটা শুদ্রকেই বা খ্রীষ্টান করতে পারল কই। আচ্ছা বসুজা, খ্রীষ্টান হবার জন্যে তোমার উপর চাপ দেয় না ? দেয় না আবার !তবে ?তবে আবার কি ? টমাস সাহেবকে বলি, সাহেব, খ্রীষ্টান হয়ে খ্রীষ্টানধর্ম প্রচার করব এ আর বেশি কি। কিন্তু খ্রীষ্টান নই অথচ করছি এর প্রভাবটা একবার ভেবে দেখ। সাহেব বলল, ঠিক হ্যায়।]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[adminusr]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user2.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-02-19T16:26:46Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic1596new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[শেষ প্রশ্ন_শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়_SESH PROSHNO SARAT CH. CHATTOPADHYAY]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic1589new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[[b]শেষ প্রশ্ন
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়[/b]

[b]এক[/b]

বিভিন্ন সময়ে ও বিভিন্ন কর্মোপলক্ষে আসিয়া অনেকগুলি বাঙালী পরিবার পশ্চিমের বহুখ্যাত আগ্রা শহরে বসবাস করিয়াছিলেন। কেহ-বা কয়েক পুরুষের বাসিন্দা, কেহ-বা এখনও বাসাড়ে। বসন্তের মহামারী ও প্লেগের তাড়াহুড়া ছাড়া ইঁহাদের অতিশয় নির্বিঘ্ন জীবন। বাদশাহী আমলের কেল্লা ও ইমারত দেখা ইঁহাদের সমাপ্ত হইয়াছে, আমীর-ওমরাহগণের ছোট, বড়, মাঝারি, ভাঙ্গা ও আ-ভাঙ্গা যেখানে যত কবর আছে তাহার নিখুঁত তালিকা কণ্ঠস্থ হইয়া গেছে, এমন যে বিশ্ববিশ্রুত তাজমহল, তাহাতেও নূতনত্ব আর নাই। সন্ধ্যায় উদাস সজল চক্ষু মেলিয়া, জ্যোৎস্নায় অর্ধ-নিমীলিত নেত্রে নিরীক্ষণ করিয়া, অন্ধকারে ফ্যালফ্যাল করিয়া চাহিয়া যমুনার এপার হইতে, ওপার হইতে সৌন্দর্য উপলব্ধি করিবার যত প্রকারের প্রচলিত প্রবাদ ও ফন্দি আছে তাঁহারা নিঙড়াইয়া শেষ করিয়া ছাড়িয়াছেন। কোন্‌ বড়লোকে কবে কি বলিয়াছে, কে কে কবিতা লিখিয়াছে, উচ্ছ্বাসের প্রাবল্যে কে সুমুখে দাঁড়াইয়া গলায় দড়ি দিতে চাহিয়াছে—ইঁহারা সব জানেন। ইতিবৃত্তের দিক দিয়াও লেশমাত্র ত্রুটি নাই। ইঁহাদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা পর্যন্ত শিখিয়াছে কোন্‌ বেগমের কোথায় আঁতুড়ঘর ছিল, কোন্‌ জাঠসর্দার কোথায় ভাত রাঁধিয়া খাইয়াছে,—সে কালির দাগ কত প্রাচীন,—কোন্‌ দস্যু কত হীরা-মাণিক্য লুণ্ঠন করিয়াছে এবং তাহার আনুমানিক মূল্য কত,—কিছুই আর কাহারও অবিদিত নাই।

এই জ্ঞান ও পরম নিশ্চিন্ততার মাঝখানে হঠাৎ একদিন বাঙালী সমাজে চাঞ্চল্য দেখা দিল। প্রত্যহ মুসাফিরের দল যায় আসে, অ্যামেরিকান টুরিস্ট হইতে শ্রীবৃন্দাবন ফেরত বৈষ্ণবদের পর্যন্ত মাঝে মাঝে ভিড় হয়—কাহারও কোন ঔৎসুক্য নাই, দিনের কাজে দিন শেষ হয়, এমনি সময়ে একজন প্রৌঢ়বয়সী ভদ্র বাঙালী সাহেব তাঁহার শিক্ষিতা, সুরূপা ও পূর্ণ-যৌবনা কন্যাকে লইয়া স্বাস্থ্য উদ্ধারের অজুহাতে শহরের এক প্রান্তে মস্ত একটা বাড়ি ভাড়া করিয়া বসিলেন। সঙ্গে তাঁহার বেহারা, বাবুর্চি, দরোয়ান আসিল; ঝি, চাকর, পাচক-ব্রাহ্মণ আসিল; গাড়ি, ঘোড়া, মোটর, শোফার, সহিস, কোচয়ানে এতকালের এত বড় ফাঁকা বাড়ির সমস্ত অন্ধ্র রন্ধ্র যেন যাদুবিদ্যায় রাতারাতি ভরিয়া উঠিল। ভদ্রলোকের নাম আশুতোষ গুপ্ত, কন্যার নাম মনোরমা। অত্যন্ত সহজেই বুঝা গেল ইঁহারা বড়লোক। কিন্তু উপরে যে চাঞ্চল্যের উল্লেখ করিয়াছি, সে ইঁহাদের বিত্ত ও সম্পদের পরিমাণ কল্পনা করিয়া নয়, মনোরমার শিক্ষা ও রূপের খ্যাতি-বিস্তারেও তত নয়, যত হইল আশুবাবুর নিরভিমান সহজ ভদ্র আচরণে। তিনি মেয়েকে সঙ্গে করিয়া নিজে খোঁজ করিয়া সকলের সহিত সাক্ষাৎ করিলেন; বলিলেন, তিনি পীড়িত লোক, তাঁহাদের অতিথি, সুতরাং নিজ গুণে দয়া করিয়া যদি না তাঁহারা এই প্রবাসীদের দলে টানিয়া লয়েন ত এই নির্বাসনে বাস করা একপ্রকার অসম্ভব। মনোরমা বাড়ির ভিতরে গিয়া মেয়েদের সহিত পরিচয় করিয়া আসিল, সেও অসুস্থ পিতার হইয়া সবিনয়ে নিবেদন জানাইল যে, তাঁহারা যেন তাঁহাদের পর করিয়া না রাখেন। এমনি আরও সব রুচিকর মিষ্ট কথা।]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[adminusr]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user2.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-02-17T09:45:31Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic1589new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[LADY CHATTERLEY'S LOVER_LAWRENCE, DAVID HERBERT]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic1561new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[[b]Lady Chatterley's Lover 
Lawrence, David Herbert 
 
Published: 1928 [/b]


[b]  [/b]

[b]CHAPTER 1[/b]

Ours is essentially a tragic age, so we refuse to take it tragically. The cata-clysm has happened, we are among the ruins, we start to build up new little habitats, to have new little hopes. It is rather hard work: there is now no smooth road into the future: but we go round, or scramble over the obstacles. We've got to live, no matter how many skies have fallen. 

This was more or less Constance Chatterley's position. The war had brought the roof down over her head. And she had realized that one must live and learn. 

She married Clifford Chatterley in 1917, when he was home for a month on leave. They had a month's honeymoon. Then he went back to Flanders: to be shipped over to England again six months later, more or less in bits. Constance, his wife, was then twenty-three years old, and he was twenty-nine. 

His hold on life was marvellous. He didn't die, and the bits seemed to grow together again. For two years he remained in the doctor's hands. Then he was pronounced a cure, and could return to life again, with the lower half of his body, from the hips down, paralysed for ever. 

This was in 1920. They returned, Clifford and Constance, to his home, Wragby Hall, the family 'seat'. His father had died, Clifford was now a baronet, Sir Clifford, and Constance was Lady Chatterley. They came to start housekeeping and married life in the rather forlorn home of the Chatterleys on a rather inadequate income. Clifford had a sister, but she had departed. Otherwise there were no near relatives. The elder brother was dead in the war. Crippled for ever, knowing he could never have any children, Clifford came home to the smoky Midlands to keep the Chatterley name alive while he could.]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[adminusr]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user2.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-02-15T08:39:22Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic1561new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[কাজলদীঘি শ্মশান ও পীরসাহেবের থান (দ্বিতীয় খন্ড)_মামনজাফরান_Kajaldighi]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic67new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[Kajaldighi Sasan O Pirsahaber Than By Mamaonjafran

সুধী পাঠকবৃন্দ 
এই লেখাটা আমি শুরু করেছিলাম একটা মিশন নিয়ে, কিন্তু লেখাটা নিয়ে বিভিন্ন ফোরামে নানারকম কুরুচিপূর্ন ঘটনা ঘটায় এই ওয়েব সাইটে বাকিটা লিখে শেষ করছি। অন্যান্য ফারামের যাঁরা পাঠক তারা এই ফোরামে এসে লেখাটা পরলে লেখক হিসাবে নিজেকে কৃতার্থ মনে করবো। এখানে ধারাবাহিক ভাবে দিতে শুরু করলাম। আপনাদের অমূল্য মতামত আমার এই লেখাটা শেষ করার একমাত্র উৎসাহ।]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[adminusr]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user4.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-02-15T08:13:02Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic67new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[ভেসে যান ভ্যালেন্টাইনের দিনে_এষা দে_VALENTINE'S DAY]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic1595new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[[b]ভেসে যান ভ্যালেন্টাইনের দিনে
ক’টা কার্ড পেলেন? আজ সারাদিন শুধু প্রেম। এ যুগের ভাষায় পুরো মস্তি। 
এষা দে[/b]

রোজকার মতো আজও সকালে বিমলাদেবী নাতনিদের ঘরে ঢুকেছেন। দেখেন হাটকানো বিছানায় ক’টা কার্ড নিয়ে দুই বোনের হি হি হা হা চলছে। তাঁকে দেখে বারো বছরের মিনি বলে ওঠে, ‘ঠাম্মা দেখো দেখো, দিদি কত্তো ভ্যালেন্টাইন পেয়েছে।’ ‘ভ্যালেন্টাইন! সেটা আবার কী?’ রিনি সগর্বে কার্ড ক’টা তাসের মতো মেলে ধরে উত্তর দেয়, ‘ভালবাসার কথা। আমি সাতটা পেয়েছি। আর আমাদের ক্লাসের ঝিলমিল, ওই মেয়েটা, দেখতে ফর্টিনাইন অ্যাণ্ড হাফ পার্সেন্ট ঐশ্বর্য রাই, ও না সতেরোটা পেয়েছে!’ ঠাম্মা স্তম্ভিত। ‘তোরা সব কী বলছিস, হাটের মধ্যে ভালবাসাবাসি। ছি! ছি!’ মিনি তো অবাক। ‘ঠাম্মা, তুমি না এক্কেবারে ফসিল। আজ যে ১৪ ফেব্রুয়ারি, সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে। এ দিনেই তো সেলিব্রেশন অব লাভ।’ রিনি ঠোঁট ফোলায়, ‘সাত-সাতটা ছেলে বলছে আমাকে ভালবাসে আর তুমি সব স্পয়েল করে দিচ্ছ।’

[img=valentine]http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1329205912.gif[/img]

The morning of St Valentine, John Callcott Horsley (1817 - 1903)

সাধারণত জেনারেশন গ্যাপ মালুম হলেই পরিস্থিতি থেকে বিমলাদেবী এক্‌জিট নিয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রেও নিলেন। পুত্র ও পুত্রবধূ যে যার কাজে বেরুবার জন্য রেডি হচ্ছে। সকালে সমস্যাটমস্যা উত্থাপন ষ্ট্রিক্টলি ফরবিড্‌ন। একেবারে নিষিদ্ধ। কাজেই ক্ষুব্ধ বিমলাদেবী চুপচাপ চিকিৎসক নির্ধারিত প্রাত্যহিক ভ্রমণে বেরোলেন। শীতের দিনে একটু দেরিতেই হাঁটেন। মনটা ভার। ভ্যালেন্টাইন। কী সর্বনেশে কথা। হাঁটছেন। তাঁকে ওভারটেক করে যেতে যেতে কে যেন স্লো মোশনে বলে গেল, ‘ঠাকুমা যে, গুড মর্নিং, বেড়াতে বেরিয়েছেন?’ দেখেন প্রতিবেশীর ছেলে শুভ্রাংশু, একটা ইংরিজি দৈনিকের তরুণ সাংবাদিক। ঝট করে বিমলাদেবীর মাথায় বুদ্ধি খেলে গেল। ‘এই যে বাবা শুভ্রাংশু, একটু শোনো তো (শুভ্রাংশু স্পিড কমায়)। বলছিলাম কী তুমি না ইংরিজিতে এম এ, খুব ভাল ছাত্র ছিলে! এই যে খ্রিস্টানদের সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে, এর মানে কী?’ ‘ওহ, ঠাকুমা, ওটা খ্রিস্টান ধর্মটর্মর কিছু ব্যাপার নয়। হ্যাঁ কবে কোন কালে ভ্যালেন্টাইন নামে দুই সন্ত শহিদ হয়েছিলেন, একজন রোমান পুরোহিত অন্যজন কোথাকার বিশপ। সেটা সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। মজা হল, এদের নামের সঙ্গে ইংল্যাণ্ডের একটা নেটিভ মানে দেশজ প্রথা মিশে গেছে। ওই দিনে ছোকরাছুকরি লটারি করে এক বছরের জন্য সঙ্গী সঙ্গিনী বাছত, তাদের মধ্যে চলত উপহার দেওয়া-দেওয়ি। আসলে সবটাই ঘটেছে ওই তারিখটার জন্য, ১৪ ফেব্রুয়ারি। চাষাভুষোদের ধারণা ছিল ওই দিন থেকে পাখিদের মেটিং অর্থাৎ জোড় বাঁধার মরসুম শুরু। হ্যাঁ, বহু লোকে বিশ্বাস করত। সেই প্রাচীন কাল থেকে। ফোর্টিন্থ সেঞ্চুরির বিখ্যাত কবি চসার তাঁর ‘পাখিদের পার্লামেন্ট’ নামে কবিতার এক জায়গায় বলছেন, যত রকম প্রজাতির পাখির কথা মানুষ জানে, সকলে জুড়ি খোঁজে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ডে-তে। শেক্সপিয়রের নাম শুনেছেন তো? ওঁর সেই নাটক আ মিড সামার নাইট ড্রিম? সেখানে একটি চরিত্র বলছে, সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে তো চলে গেল, বনের এই পক্ষীকুল সব দোসর জুটিয়ে ফেলেছে।’’]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[adminusr]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user2.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-02-14T07:54:54Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic1595new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[অকাল বীর্যপাত]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic922new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[অকাল বীর্যপাত

    পুরুষ যদি উত্তেজনার শুরুতেই বীর্য ত্যাগ করে তবে তাকে অকাল বীর্যপাত বলে। নারীর সাথে দৈহিক মিলনের সময় পুরুষ নানা ভাবে নারীকে উত্তেজিত করে। এই সময় উভয়েই উভয়েই শরীর স্পর্শ করে এবং নানাভাবে আদর করে। অনেক পুরুষের এই সময়েই বীর্যপাত হয়ে যায়। এতে করে পরবর্তী যৌন উত্তেজনা আর তীব্র হয় না। অকাল বীর্যপাতের ব্যাপারে কয়েকটি পরামর্শ হলো–

    লিঙ্গে স্পর্শ না করা।
    প্রথমেই তীব্র উত্তেজিত না হওয়া ।
    পারস্পরিক হস্তমৈথুন ।
    লিঙ্গের উত্তেজনা ধরে রাখা ইত্যাদি ।

    চিকিৎসা
    ডায়াজিপাম অথবা লিব্রিয়ামের ব্যবহার ।
    যৌনমিলনের আধাঘন্টা আগে ট্যাবলেট মেলারিল ৫ থেকে ১০ মিঃগ্রাম সেবন।
    ফোঁটা ফোঁটা বীর্যপাত পুরুষের যৌন জীবনের একটি সমস্যা। বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। সাইকোজেনিক কারণে অবশ্য এই সমস্যা হয় বেশি। অনেক ক্ষেত্রে আঘাতজনিত কোনো কারণে ও এটি হতে পারে। বিভিন্ন কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলো –

    কঠিন ধর্মীয় কুসংস্কার ।
    গর্ভাবস্থার ভয় ।
    নারীর কাছ থেকে লাঞ্ছিত হওয়া ।
    সেলিবেসি অবস্থার চাপ ।
    বীর্যদানে কার্পণ্য মনোভাব ইত্যাদি ।]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[jewel6710]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user178.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-02-12T08:57:32Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic922new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[যে অসুখে দাম্পত্য জীবন ব্যাহত হয়]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic926new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[যে অসুখে দাম্পত্য জীবন ব্যাহত হয়

    ক্লামাইডিয়া পুরুষের অতি সাধারণ যৌনবাহিত সংক্রমণ। অনেক পুরুষ সচরাচর জানেন না তাদের ক্লামাইডিয়া সংক্রমণ রয়েছে, কারণ তাদের কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে। যা হোক, ক্লামাইডিয়া মহিলা যৌন সঙ্গিনীকে সংক্রমিত করতে পারে এবং মারাত্মক সংক্রমণ ঘটায় এ জটিলতা সৃষ্টি করে। নবজাতক শিশুরাও এই জটিলতার শিকার হয়।

    কীভাবে সংক্রমণ ঘটে?

    যে জীবাণুটি সংক্রমণ ঘটায় তা রনাম ক্লামাইডিয়া ট্রাকোমাটিস। এই জীবাণুগুলো ব্যাকটেরিয়ার মতো একই ধরনের। সংক্রমণ সাধারণত যৌন সঙ্গমের সময় একজনের কাছ থেকে আরেক জনের কাছে ছড়ায়। এগুলো অস্বাভাবিক যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য পায়ু এলাকায়ও হতে পারে।

    পুরুষদের ক্ষেত্রে ক্লামাইডিয়া সাধারণত মূত্রনালীকে সংক্রমিত করে। মূত্রনালী হচ্ছে একটা নল যা পুরুষাঙ্গের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে। মূত্রনালীর মধ্য দিয়ে প্রস্রাব ও যৌন রস (বীর্ষ) বেরিয়ে যায়। মূত্রনালীর সংক্রমণকে বলে ইউরেথ্রাইটিস।

    ক্লামাইডিয়া এপিডিডাইমিস কিংবা প্রোস্টেট গ্রন্থিকেও সংক্রমিত করতে পারে। এপিডিডাইমিস হলো একটি ছোট গ্রন্থি যা অন্ডকোষের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটা শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রোস্টেট গ্রন্থি থাকে পুরুষাঙ্গের গোড়ায়। এটা শুক্রাণুর জন্য পুষ্টি উপাদান তৈরি করে। এপিডিডাইমিসের সংক্রমণকে বলে এপিডাইমাইটিস। প্রোস্টেটের সংক্রমণকে বলে প্রোস্টেটাইটিস।

    পায়ুপথে সঙ্গম করলে মলদ্বার এবং মলনালীও সংক্রমিত হতে পারে।

    উপসর্গগুলো কী কী?

    সচরাচর কোনো উপসর্গ থাকে না। যদি মূত্রনালী সংক্রমিত হয় তাহলে আপনার এসব উপসর্গ থাকতে পারে :

    ০ পুরুষাঙ্গের মাথা থেকে রস নিসৃত হওয়া

    ০ প্রস্রাব করার সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া করা

    ০ এপিডিডাইমিস সংক্রমিত হলে অনডকোষে ব্যথা করে

    ০ প্রোস্টেট গ্রন্থি সংক্রমিত হলে যেসব উপসর্গ দেখা দেয় সেসব হচ্ছে:

    ০ মূত্রনালী থেকে নিঃসরণ

    ০ প্রস্রাব করার সময় কিংবা প্রস্রাব করার পর ব্যথা বা জ্বালাপোড় করা অথবা অস্বস্তি বোধ করা

    ০ যৌন সঙ্গমের সময় কিংবা যৌন সঙ্গমের পরে ব্যথা করা

    ০ পিঠের নিম্নভাগে বা কোমরে ব্যথা করা।

    কখনো কখনো প্রোস্টেট কিংবা এপিডিডাইমিসের সংক্রমণ হঠাৎ ও তীব্র হয়। এ ধরনের সংক্রমণের ফলে জ্বর হয় অথবা অসুস্থতার অন্য লক্ষণগুলো দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

    পায়ুপথ সংক্রমিত হলে যেসব উপসর্গ দেখা দেয়

    ০ পায়ুপথের চারপাশে জ্বালাপোড়া করা

    ০ পায়খানা করার সময় ব্যথা করা

    কীভাবে রোগ নির্ণয় করবেন?

    রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রথমেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ শনাক্ত করা সম্ভব। মূত্রনালীর সংক্রমণ নির্ণয়ের জন্য মূত্রনালীর মুখের নিঃসরণ পরীক্ষা করা হয়। এক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গের মাথায় মূত্রনালীর মুখে একটা সরু সোয়াব ঢোকানো হয়। ক্লামাইডিয়ার জন্য আপনাকে একটা প্রস্রাবের পরীক্ষাও করানো হতে পারে। যদি আপনার পায়ুপথে উপসর্গ থাকে তাহলে আপনার পায়ুপথের নিঃসরণ পরীক্ষা করাতে হবে।

    পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যাবে আপনার সংক্রমণে কী এবং কোন অ্যান্টিবায়োটিক সবচেয়ে ভাল কাজ করবে। তবে সচরাচর এপিডিডাইমিস ও প্রোস্টেট গ্রন্থির সংক্রমণের জন্য দায়ী জীবাণুকে শনাক্ত করা সম্ভব হয় না।

    কী চিকিৎসা দেবেন?

    সাধারণত সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণে সংক্রমণ সেরে যায়। বেশিরভাগ মূত্রনালীর সংক্রমণে সাত দিন অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের প্রয়োজন। কখনো কখনো একক মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে সংক্রমণের চিকিৎসা করা যেতে পারে। প্রোস্টেট গ্রন্থির সংক্রমণের জন্য ২ থেকে ৪ সপ্তাহ চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[jewel6710]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user178.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-02-12T08:52:11Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic926new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[ভুলে যান কন্ডোম, রেডি ইঞ্জেকশন]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic927new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[ভুলে যান কন্ডোম, রেডি ইঞ্জেকশন

    মহিলা সঙ্গীর সঙ্গে সহবাসের ইচ্ছা হলে এখন থেকে কন্ডোমের আর প্রয়োজন পড়বে না, এর জন্য প্রস্তুত গর্ভনিরোধক ইঞ্জেকশন৷

    সাধারণত সহবাসের সময় অনেকক্ষেত্রে পুরুষরা কন্ডোম পড়তে দ্বিধাবোধ করেন, আর তাদের জন্য এটা অত্যন্ত সুখবর৷ মহিলাদের গর্ভনিরোধক ট্যাবলেটের পর বৈজ্ঞানিকরা পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইঞ্জেকশন প্রস্তুত করেছেন৷

    বৈজ্ঞানিকদের দাবি অনুযায়ী এটা বলা যেতে পারে যে কন্ডোমের থেকে এটা শুধু ভালোই হবে তা নয়, এর কোনরকম সাইড এফেক্ট নেই ও যখন খুশী ইচ্ছামত এর প্রভাব সমাপ্ত করাও যেতে পারে৷ স্কটল্যান্ডের পত্রিকা ‘দ্য স্কটিশ সন’এ প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈজ্ঞানিকরা পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইঞ্জেকশন প্রস্তুত করেছে, যেটার পরীক্ষা সমগ্র বিশ্বে 400টি জোড়া বিবাহিত স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে করবার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে৷

    এই পরীক্ষার নেতৃত্বে থাকা প্রফেসার রিচার্ড অ্যান্ডারসন জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংগঠনের দ্বারা সঞ্চালিত এই পরীক্ষায় 37-45 বছরের মধ্যে 400 জোড়া যুগল শামিল করা হবে ও এই পরীক্ষার কোন সাইড এফেক্ট নেই৷

    সূত্রঃ ওয়েবদুনিয়া.কম
    মঙ্গলবার, 6 অক্টোবর 2009]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[jewel6710]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user178.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-02-12T08:43:17Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic927new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[নিকোটিনে শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic923new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[নিকোটিনে শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস

    ধূমপানের নানা অপকারিতা সম্পর্কে জানেন মোটামুটি সকল ধূমপায়ী। তারপরও ধূমপান ত্যাগ করতে দেখা যায় অনেক কমসংখ্যক ধূমপায়ীকে। ধূমপান থেকে ফুসফুসের ক্যান্সার, হার্টের রক্তনালী সরু হয়ে হার্ট এ্যাটাকের মত বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটতে পারে। কমে যায় গড় আয়ু, কর্ম ক্ষমতা তার পরও ধূমপায়ীদের তেমন কোন উদ্বেগ নেই। অনেকের ধারনা বহু বছর ধরে ধূমপান করছি, দাদা ধূমপায়ী ছিলেন, বাবা ধূমপায়ী ছিলেন কোন সমস্যা তো দেখিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য বিপদ যাদের আসে তারাই বোঝেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে ধূমপানের বড় বড় ক্ষতি বেশী চোখে পড়ে। কিন্তু অনেক ক্ষতি আছে যা চোখে পড়ে না। অথচ ধূমপানের ফলে শতকরা ৫ থেকে ১০ ভাগ ধূমপায়ীর শারীরিক ক্ষমতা বা যৌন ক্ষমতা হ্রাস পায়। আর এই শারীরিক ক্ষমতা হ্রাসের প্রধান শত্রু হচ্ছে সিগারেট, বিড়ি, তামাক, জর্দ্দার মধ্যে থাকা বিষ নামের মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিকোটিন। নিকোটিন শুধু রক্তনালী সরু করে দেয় এবং হার্টের রক্তনালীতে চর্বি জমতে সাহায্য করে তাই নয়, এই নিকোটিন রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহকে কমিয়ে দেয়। ফলে অঙ্গ-প্রতঙ্গের রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। এতে শারীরিক ক্ষমতা হ্রাস পায়, পাশাপাশি নিকোটিন ফুসফুস ও হার্টের স্বাভাবিক ক্ষমতাকেও হ্রাস করে। ফলে শারীরিক দুর্বলতা প্রতীয়মান হয় নানা ক্ষেত্রে। সিগারেটের নিকোটিন সাময়িক ভাবে মস্তিষ্ক উজ্জীবীত করলেও মস্তিষ্ক নিকোটিনের দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতি নানাবিধ। নিকোটিন মস্তিষ্কের রক্তনালীকে সরু করে দেয় ফলে মস্তিষ্কে রক্তচলাচলেও ব্যহত হয়। মস্তিষ্ক হয়ে পড়ে দুর্বল। ফলে বিশেষ ক্ষেত্রে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অধিক রক্ত প্রবাহের প্রয়োজন হলে মস্তিষ্ক হার্টকে প্রয়োজনীয় সিগনাল বিলম্ব ঘটায়। ফলে কাংখিত শারীরিক শক্তি অনেক ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না। তাই কর্মক্ষম, সক্ষম থাকতে আজই ধূমপান ত্যাগ করুন, সুন্দর দাম্পত্য জীবন গড়ে তুলুন।

    ডা: মোড়ল নজরুল ইসলাম
    চর্ম, এলার্জি ও যৌনসমস্যা বিশেষজ্ঞ]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[jewel6710]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user178.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-02-12T08:39:55Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic923new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[কয়েকটি ভুল যা ছেলেরা সেক্সের সময় করে থাকে]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic1373new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমাদের দেশের ছেলেরা সেক্সের সময় মেয়েদের আনন্দ দেওয়ার চেয়ে তাদেরকে লোভনীয় খাদ্যের মত গপাগপ গিলতেই বেশি পছন্দ করে। তাই এদেশের বহু মেয়ের কাছে (সবাই নয়) চরম যৌন সুখ পাওয়া যেন এক বহু আরাধ্য বস্তু। ছেলেদের এই রাক্ষুসে মনোভাবের কারনেই অনেকসময় দেখা যায় যে তারা তাদের Relationship টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়। এমনকি এর ফলে বিয়ের মত অনেক বন্ধনও ধ্বংসের মুখে পড়ে যাচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের সূত্রপাত ঘটছে। এর মূল কারনই হল সেক্স ও মেয়েদের যৌন ইচ্ছা-আকাঙ্খা সম্পর্কে ছেলেদের স্বচ্ছ ধারনার অভাব। বিদেশি ভাষায় এসব বিষয়ে অনেক বই পত্র থাকলেও বাংলায় তেমন নেই বললেই চলে। তাই কিছু বিদেশি বইয়ের সাহায্য নিয়ে ও নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সেক্সের সময় ছেলেদের যে সকল ভুলের কারনে তাদের সঙ্গিনীর বিরাগভাজন হতে হয় তার কয়েকটি সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরলাম। সময়ের অভাবে আপাতত এসকল ভুলের প্রতিকার ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জানার বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে পারলাম না। তবে লেখা সবার ভালো লাগলে ভবিষ্যতে সম্পুর্ন বাংলায় একটা সারগর্ভ সেক্স গাইড লেখার কথা চিন্তা করব।

১. প্রথমে চুমু না খাওয়াঃ সেক্সের শুরুতেই সঙ্গিনীকে আদরের সাথে চুমু না খেয়ে তার যৌন কাতর স্থানগুলোতে (স্তন, যোনি, নিতম্ব, নাভী ইত্যাদি) চলে গেলে তার ধারনা হতে পারে যে আপনি তাকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে দ্রুত সেই টাকা উসুল করার চেষ্টা করছেন। গভীরভাবে ভালোবাসার সাথে সঙ্গিনীকে চুমু খাওয়া দুজনের জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরন যৌনানন্দময় সেক্সের সূচনা করে।

২. দাড়ি না কামানোঃ অনেকেই দাড়ি না কামিয়ে সেক্স করেন, এই মনে করে যে আসল কাজ তো আমার হাত আর লিঙ্গের! কিন্ত যখন আপনার সঙ্গিনীকে চুমু খাবেন, তার স্তন চুষবেন, তার সারা দেহে জিহবা বুলাবেন এবং বিশেষ করে যখন তার যোনি চুষবেন তখন আপনার ধারালো খোচা খোচা দাড়ি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার সঙ্গিনীকে আনন্দ নয় বরং অসস্তি ও ব্যথা দেবে। তাই সেক্সের আগে ভালোমত দাড়ি কামিয়ে নেয়া উচিত।

৩. প্রথম থেকেই জোরে জোরে স্তন টিপাঃ বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় ছেলেরা মেয়েটির স্তন হাতের কাছে পাওয়া মাত্রই এমনভাবে টিপা শুরু করে যেন ময়দা মাখাচ্ছে। কিছু Extreme মেয়ে এরকমটা পছন্দ করলেও বেশীরভাগ মেয়েই চূড়ান্ত উত্তেজিত হওয়ার আগে এরকম করাতে বেশ ব্যথা পায়। তাই প্রথমে নিজের উত্তেজনাকে একটু দাবিয়ে রেখে হলেও ধীরে ধীরে আদরের সাথে ওর স্তনে হাত বুলিয়ে বুলিয়ে টিপা শুরু করতে হবে। তবে মেয়েই যদি জোরে টিপতে বলে তবে সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই।

৪. স্তনের বোটায় কামড় দেয়াঃ কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় কোন মেয়েই সরাসরি তাদের স্তনের বোটায় কামড় খেতে পছন্দ করে না। ছেলেরা মনে করে এখানে কামড় দিলে তাকে বেশি বেশি উত্তেজিত করে তোলা যায়। হ্যা কথাটা আংশিক সত্যি। তবে এর সবচেয়ে ভালো উপায় হল। প্রথমে মুখের ভিতরে যতটুক পারা যায় স্তনটা পুরো বা আংশিক ভরে নিতে হবে তারপর হাল্কা করে দাত বুলানোর মত করে মুখ থেকে স্তনটা বের করতে করতে নিপলে আলতো ভাবে দুই দাঁতের ছোয়া লাগাতে হবে।

৫. আঙ্গুল দিয়ে স্তনের বোটা মোড়ানোঃ অনেক ছেলে এমনভাবে সঙ্গিনীর বোটা আঙ্গুল দিয়ে মোড়ায় যেন তারা রেডিও টিউন করছে। এটা ঠিক নয়। হতে পারে বোটা মেয়েদের স্তনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান, কিন্ত শুধুই বোটায় এরকম করলে সেটা আনন্দদায়ক নয়, বরং কিছুটা যন্ত্রনাদায়ক (Teasing) । তাই একহাতের আঙ্গুলে বোটা নিয়ে খেলার সময় অন্য হাত দিয়ে সম্পুর্ন স্তনের উপরও নজর রাখতে হবে।

৬. সঙ্গিনীর দেহের অন্যান্য অঙ্গের দিকে মনোযোগ না দেয়াঃ সেক্সের সময় ছেলেদের একটা কথা সবসময় মনে রাখতে হবে যে মেয়েদের স্তন, যোনি আর নিতম্ব এই তিনটিই তাদের একমাত্র যৌনকাতর স্থান নয়। ছেলেদের মূল যৌন কাতর অঙ্গ তাদের দেহের মাত্র কয়েকটি স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও মেয়েদের প্রায় পুরো দেহই স্পর্শকাতর (মেয়েদের দেহের কোন কোন অংশ গুলো বেশি যৌনকাতর তা আপাতত এই সংক্ষিপ্ত রচনায় আর ব্যাখ্যা করছি না।)।তাই তার দেহের এমন একটি স্থানও যেন না থাকে যেখানে ছেলেটির ঠোটের বা হাতের স্পর্শ যায়নি।

৭. ছেলের হাত আটকে যাওয়াঃ সঙ্গিনী যদি আক্রমনাত্নক (Aggressive)সেক্স পছন্দ করে অথবা ছেলে নিজেই চরম উত্তেজিত হয়ে মেয়ের যোনি, স্তন ইত্যাদি স্পর্শ করার জন্য পাগলের মত হাতরাতে থাকে তবে মেয়েটির প্যান্টি বা ব্রা তে তার হাত আটকে যেতে পারে। ফলে বাধ্য হয়ে থেমে সেটা ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে যে রোমান্টিক যৌনতার একটা আবেশ (Mood) তৈরী হয়েছিল তা নস্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বেশি Aggressive সেক্স শুরুর আগেই ব্রা-প্যন্টি খুলে নেওয়া ভালো।
৮. ভগাঙ্কুরে আক্রমনঃ অনেক ছেলেই মেয়ের যোনি চুষতে গিয়ে তার ভগাঙ্কুরে (clitoris) জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষে বলতে গেলে আক্রমনই করে বসে। যারা জানেন না তাদের জন্য বলছি ভগাঙ্কুর হলো মেয়েদের সবচেয়ে যৌনকাতর স্থানগুলোর একটি। এর অবস্থান হল যোনির ফুটোর আশেপাশে যে পাতলা চামড়ার মত অংশ (labia) আছে তার উপরের দিকে, মেয়েদের প্রস্রাবের রাস্তার নিচে। মেয়েরা যৌনত্তেজিত হলে এই স্থানটি শক্ত হয়ে একটু ফুলে যায় ফলে তা সহজেই দেখা যায়। এই স্থানটি চরম স্পর্শকাতর হলেও এতে জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষা মেয়েদের জন্য পীড়াদায়ক। তাই প্রথম দিকে এতে একটু ধীরে ধীরে আঙ্গুল ঘষতে হবে।

৯. একটু থেমে বিশ্রাম নেওয়াঃ ছেলেরা যেমন চরম উত্তেজনার পথে সামান্য সময়ের জন্য থেমে গেলেও আবার সেই স্থান থেকেই শুরু করতে পারে, মেয়েদের পক্ষে এটা সম্ভব হয়না। তাদের উত্তেজিত হতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। চরম উত্তেজিত হবার পথে হঠাৎ থেমে গেলে তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়, ফলে আবার নতুন করে তাদের উত্তেজিত করে তুলতে হয়। তাই যত কষ্টই হোক মেয়েটির চরম উত্তেজনা না আসা পর্যন্ত তাকে আদর করা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্ট করতে হবে।

১০. এলোমেলোভাবে সঙ্গিনীর কাপড়চোপড় খুলতে থাকাঃ অনেক ছেলেই অতিরিক্ত উত্তেজনায় যেনতেনভাবে তার সঙ্গিনীর কাপড় চোপড় খুলতে থাকে ফলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যেমন ছেলেটি মেয়েটির গেঞ্জি খুলতে গেলে ওর হাতে আটকে যায় বা জিন্স খুলতে গেলে প্যান্টির সাথে আটকে যায়। এরকম হলে মেয়েটি একটি অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে যায়। এমনিতেই নারীসুলভ লাজুকতায়, নিজের স্বামীর সামনেও নগ্ন হতে গিয়ে অনেক স্ত্রীর সামান্য লজ্জা লাগতে পারে, যা তার যৌনসুখের পথে বাধা হয়ে দাড়ায়। এছাড়াও একটি ছেলে তার কাপড় খুলতে গিয়ে তাকে অর্ধনগ্ন করে আটকে গিয়েছে, এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে মেয়েরা পড়তে চায় না। তাই ছেলেদের অত্যন্ত যত্নের সাথে মেয়েটির কাপড় খুলে তাকে তার নগ্নতার লজ্জাকে কাটিয়ে উঠার সুজোগ দিতে হবে। তবে দুজনের সম্মতিতে উম্মাদ-মাতাল সেক্সের ব্যপার-স্যপার হলে অন্য কথা!
১০. এলোমেলোভাবে সঙ্গিনীর কাপড়চোপড় খুলতে থাকাঃ অনেক ছেলেই অতিরিক্ত উত্তেজনায় যেনতেনভাবে তার সঙ্গিনীর কাপড় চোপড় খুলতে থাকে ফলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যেমন ছেলেটি মেয়েটির গেঞ্জি খুলতে গেলে ওর হাতে আটকে যায় বা জিন্স খুলতে গেলে প্যান্টির সাথে আটকে যায়। এরকম হলে মেয়েটি একটি অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে যায়। এমনিতেই নারীসুলভ লাজুকতায়, নিজের স্বামীর সামনেও নগ্ন হতে গিয়ে অনেক স্ত্রীর সামান্য লজ্জা লাগতে পারে, যা তার যৌনসুখের পথে বাধা হয়ে দাড়ায়। এছাড়াও একটি ছেলে তার কাপড় খুলতে গিয়ে তাকে অর্ধনগ্ন করে আটকে গিয়েছে, এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে মেয়েরা পড়তে চায় না। তাই ছেলেদের অত্যন্ত যত্নের সাথে মেয়েটির কাপড় খুলে তাকে তার নগ্নতার লজ্জাকে কাটিয়ে উঠার সুজোগ দিতে হবে। তবে দুজনের সম্মতিতে উম্মাদ-মাতাল সেক্সের ব্যপার-স্যপার হলে অন্য কথা!

১১. মেয়ের অন্তর্বাস নিয়ে টানাটানি শুরু করাঃ সেক্সের সময় সঙ্গিনীর ব্রা-প্যান্টির উপর দিয়ে হাত বুলিয়ে দেওয়া এমনকি এর উপর দিয়ে চাটা মেয়েটির জন্য অত্যন্ত সেক্সী আনন্দদায়ক হলেও তার ব্রা-প্যান্টি নিয়ে টানাটানি করাটা নয়। এতে তার সংবেদনশীল স্থানগুলোতে ব্যথা লেগে পুরো সেক্সের মুডটাই নস্ট হয়ে যেতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সাবধান!

১২. সঙ্গিনীর যোনির প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত থাকাঃ অনেক ছেলে মেয়েদের যোনি চোষাটা ঘৃন্য মনে করলেও বেশির ভাগ ছেলেই একবার মুখ দিয়ে সেখানের স্বাদ অনুভব করার পর থেকে এর পরতি চরমভাবে আসক্ত হয়ে পড়ে। এমনকি যারা যোনি মুখ দেয়ও না তারাও অন্তত হাত দিয়ে হলেও মেয়েদের সবচাইতে গোপন স্থানটিকে বারবার আদর করার লোভ সামলাতে পারেন না। সেটা ঠিক আছে। কিন্ত অনেকেই এর প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে দেখা যায়, তার সঙ্গিনীর যে যোনি ছাড়াও যৌনসংবেদী প্রায় পুরো একটা দেহই রয়েছে সে কথা ভুলে যায়। তাই সেক্সের শুরুতেই এমনকি বেশিরভাগ সময়ই মুখ দিয়ে না হলে হাত দিয়ে ঘুরেফিরে যোনিটাকেই বেশি উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। কিন্ত এর জন্য সঙ্গিনী পুরো সময়টাই অসহ্যবোধ করে কারন ছেলেদের মত শুধু লিঙ্গতে সুখ পেয়েই তারা এত সহজে যৌনত্তেজিত হতে পারে না। মেয়েরা তাদের সারা দেহেই তার সঙ্গীর আদর পেতে চায়।

১৩. রুক্ষভাবে সঙ্গিনীর দেহে ম্যাসাজ করাঃ সেক্সের সময় সঙ্গিনীকে উত্তেজিত করে তোলার জন্য যে শৃঙ্গার (Foreplay) বা যৌন আদর করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হল তার সারা দেহে ম্যাসাজ করে দেয়া। বিশেষ করে কর্মজীবী মেয়েদের সঙ্গীরা এই উপায়ে সারাদিন কাজ থেকে ফিরে ক্লান্ত অবসন্ন সঙ্গিনীর নিস্তেজ দেহকে এভাবে সেক্সের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে পারেন (এ ব্যাপারে এখন বিস্তারিত কিছু বলছি না কারন, সেক্সুয়াল ম্যাসাজ করা নিয়ে একটা পুরো একটা বইই লিখে ফেলা যায়। তাই এখন নয়)। তবে নিজের উত্তেজনায় অনেক ছেলেই সঙ্গিনী ব্যাথা পাচ্ছে কিনা একথা চিন্তা না করেই জোরে জোরে রুক্ষভাবে ম্যাসাজ করতে থাকে। এরকম করাটা পরিহার করতে হবে।

১৪. মেয়ের আগেই নিজের কাপড় খুলতে শুরু করাঃ মেয়ে কোন কিছু করার আগেই কেউ তার কাপড় চোপড় খোলা শুরু করবেন না। মেয়ে যতক্ষন পর্যন্ত না উত্তেজিত হয়ে আপনার কাপড় খোলায় মনোযোগ না দেয় ততক্ষন পর্যন্ত নিজে কিছু করার দরকার নেই। মেয়ে যদি আপনার প্যান্টের বোতাম খুলতে চেষ্টা করে, শার্ট টেনে ধরে ইত্যাদি কাজগুলোই আপনার কাপড় খোলার জন্য মেয়েটির থেকে সংকেত বলে ধরে নিতে হবে।

১৫. প্রথম থেকেই জোরে জোরে মৈথুন করাঃ লিঙ্গেমেয়ের তপ্ত যোনির স্পর্শ সব ছেলের জন্যই পাগল করে দেওয়া এক স্পর্শ। বেশিরভাগই এ স্পর্শে উম্মাদের মত হয়ে গিয়ে যোনিতে লিং ঢুকার সাথে সাথেই এমনভাবে মৈধুন (থাপানো!!!) করতে থাকে যেন আজ আজই যোনি থেকে বাচ্চা বের করে ফেলবে। কিন্ত এভাবে শুরু করলে বেশ কিছু সমস্যা হয়। প্রথমত, এভাবে জোরে জোরে মৈথুন করলে মেয়েটির যোনি রসে টইটম্বুর হলেও যোনির ভিতরে, বিশেষ করে বেশি টাইট হলে, ছেলেটির লিঙ্গের অবস্থানের সাথে মেয়েটি অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে না। ফলে তার যৌনসুখ অনেকখানি কমে যায়। এছাড়াও প্রথমে এভাবে জোরে জোরে শুরু করলে কি্ছুক্ষন এভাবে মৈথুন করেই ছেলেটি একটু হাপিয়ে যেতে পারে, তাই স্বভাবতই পরে সে আস্তে আস্তে মৈথুন করতে থাকে। কিন্ত মেয়েটি জোরে মৈথুন করায় যে মজা পেয়ে যায়, পরবর্তীতে এ আস্তে আস্তে করায় তার তৃপ্তি কমে যায়। তার উপর যে সময়টিতে মেয়েটির অর্গাজম (চরম সুখ) সমাগত, সেই সময়েই মেয়েটি চায় আরো বেশি উগ্রভাবে তার সঙ্গীর থাপ খেতে। তাই প্রথমে আস্তে আস্তে শুরু করে তারপর মৈথুনের জোর বাড়াতে হবে।
১৬. শক্ত করে সঙ্গিনীর উপর চড়াও হওয়াঃ আশা করি ছেলেদেরকে মনে করিয়ে দিতে হবে না যে মেয়েদের দেহ তাদের চেয়ে হাল্কা ও নরম? তাই Missionary স্টাইলে মেয়েটির উপরে উঠে সেক্স করার সময় নিজের দুই পায়ের উপর ভালোমত ভর দিয়ে মৈথুন করতে হবে। আপনার শক্ত দেহের জোর চাপ সঙ্গিনীর উপর পড়লে সে সেক্সটা উপভোগ করতে পারবে কিনা তা বলাই বাহুল্য।

১৭. দ্রুত বীর্যপাত করাঃ ছেলেদের সবচেয়ে বড় ভয়। সবার পক্ষে অবশ্য দ্রুত বীর্য পাত নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়। অনেকেরই এতটাই দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় যে তারা তাদের যৌনসঙ্গিনীকে ঠিকমত আনন্দই দিতে পারেন না, এমনকি নিজেরাও আনন্দ থেকে বঞ্চিত হন। দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা দূর করার নানা পদ্ধতি আছে আপাতত তা উল্লেখ করলাম না। তবে যাদের এ সমস্যা হয় তারা এর জন্য সাময়িকভাবে এক কাজ করতে পারেন। সেক্সের আগে অন্তত একবার হস্তমৈথুন করে নেবেন, তারপর সেক্সের শুরুতে সঙ্গিনীকে আদর (Foreplay) করার সময় তার যোনি চুষা ও তাতে আঙ্গুল ঢুকানো ছাড়া বাকি প্রায় সব কিছুই করবেন। আর ওকে আপনার লিঙ্গ চুষতে দেবেন না। ওকে পর্যাপ্ত উত্তেজিত করে যোনিতে লিঙ্গ ঢুকিয়ে থাপ দেয়া শুরু করবেন। যখনি মনে হবে আপনার বীর্যপাত হতে যাচ্ছে, আপনার লিঙ্গ যোনি থেকে বের করে আনবেন। তারপর নিচু হয়ে ওর যোনি চুষতে চুষতে সেখানে দুই আঙ্গুল ঢুকিয়ে আবার বের করতে থাকবেন। আপনার লিঙ্গ সামান্য শিথিল হয়ে এলে আব্র উঠে ওকে থাপাতে থাকবেন, তারপর বীর্যপাতের সময় হলে আবার বের করে ওর যোনিতে নেমে যাবেন। এভাবে যতক্ষন সম্ভব চালিয়ে যাবেন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনীও মজা পাবে আর আপনারও টাইম একটু হলেও বাড়বে।

১৮. বেশি বিলম্বে বীর্যপাতঃ এটা আবার দ্রুত বীর্যপাতের বিপরীত সমস্যা। অনেকেই আছেন যারা একনাগারে অনেক্ষন ধরে সঙ্গিনীর যোনিতে মৈথুন করে যেতে পারেন, যদিও এদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। মেয়েরা অবশ্য এরকটাই পছন্দ করে। কিন্ত অনেকসময় দেখা যায় যে ছেলেটির বীর্যপাত হতে এত বেশি দেরী হয় যে মেয়েটি অধৈর্য হয়ে পড়ে। তাই বীর্যপাত হতে দেরী হলে শুধুই ষাঁড়ের মত সঙ্গিনীকে থাপিয়ে যাবেন না। ফাকে ফাকে ওর স্তন চুষুন, চুমু খান এবং বিশেষকরে পজিশন পরিবর্তন করুন।

১৯. সঙ্গিনীকে জিজ্ঞাসা করা তার অর্গাজম হয়েছে কিনাঃ কতিপয় বোকাোা এই কাজটা করে থাকে। বেশিরভাগ মেয়েরই অর্গাজম হলে শীৎকার করে উঠে। আর না করলেও তার দেহের ভঙ্গিমাতেই এটা বুঝে নিতে হবে। তাকে এটা জিজ্ঞাসা করা চূড়ান্ত বোকামী।

২০. ঘেন্নার সাথে যোনি চুষতে যাওয়াঃ আমাদের দেশেঅনেক ছেলেই মেয়েদের যোনি চুষতে চায় না। অনেক সময় স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ডের অনুরোধে বহুকষ্টে যোনিতে মুখ দিলেও তা কোনমতে ঘেন্নার সাথে হাল্কা পাতলা চুষে। এমনটি কখনোই কর যাবে না। এভাবে হাল্কা করে চুষতে গেলে সঙ্গিনী সে স্পর্শ সঠিকভাবে পাওয়ার জন্য আরো উতলা হয়ে উঠে। ফলে সে স্বাদ পাওয়ার জন্য সে অন্যপুরুষের স্মরনাপন্ন হতে পারে। তাই একাজটা মনোযোগ দিয়ে করতে হবে। আপনার ভালোবাসার মানুষের সবকিছুই তো ভালো লাগতে হবে তাইনা? এজন্য ওকে পরিছন্ন থাকতে বললে সে মাইন্ড করবে বলে মনে হয়না। তাছাড়া ও যদি আপনার লিঙ্গ চুষতে অনিচ্ছুক থাকে তাহলে দেখবেন আপনার যোনি চুষার প্রতিদানে ওও একসময় নিজে থেকেই আপনার লিঙ্গ চুষতে চাবে।
২১. সঙ্গিনীর মাথা নিচের দিকে চেপে ধরাঃ সঙ্গিনী যদি Aggressive হয়ে ছেলের দেহে আদর করতে থাকে। যেমন, ছেলের বুকে জিহবা দিয়ে চেটে দিতে থাকে তবে তারা অনেক সময় মেয়েটির মাথা ঠেলে নিচে তার লিঙ্গের কাছে নিয়ে যেতে চায়। এরমকমটা করা যাবে না। কারন মেয়ে যখন Aggressive মুড এ থাকবে তখন সেই চাবে আপনাকে Control করে আনন্দ দিতে।

২২. বীর্যপাতের পূর্বে সঙ্গিনীকে সতর্ক না করাঃ যখন যোনির ভেতরে কনডমবিহীন লিঙ্গ থাকবে, তখন বীর্যপাতের পূর্বে কেন সঙ্গিনীকে সতর্ক করতে হবে তা আশা করি বলে দিতে হবে না। কারন আপনার সঙ্গিনী বার্থকন্ট্রোলে নাও থাকতে পারে। আর ও যখন আপনার লিঙ্গ চুষবে, বিশেষ করে প্রথমবার, তখন অবশ্যই ওকে সাবধান করতে হবে। কারন বীর্যপাতের স্বাদ ও গন্ধ অনেকটা সমুদ্রের নোনা পানির সাথে ডিমের সাদা অংশের মিশ্রনের মত; অনেক মেয়ের তা ভালো নাও লাগতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সাবধান।

২৩. সঙ্গিনী লিঙ্গ চুষার সময় নড়াচড়া করাঃ সঙ্গিনী লিঙ্গ চুষার সময় নড়াচড়া করলে এটা তার জন্য যথেষ্ট বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়ায়। ওই যা করার করবে, আপনি নিজে থেকে আপনার লিঙ্গ ওর মুখে ঠেলে দিতে যাবেন না। ওর মাথা চেপেও ধরা যাবে না। মেয়েকে লিঙ্গ চুষতে দেওয়ার সময় সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে শুয়ে থাকা, বা বিছানার কিনারায় বসে থাকা, দাঁড়ানো নয়।

২৪. Porn video থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করাঃ মনে রাখবেন পর্ন ভিডিওতে যা দেখান হয় তার সবই সত্য নয়। বেশিরভাগ পর্ন ভিডিওতে যেসব মেয়েরা পারফর্ম করে তারা সবাই সোজা বাংলায় াগি টাইপের। তাই তারা তাদের মুখের উপর ছেলেদের বীর্য ফালানো, বীর্য খেতে, পিছনদিয়ে (নিতম্বের ফুটো) ছেলেদের লিঙ্গ ঢোকানো ইত্যাদি পছন্দ করা দেখে কেউ বিভ্রান্ত হতে যাবেন না। বাস্তবের চিত্র অনেকাংশেই ভিন্ন। এক্ষেত্রে আপনার সঙ্গিনীর সাথে খোলামেলা হলেই তার পছন্দ অপছন্দ পরিস্কার হয়ে যাবে।

২৫. অনেক্ষন ধরে মেয়েকে উপরে রেখে মৈথুন করতে দেয়াঃ স্বভাবতই মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় দূর্বল তাই তাকে অনেক্ষন ধরে উপরে থেকে আপনাকে থাপ দিতে দেওয়া উচিত নয়। এতে সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। তাছাড়াও ও যখন আপনার উপরে থাকবে তখন আপনিও নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকবেন না যেন…ওর স্তন গুলো টিপে দিন, আদর করুন, মাঝেমাঝে ওর মুখখানি টেনে এনে চুমু খান যেন ও একঘেয়ে হয়ে না পড়ে।

২৬. সঙ্গিনীর অনিচ্ছায় পিছন দিয়ে ঢুকানোঃ এই ভুলটুকু কোনমতেই করবেন না। ছেলেদের পিছনের ফুটোয় কিছু ঢুকালে তার সাহায্যে তার প্রস্টেট গ্রন্থি নামক এক অঙ্গে আনন্দ দেয়া যায়, একে ছেলেদের একপ্রকার অর্গাজম বলে (বিস্তারিত পরে)। কিন্তু মেয়েদের প্রস্টেট গ্রন্থিই নেই। তাই তাদের জন্য পিছন দিয়ে লিঙ্গ ঢুকানো খুব সুখকর অভিজ্ঞতা নয়। তাই শুধুমাত্র সঙ্গিনী চাইলেই এটা করতে হবে।

২৭. ছবি তোলাঃ আহা! এতক্ষনে আসল কথায় এলাম। বিভিন্ন সাইটে বাংলাদেশের যেসব পর্ন দেখা যায় তার ৯০% হল গোপন ক্যামেরায় তোলা। তবে আমি যারা গোপন ক্যামেরায় এভাবে ছবি তুলে তাদের মানা করতে যাবো না, কারন জানি কোন লাভ নাই, তারা এমনটি করবেই। তবে অনেক ছেলে আছে যারা সঙ্গিনীকে দেখিয়েই ছবি তুলে বা ভিডিও করে। এরকম অবস্থায় আপনার সঙ্গিনী যদি নেহায়েত একটা াগি না হয় তবে তাকে ছবি তুলতে দেওয়ার অনুরোধ করতে যাবেন না। কারন “তোমার একটা ছবি তুলি?” এই কথা ওকে বললে তার কানে এই কথাটাও বাজবে, “……আমার বন্ধুদের দেখানোর জন্য বা সাইটে পোস্ট করার জন্য”]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[jewel6710]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user178.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-02-12T08:30:35Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic1373new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[পুরুষের যৌন চক্র]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic572new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[পুরুষের যৌন চক্র

    পুরুষের যৌনতার জন্য প্রধান অঙ্গ হলো তার লিঙ্গ। এটি পুরুষের প্রধান যৌনাঙ্গ।এই লিঙ্গের দ্বারা পুরুষ যৌনমিলনে অংশ নেয় এবং মানসিক ও শারীরিক প্রশান্তি লাভ করে । পুরুষের যৌনতা নিয়ন্ত্রণকারি বিভিন্ন অঙ্গ হলো-

    লিঙ্গ ,
    অন্ডথলি
    অন্ডকোষ ,
    এপিডিডাইমিস ,
    ভাস ডিফারেন্স ,
    সেমিনাল কোষ ,
    প্রোষ্টেট গ্ল্যান্ড ,
    বীর্যের সংবহন পথ ,
    কপার’স গ্ল্যান্ড ,
    মূত্র থলি ,


লিঙ্গ

    পুরুষের প্রধান যৌনাঙ্গ হলো লিঙ্গ । লিঙ্গের দৃঢ়তার উপর নির্ভর করে পুরুষের যৌন মিলনে অংশ গ্রহণের ব্যাপারটি । এই লিঙ্গের মধ্য দিয়ে বীর্য এবং মূত্র বের হয় । লিঙ্গ হলো পুরুষের বহিঃ যৌনাঙ্গের মধ্যে অন্যতম । লিঙ্গের সামনে একটি আবরণ ত্বক থাকে । খতনার দ্বারা একে কেটে ফেলা । ইংরেজীতে এই ত্বককে বলে ফোর স্কিন । লিঙ্গে অসংখ্য কোষ কলা রয়েছে । এগুলোর প্রভাবে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় । পুরুষের লিঙ্গের ভেতর সবচেয়ে পুরু কৌষিক ঝিল্লির নাম হলো করপরা কে ভারনোসা ।

    অন্ডথলি-
    অন্ডকোষ হলো দুটো বলের মতো থলি যেখানে শুক্র তৈরী হয় । এগুলোর স্বাভাবিক পরিমাপ হলো দেড় ইঞ্চি । এগুলো লিঙ্গের নিচে ঝুলে থাকে । পুরুষের যৌন হরমোন এবং বীর্য উৎপাদনই হলো অন্ডকোষ দুটোর কাজ ।

    এপিডিডাইমিস-
    প্রতিটি অন্ডকোষের উপরের অংশকে এপিডিডাইমিস বলে । এপিডিডাইমিস হলো বীর্যের সংরণের স্থান । টিউব এবং অন্যান্য নালী বেয়ে বীর্য এপিডিডাইমিস থেকে অন্ডকোষে চলে আসে ।

    ভাস ডিফারেন্স-
    প্রোস্টেট গ্ল্যন্ড থেকে দুটো সেমিনাল কোষ সেমিনাল তরলের মিশ্রণ নিয়ে এপিডিডাইমিসে এসে পৌঁছায়। এই চলাচলের নালী হলো ভাস ডিপারেন্স।এটি পুরুষের আভ্যন্তরীণ যৌনাঙ্গ

    প্রোষ্টেট গ্ল্যান্ড –
    মূত্র থলির উপরে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের অবস্থান । এই গ্ল্যান্ডের প্রোস্টেট তরল উৎপাদিত হয় শতকরা ৩৮ ভাগ এবং সেমিনাল তরল উৎপাদিত হয় ৬০-ভগ,বাকি এক ভাগ বীর্যে উৎপাদিত হয় ।]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[jewel6710]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user178.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-02-12T08:07:27Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic572new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[দস্যু-নায়ক_গৌতম রায়_ATTILIA_TIMUR LANG_GENGHIS KHAN]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic1594new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[[b]দস্যু-নায়ক 
গৌতম রায় [/b]

খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দী। মধ্য এশিয়ার পরিকীর্ণ তৃণভূমির উপর ধাবমান অশ্বারোহী ধনুর্ধরের দল। কনস্তান্তিনোপ্‌ল ও রোমের দুর্গনগরীর ফটক যাচ্ছে বন্ধ হয়ে। বর্তমান চিনের ইনার মঙ্গোলিয়ার প্রত্যন্ত প্রান্তর থেকে ক্রমে এই যাযাবর অশ্বারোহীরা অতিক্রম করেছে দীর্ঘ পথ, দখলে এনেছে স্তেপভূমির আদিগন্ত চরাচর। এর পর তারা রোমের দরজায়। তাদের উপর্যুপরি আক্রমণে নড়ে যাবে খ্রিস্টীয় ইউরোপ। তারা চিহ্নিত হবে ‘ঈশ্বরের অভিশাপ’ রূপে। সেই অভিশাপের নাম অ্যাটিলা। অ্যাটিলা দ্য হুন। 

খ্রিস্টীয় পাশ্চাত্য সভ্যতার ইতিবৃত্তে এই যাযাবর হুনদলই সবচেয়ে ভীতিপ্রদ বর্বর। ভিসিগথ ও অষ্ট্রোগথরা এদের কাছে শিশু। বস্তুত হুনদের তাড়ায় উদ্বাস্তু হয়ে গথরা যখন কনস্তান্তিনোপ্‌লের এলাকায় ঢুকে পড়ে ব্যাপক নৈরাজ্য সৃষ্টি করল, তখনই জানা গেল ওই ভয়াবহ যোদ্ধাদের কথা। তাদের সামাজিক সংগঠনে প্রাক-সামন্ততন্ত্রের আদিম সারল্য। কিন্তু সমতল তৃণভূমির যুদ্ধে তারা অপরাজেয়। শুধু লাগমসর্বস্ব, বর্মহীন, পিঠে লটকানো তূণীর (যাতে ৬০টি করে তীক্ষ্ণফলা তির), আর বাঁ-হাতে ধরা সেই দুর্ধর্ষ বাঁকানো ধনুক (যার এক-একটি বানাতে এক বছরের বেশি সময় লেগে যায়), যা থেকে মুহুর্মুহু শত্রুবাহিনীর উপর আছড়ে পড়ে তিরবৃষ্টি। ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে ধাবমান ঘোড়ার পিঠে বসে সামনাসামনি, পাশাপাশি, এমনকী উল্টো পিঠে আধশোয়া অবস্থাতেও ছোঁড়া ওই খরশান তির ২০০ কিলোমিটার গতিতে জ্যামুক্ত হয়। এই দক্ষ ঘোড়সওয়াররা তাদের বাহনের সঙ্গে শরীর-মনে এতটাই একাত্ম হয়ে যায় যে, রণক্ষেত্রে যুদ্ধরত তাদের দেখলে গ্রিক পুরাণের ঘোড়ামানব সেন্‌ট্যর (Centaur)-এর কল্পনার উৎস স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মেশিনগান আবিষ্কারের আগে পর্যন্ত দেড় হাজার বছরে এই তিরন্দাজির তুল্য দ্রুত ও ভেদশক্তিসম্পন্ন নিধনাস্ত্র তৈরি হয়নি।

[img=attila]http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1327746378.gif[/img]]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[adminusr]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user2.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-01-28T10:36:53Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic1594new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[THE SARASWATI PUJA By PANDIT NATESA SASTRI_সরস্বতী পূজা]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic1593new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[[b]THE SARASWATI PUJA
By PANDIT NATESA SASTRI[/b]


SARASWATI in Hindu Mytho-logy is the goddess of speech and learning and represented as the wife of Brahma, the creator or the supreme spirit. The ninth day of the month of Avani, corresponding to October, is considered most sacred in the year to this goddess. Generally the first nine days Navqratri of the bright half of this month is considered sacred either to Durga, Lakshmi, or Sarasvati, and throughout India worship on a grand scale is performed to these goddesses. Though these days are thus sacred to one goddess or other, the last 3 days, from the 7th to the 9th of the Navaratri, are specially sacred to the goddess of learning, and the last of these festive days, the Navami, closes the ceremony by, the worship of Sarasvati. During the Navaratri days all the toys available in a Hindu household are displayed in fanciful arrangements in a large hall with the goddess Durga, Lakshmi, or Sarasvati in the middle, and this display is supposed to represent the penance of these goddesses. The Madhvasand the Yaishnavas would call this the penance of Lakshmi, and would point out to the grand feast at Tirupati during this period as their authority. In the Tirupati hills there is a Brahmotsavam held during this period representing the penance of Lakshmi and the festival closes on this day with Lakshmi s wedding to Yishnu. The Sivites term this Durgapuja, and this name appears to be more correct, as the greatest portion of India regards the Navaratri as sacred to Durga. Durga s hard penance to secure Siva, as her lord is known to every Hindu and is sung by the best of their poets, so that it does not require any special mention here. The Advaitis, in keeping with their school, worship all the three goddesses, on this occasion and commence their puja with salutation to Durga, Lakshmi and Sarasvati.

[img=swarasati_সরস্বতী]http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1327660130.gif[/img]

We have already alluded to the display of toys in every Hindu household. Women and children take great pleasure in collecting during this occasion as many toys as possible. Every evening, during these nine days, they spend an hour or two in singing the praises of these goddesses and after this is over distri-bute pan supari and sweets. This ceremony is confined only to women and children ; male members do not take part in it. It is near this display of toys the Kolu, as it is called in the south of India—that all the available books of a Hindu household are arranged for the day and there the goddess Sarasvati is worshipped. A silver, copper or brass chombu filled with rice to the brim, with a cocoanut over it, serves to represent any goddess. Sometimes a gold jewel serves as an ornament to this vessel. Just at midday the head of the family takes his seat in the middle of the hall to perform the puja and all the children assemble round him. Strict fasting is observed till the worship is over. Young boys, though their mothers may permit them to eat their food, will not touch anything lest the goddess Sarasvati be displeased. When the head of the house finishes hispuja all the others assembled there stand up with flowers in their hands reciting the praises of Sarasvati to the dictation of the master and offer the same to the goddess. Thus concludes the Sarasvati puja and a sumptuous feast in honour of the goddess follows. People who are rich present clothes on this occasion to married women. The origin of this ceremony is to be found in the Skanda Purana. It runs briefly as follows’ : —]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[adminusr]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user2.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-01-27T10:30:21Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic1593new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[আলালের ঘরে দুলাল_ALALER GHORE DULAL_প্যারীচাঁদ মিত্র (টেকচাঁদ ঠাকুর)]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic1557new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[[b]আলালের ঘরে দুলাল 
প্যারীচাঁদ মিত্র (টেকচাঁদ ঠাকুর)
ALALER GHORE DULAL[/b]


[b]বাবুরাম বাবুর পরিচয় -মতিলালের বাঙ্গালা, সংস্কৃত ও ফার্সী শিক্ষা।[/b]

বৈদ্যাবাটীর বাবুরাম বাবু বড়ো বৈষয়িক ছিলেন। তিনি মাল ও ফৌজদারী আদালতে অনেক কর্ম করিয়া বিখ্যাত হন। কর্মকাজ করিতে প্রবৃত্ত হইয়া উৎকোচাদি গ্রহণ না করিয়া যথার্থ পথে চলা বড়ো প্রাচীন প্রথা ছিল না – বাবুরাম সেই প্রথানুসারেই চলিতেন। একে কর্মে পটু – তাতে তোষামোদ ও কৃতাঞ্জলি দ্বারা সাহেব-সুবাদিগকে বশীভূত করিয়াছিলেন এজন্য অল্পদিনের মধ্যেই প্রচুর ধন উপার্জন করিলেন। এদেশে ধন অথবা পদ বাড়িলেই মান বাড়ে, বিদ্যা ও চরিত্রের তাদৃক্ গৌরব হয় না। বাবুরাম বাবুর অবস্থা পূর্বে বড়ো মন্দ ছিল, তৎকালে গ্রামে কেবল দুই এক ব্যক্তি তাঁহার তত্ত্ব করিত। পরে তাঁহার সুদৃশ্য অট্টালিকা, বাগ-বাগিচা, তালুক ও অন্যান্য ঐশ্বর্য-সম্পত্তি হওয়াতে অনুগত ও অমাত্য বন্ধুবান্ধবের সংখ্যা অসংখ্য হইল। অবকাশ কালে বাটিতে আসিলে তাঁহার বৈঠকখানা লোকারণ্য হইত, যেমন মেঠাইওয়ালার দোকানে মিষ্ট থাকিলেই তাহা মক্ষিকায় পরিপূর্ণ হয় তেমন ধনের আমাদানি হইলেই লোকের আমদানি হয়। বাবুরামবাবুর বাটীতে যখন যাও তাঁহার নিকট লোক ছাড়া নাই-কি বড়ো, কি ছোট, সকলেই চারিদিকে বসিয়া তুষ্টিজনক নানা কথা কহিতেছে, বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা ভঙ্গিক্রমে তোষামদ করিত আর এলোমেলো লোকেরা একেবারেই জল উঁচু-নিচু বলিত। এইরূপে কিছু কাল যাপন করিয়া বাবুরাম বাবু পেন্সন্ লইলেন ও আপন বাটীতে বসিয়া জমিদারী ও সওদাগরী কর্ম করিতে আরম্ভ করিলেন।]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[adminusr]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user2.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-01-26T09:36:54Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic1557new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[পন্ডিত ভীমসেন জোশী_PANDIT BHIMSEN GURURAJ JOSHI_(1922-2011)]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.banglalibrary.org/topic1592new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[[b]পন্ডিত ভীমসেন জোশী[/b]

[b]PANDIT BHIMSEN GURURAJ JOSHI
(১৯২২-২০১১) [/b]
 
ভীমসেন গুরুরাজ জোশী। জন্ম কর্নাটকের ধারওয়ার জেলার এক তালুক গডগ গ্রামে, ১৯২২-এর ৪ ফেব্রুয়ারি। পিতা গুরুরাজ তৎকালে এক জন এম এ পাশ করা মানুষ। বিভিন্ন বিষয়ে বেশ ক’টি বই আছে তাঁর। পিতামহ ভীমাচার্য প্রসিদ্ধ কীর্তনকার। এমত শিক্ষিত পরিবারে সংগীতের পরিবেশ অনুকূলই ছিল। ভীমসেনের সঙ্গীতশিক্ষা শুরু হয়েছিল চানাপ্পা কুর্তাকোর্তি নামক এক কীর্তনকারের কাছে পাঁচ টাকা দক্ষিণার বিনিময়ে। চানাপ্পা জাতে ধোপা, কিন্তু মানসিকতায় সঙ্গীতকার। তাঁর কাছে মাত্র সাত মাসের তালিমে গানের সঙ্গে হারমনিয়মও যখন বেশ সপ্রতিভ, তখন শুরু হল দ্বিতীয় ধাপ হিসেবে পণ্ডিত শ্যামাচার্য নামক গায়কের কাছে সুরশিক্ষা। সেই ছেলেবেলায় পাওয়া শ্যামাচার্যের দাক্ষিণ্য ভীমসেন কখনও বিস্মৃত হননি, আজীবন তাঁকে পেনশন হিসেবে অর্থ প্রদান করে এসেছিলেন। 


[img=bhimsen]http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1326954519.gif[/img] 
 
 
এ পর্যন্ত শিক্ষার গতিময়তা ঠিক থাকলেও ভীমসেনের গতানুগতিক জীবন বদলে গেল এক আকস্মিকতায়। পছন্দের দোকানে তাঁর কান এক দিন শুনে ফেলল আবদুল করিম খানের বসন্ত রাগে গাওয়া ‘বৃজ দেখনে কো’ আর ঝিঁঝিটের ঠুমরি ‘পিয়া বিন নহী আওত চৈন’। উৎকৃষ্ট খাদ্যদ্রব্য যেমন রসনার জন্য দুটিই যথেষ্ট, এ ক্ষেত্রেও তা-ই। ভীমসেন ও দুটি গান আর শোনেননি। মনের কোনও দামি রত্নের মতো তা গচ্ছিত রইল এবং সঙ্গে রইল অদম্য আশা— আমিও এক দিন এমন গাইব।]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[adminusr]]></name>
				<uri>http://forum.banglalibrary.org/user2.html</uri>
			</author>
			<updated>2012-01-19T06:49:17Z</updated>
			<id>http://forum.banglalibrary.org/topic1592new-posts.html</id>
		</entry>
</feed>

