<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0">
	<channel>
		<title><![CDATA[Banglalibrary - Forum - News]]></title>
		<link>http://forum.banglalibrary.org/news.html</link>
		<description><![CDATA[News]]></description>
		<lastBuildDate>Wed, 02 Feb 2011 12:31:23 +0000</lastBuildDate>
		<generator>PunBB 1.3.2</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: মা আনন্দময়ী_প্রণবেশ চক্রবর্তী_MA ANANDAMAYI]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7195.html#p7195</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>মা আনন্দময়ী<br />প্রণবেশ চক্রবর্তী</strong></p><p>সেই দিনটা ছিল মধ্য বৈশাখ মাসের শেষ রাত্রি। ১৮৯৬ সালের ৩০ এপ্রিল। অনন্ত প্রকৃতির অপার লীলাভূমি ত্রিপুরা জেলার খেওড়া গ্রামের আকাশ সেদিন সেই কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথিতে সন্ধ্যা থেকেই ঘোর মেঘাচ্ছন্ন। রাত যতই বাড়তে থাকে মেঘও ধীরে ধীরে সরে যেতে থাকে। তারপর একসময় আকাশ জুড়ে দেখা দিল আলোর ছ’টা। সেই আলোর বন্যায় ভেসে গেল খেওড়া গ্রাম। জ্যোতির্ময় হয়ে উঠল দরিদ্র ব্রাহ্মণ, বিপিনবিহারী ভট্টাচার্যের কুটির। আর সেই স্বর্গীয় আলোতেই বিপিনবিহারীর পত্নী মোক্ষদা সুন্দরীর কোল আলো করে যে শিশুকন্যা আবির্ভূতা হলেন—সেই শিশু কন্যা কিন্তু অন্যান্য নবজাতকের মতো জন্মের পর কাঁদেনি—বরং এক বিস্ময়কর ব্যতিক্রম ঘটিয়ে মহানন্দে হেসেছিল।</p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296649833.gif" alt="ma anandamayi" /></span></p><p>জন্মসিদ্ধা নির্মলার অলৌকিক লীলার শুরু সেই জন্মলগ্ন থেকেই—পরবর্তীকালে যিনি মা আনন্দময়ী রূপে তাঁর অপার যোগবিভূতির মহিমায় বিশ্বজনকে মোহিত করেছেন।</p><p>একদিন শিশু নির্মলা তাঁর বাবা বিপিনবিহারীকে প্রশ্ন করেন, ‘আচ্ছা বাবা, হরি নাম করলে কী হয় ?’ শিশুকন্যার মুখে এই প্রশ্ন শুনে পরম ভক্ত বিপিনবিহারী জবাব দেন, ‘হরির নাম গান করলে যে হরিকে দেখা যায় মা।’ এবার মেয়ের দ্বিতীয় প্রশ্ন, ‘হরি কি খুব বড় নাকি বাবা ?’ সরল শিশুর মুখে এই প্রশ্ন শুনে আনন্দ পান বিপিনবিহারী, বলেন, ‘হ্যাঁ গো, হরি যে খুব বড়।’ কিন্তু কত বড় ? পাঁচ বছরের শিশুকন্যা ভেবেই পায় না। শেষ পর্যন্ত সামনের মাঠটা দেখিয়ে পিতাকে প্রশ্ন করেন, ‘এই মাঠের মতো বড় ?’</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Wed, 02 Feb 2011 12:31:23 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7195.html#p7195</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: লোকনাথ ব্রহ্মচারী_প্রণবেশ চক্রবর্তী_LOKNATH BROMHOCHARI]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7189.html#p7189</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>লোকনাথ ব্রহ্মচারী<br />প্রণবেশ চক্রবর্তী</strong></p><p>এখন আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে এই বাংলাদেশকেই বলা হত পূর্ববঙ্গ। সেই পূর্ববঙ্গের মুড়াপাড়া গ্রামের ব্রাহ্মণ জমিদাররা ছিলেন ধনে-জনে আভিজাত্যে বিখ্যাত।</p><p>এই জমিদার পরিবারের তৎকালীন প্রধান পুরুষ ছিলেন পূর্ণচন্দ্র মুখোপাধ্যায়—যিনি অন্যসব দিক থেকে সুখী মানুষ হলেও একটা ব্যাপারে তিনি সবসময় ভিতরে ভিতরে দুঃখের জ্বালা বহন করতেন। বাইরে তিনি সদাহাস্যময় কিন্তু ভিতরে তাঁর দীর্ঘশ্বাসের ঝড়। কারণ, তাঁর দীর্ঘ বিবাহিত জীবনে তিনি তখনও কোনও পুত্রসন্তানের জনক হতে পারেননি। ফলে সকলের আড়ালে তিনি মাঝে মাঝেই হতাশায় আক্রান্ত হয়ে পড়তেন, অবসাদে বিপন্ন বোধ করতেন এবং এই জমিদারির ভবিষ্যৎ ভেবে বিমর্ষ হয়ে পড়তেন।</p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296648833.gif" alt="loknath baba" /></span></p><p>জীবনের এরকমই এক সঙ্কটাপন্ন সময়ে তিনি লোকমুখে শুনলেন, ঢাকা জেলার নারায়ণগঞ্জ মহকুমার বারদী গ্রামে একজন বিস্ময়কর অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন ব্রহ্মচারী বাস করেন। নাম তাঁর লোকনাথ ব্রহ্মচারী। তাঁর আসল বয়স কেউ জানে না, তবে সবাই বলে, তাঁর বয়স নাকি দেড়শ বছর। তাঁর চোখের পলক পড়ে না, চোখের তারা স্থির। সুদীর্ঘকাল হিমালয়ে বরফের বুকে বসে সাধনা করে তিনি সমতলে নেমে এসেছেন। এখন অবস্থান করছেন বারদী গ্রামে। এই বারদী গ্রামের নাগবাবুরাও তাঁর পরম ভক্ত।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Wed, 02 Feb 2011 12:16:16 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7189.html#p7189</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: TALSARI...NIRJAN SAIKATE...by Ratnadipa Banerjee_তালসারি_নির্জন সৈকতে]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7181.html#p7181</link>
			<description><![CDATA[<p>রত্নদীপা আমার ফেস বুকের বন্ধু। ওর সঙ্গে আমার আলাপ ফেস বুকের মাধ্যমে। এখনো মুখো মুখি কিংবা ফোনালাপ হয় নি। লাইব্রেরীর লিঙ্ক আদান-প্রদানের মধ্যেই হৃদ্যতা। কয়েকদিন আগে তালসারি গেছিল কলকাতায় নাভিশ্বাস ওঠা চাপ থেকে মুক্তির সন্ধানে। সেখানে থেকে তুলে এনেছে বেশ কিছু ছবি। আমি দেখে লোভে পরে গেলাম। ওর অনুমতি চাইলাম লাইব্রেরীতে রাখার জন্য। রত্নদীপা অনুমতি দিল। তাই সবার সঙ্গে ছবিগুলো শেয়ার করলাম।</p><p>আমার সংগ্রহে থাকা রত্নদীপার সংক্ষিপ্ত পরিচয়।<br />Ratnadipa Banerjee<br />banerjee.ratnadipa@gmail.com<br />http://ratnadipa-kegoantarotarose.blogspot.com/</p><br /><p><strong>TALSARI...NIRJAN SAIKATE...by Ratnadipa Banerjee</strong></p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296646580.gif" alt="talsari_nirjan saikate" /></span></p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296646627.gif" alt="talsari_nirjan saikate" /></span></p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296646662.gif" alt="talsari_nirjan saikate" /></span></p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296646690.gif" alt="talsari_nirjan saikate" /></span></p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Wed, 02 Feb 2011 11:40:56 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7181.html#p7181</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: RESIDENCE OF VIVEKANANDA IN KOLKATA_কলকাতায় বিবেকানন্দের বসত বাড়ি]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7177.html#p7177</link>
			<description><![CDATA[<p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296580593.gif" alt="house of vivekananda in calcutta" /></span><br />একসময় এখানেই বিবেকানন্দের শৈশব কেটেছে তখন তিনি বিবেকানন্দ নন সেই সময় তাঁর নাম ছিল বিলে।</p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296580716.gif" alt="house of vivekananda in calcutta" /></span><br />এই বাড়ি বিবেকানন্দরোডের ওপর।</p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296580825.gif" alt="house of vivekananda in calcutta" /></span></p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296580943.gif" alt="house of vivekananda in calcutta" /></span></p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296581013.gif" alt="house of vivekananda in calcutta" /></span><br />এই জনপথেই বিবেকানন্দ কতো শতোবার হেঁটে নিজের বাড়িতে গেছেন।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Tue, 01 Feb 2011 17:26:58 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7177.html#p7177</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: গোড়ায় গলদ_অমর্ত্য সেন_THE ARGUMENTATIVE INDIAN]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7142.html#p7142</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>গোড়ায় গলদ <br />অমর্ত্য সেন </strong></p><br /><p>আপনার নতুন প্রবন্ধ সংকলন ‘দি আরগুমেন্টেটিভ ইণ্ডিয়ান’-এর একটা লেখায় বিশ্বভারতীতে সে আমলে কী ভাবে লেখাপড়া হত তার একটা উদাহরণ আছে। যে, হয়তো প্রাচীন সাহিত্যের ক্লাস হচ্ছে, শিক্ষক হয়তো পড়াতে পড়াতে স্বচ্ছন্দে আধুনিক সাহিত্যে চলে এলেন, অনেকগুলো বিষয় জড়িয়ে নিয়ে পড়াতেন তাঁরা। পড়ানোর এই যে শৈলী, এটা কি ইদানীং হারিয়ে যায়নি? অতিরিক্ত স্পেশালাইজেশন করতে গিয়ে, এমনকী স্কুলের পড়ানোতেও... এতে কি ছাত্রদের তর্কশীল হয়ে ওঠার পথে বাধা পড়ে না?</p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296148144.gif" alt="the_argumentative_indian" /></span></p><p>এ রকম সমালোচনা আমি করতে পারব বলে মনে করি না। কারণ প্রথম কথা, এখানে কী ঘটছে না ঘটছে আমি ঠিক জানি না। দ্বিতীয়ত, আমাদের যে ভাবে পড়ানো হত, সে জিনিসটাই ওই ভাবে পড়াতে গিয়ে একেবারে পড়াশোনা হবে না, তারও একটা সম্ভাবনা ছিল। এটা নির্ভর করে মাস্টারমশাইদের ক্ষমতার উপরে। সে দিক দিয়ে আমি খুব সৌভাগ্যবান ছিলাম যে আমাদের যাঁরা পড়িয়েছেন তাঁদের অনেকেরই যে যথেষ্ট জ্ঞান এবং উৎসাহ ছিল শুধু তা-ই নয়, এই নতুন ধারায় পড়ানোর একটা ক্ষমতাও ছিল। সেই কারণেই তাঁরা শান্তিনিকেতনে এসেছিলেন। এখন, সব শিক্ষকই ঠিক এ ভাবে করতে পারবেন, তা তো নয়। এবং এটা করতে গিয়ে পড়াশোনার ডিসিপ্লিনটা নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেই আশঙ্কা আছে। তাই আমি এটাকে, কী ঘটেছিল, সে বিষয়েই একটা বক্তব্য বলে মনে করছি; কী ঘটা উচিত, আমাদের স্কুলে যে অবস্থা আছে, শিক্ষকদের যে ভাবে ট্রেনিং দেওয়া হয়, সেটা মেনে নিয়ে এবং ছাত্ররা কী করতে চান না করতে চান তা মেনে নিয়ে, কী করা উচিত সে বিষয়ে কোনও মত দেওয়ার জন্যে আমি বিশ্বভারতীর সেই সময়কার কথা বলিনি। </p><p>অনেক সময় বলা হয় যে আজকাল শিক্ষায় প্রযুক্তির ওপর খুব বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে, সে পুরনো অর্থে শিল্প-প্রযুক্তিই হোক কি নতুন তথ্য-প্রযুক্তিই হোক। হিউম্যানিটিজ সেই তুলনায় অনেকটাই অবহেলিত। এটা সমস্যা তৈরি করছে। এর কি কোনও গুরুত্ব আছে?</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Thu, 27 Jan 2011 17:10:03 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7142.html#p7142</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: ৫২ ব্যঞ্জন _পবিত্র সরকার_52 CONSONANT_BARNAPARICHAY]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7133.html#p7133</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>৫২ ব্যঞ্জন <br />পবিত্র সরকার </strong></p><p>বর্ণপরিচয় নামে একটি প্রাথমিক ভাষাশিক্ষার বই প্রকাশ করেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। অবশ্যই ‘লিখিত’ ভাষাশিক্ষার; মুখের ভাষা প্রায়ই শেখানোর দরকার হয় না। আজ থেকে দেড়শো বছর আগে, ১২৬২ বাংলা সনের পয়লা বৈশাখ বেরিয়েছিল তার ‘প্রথম ভাগ’। এতে আছে যুক্তব্যঞ্জনহীন একুশটি পাঠ। বর্ণমালা দিয়ে শুরু, শেষ পাঠ এক থেকে দশ সংখ্যার অঙ্ক আর শব্দগত রূপ। তার আগের আগের পাঠে লম্বা টানা বাক্য এসেছে— ‘পাঠশালার ছুটি হইলে, বাড়ী গিয়া, গোপাল পড়িবার বইখানি আগে ভাল জায়গায় রাখিয়া দেয়; পরে, কাপড় ছাড়িয়া, হাত পা মুখ ধোয়।’ আগের পাঠে এ রকম একটি টানা বাক্য— ‘ছুটী হইলে, বাড়ীতে গিয়া, রাখাল পড়িবার বই কোথায় ফেলে, কিছুই ঠিকানা থাকে না।’ </p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296132302.gif" alt="barnaparichay" /></span></p><p>‘দ্বিতীয় ভাগ’ বেরোল ঠিক দু’মাস পরে, ১ আষাঢ়, ইংরেজি সাল ১৮৫৫। এখন আমরা তাই দেড়শো বছর উদযাপন করছি, বর্ণপরিচয় প্রকাশের। দ্বিতীয় ভাগের শুরুতেই আছে যুক্তব্যঞ্জনের পাঠ, য-ফলা এসেছে প্রথম পাঠেই। বর্ণপরিচয়ের সজ্জা তখনকার সব বর্ণশিক্ষার বইয়ের মতোই বর্ণানুক্রমিক। প্রথম ভাগে আ-কার, ই-কার, ঈ-কার পর পর এসেছে; দ্বিতীয় ভাগে একই ভাবে সাজানো হয়েছে য-ফলা, র-ফলা, ল-ফলা। </p><p>বিদ্যাসাগর রচিত এই দু-ভাগের বর্ণপরিচয় বাঙালি শিশুদের বর্ণশিক্ষার জন্য লেখা বা প্রকাশিত প্রথম বই নয়। গবেষকদের তথ্য থেকে পাই, ঊনচল্লিশ বছর আগেই শ্রীরামপুর মিশন থেকে বেরোয় ‘লিপিধারা’ (১৮১৬); ১৮১৮-তে কলকাতার স্কুল বুক সোসাইটি প্রকাশ করে বর্ণমালা— রচয়িতা জেম্‌স স্টিউয়ার্ট। মাঝখানেও বেরিয়ে যায় বেশ কয়েকটি বর্ণপরিচয়ের বই। যার মধ্যে সব চেয়ে জনপ্রিয় হয়েছিল ‘পাখি সব করে রব’-খ্যাত মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুশিক্ষা। তার প্রথম ভাগ বেরোয় ১৮৪৯-এ, দ্বিতীয় ভাগ ১৮৫০-এ। বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয়-এর অর্জন আলোচনা প্রসঙ্গে এ বইদুটি গুরুত্বপূর্ণ।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Thu, 27 Jan 2011 12:48:10 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7133.html#p7133</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: লিতেরাচুর_শঙ্করলাল ভট্টাচার্য_LITERATURA]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7125.html#p7125</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>লিতেরাচুর <br />শঙ্করলাল ভট্টাচার্য</strong></p><p>পৃথিবীর প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থের জনক কোনও ফরাসি নন; সে-কৃতিত্ব জার্মানির মাইনৎস শহরের ইয়োহানেস গেন্সফ্লাইশ গুটেনবের্গের। পৃথিবীর বহু বিক্রিততম বইটিও কোনও ফরাসির লেখা নয়; সে-বই কস্মিন কাল থেকে কপিরাইটহীন কিং জেমসেজ ভার্সান-এর বাইবেল। কপিরাইটকৃত বইয়ের শীর্ষ বিক্রয়ের শিরোপা নিয়ে যাঁরা লড়ছেন— গিনেস বুক বা আগাথা ক্রিস্টি রচনাবলির প্রকাশন সংস্থা, ‘আ ব্রিফ হিষ্ট্রি অব টাইম’ নিয়ে স্টিফেন হকিং, কী হ্যারি পটার পুস্তকাদি নিয়ে জে কে রলিং— এই এঁদের মধ্যেও কোনও ফরাসি নেই। অথচ, নারী ও নগরী, সুরা ও সুগন্ধি, ছবি বা ছায়াছবির মতো বই কিংবা বইয়ের কথা উঠলেই এসে পড়ে ফ্রান্স এবং ফ্রান্স এবং ফ্রান্স। ছেপে বই আবিষ্কার করা হয়নি দেখে তা পড়ে পড়ে, পড়ে পড়ে পুনরাবিষ্কৃত করে বসেছে ফ্রান্স। বই মগজের বস্তু না হৃদয়ের, জগৎ ও বইয়ের বাস্তব কোথায় কতটুকু মেশে— এ সব নিয়েও যখন ভাবালু বিতর্ক জারি চার দিকে, তখন কিছু কিছু ফরাসির মনে হয়েছে বইয়ের ব্যাপারে শেষ কথা বলবে পাঠক, কারণ বইয়ের বস্তুর শেষ, পরিণত চেহারাটা তো তারই মাথায় ঘোরাফেরা করছে।</p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296131438.gif" alt="The_Gutenberg_Bible" /></span><br />The Gutenberg Bible</p><p>আজকের রোলঁ বার্থ বা জাক দেরিদার প্রস্তাবিত সৃষ্টিশীল বা বিধ্বংসী পাঠকের বহু আগেই বিশ্বকোষকার দনি দিদরো প্রকাশকের আমন্ত্রণে এফ্রাইম চেম্বার্সের ‘স্লাইকোপিডিয়া’-র (১৭২৭) পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করতে গিয়ে বিষয়টিকে এমন ভাবে পাকড়াও করলেন যে, বিশ্বকোষ ধারণাটারই একটা সামুদ্রিক পরিবর্তন ঘটল। বিশ বছরের প্রয়াসে, নানা মুনির সহযোগিতায় তাঁর নানা খণ্ডের এনস্লাইকোপিডিয়ার শেষ খণ্ডটি যখন প্রকাশ পেল ১৭৬৫-তে, সেটি তত দিনে থোড়াই রইল এক নিরীহ তথ্যভাণ্ডার। তত্ত্ব ও তথ্যের সন্নিবেশে, পূর্বজ্ঞানের নতুন ব্যাখ্যায় তা হয়ে পড়েছে রাজনৈতিক যুদ্ধের এক দার্শনিক যন্ত্র— engine of war. আর এই সবটুকুই কেবল বিষয় ও তত্ত্বের পাঠভেদে, পাঠচরিত্রে। আর দিদরোর মৃত্যুর বছর নব্বই পর আর এক ফরাসি— কবি স্তেফান মালার্মে পাঠের আরও এক নীতি নির্ধারণ করে বসলেন তাঁর ‘অল দ্য সোল সাম্‌ড আপ...’ কবিতার শেষ পংক্তিতে। লিখলেন:</p><p>‘ল্য সঁস ত্রো প্রেসি রাতুরতা ভাগ লিতেরাচুর।’</p><p>ইংরেজি তর্জমায় দাঁড়িয়েছে ‘Too precise a meaning erases your mysterious literature’: খুব নিখুঁত অর্থ করলে রসের রহস্য মুছে যায়। সে-কারণেই কি অন্য এক কবিতা ‘সি ব্রিজ’-এ (সমুদ্রের হাওয়া) কবি লিখলেন?— ‘The flesh is sad, alas! and I have read all the books.To escape! To escape far away!’ কিন্তু পালাতে পারলেন কই? শেষে জগৎকে উপহার দিয়ে গেলেন বই বিষয়ে মানুষের শেষ কথা, ঋষির ওঁ মন্ত্রের মতো ‘তুতাবুতি দঁজাঁ লিভ্র্‌’: ‘Everything ends up in a book’. সবের শেষ একটি বইয়ে। যেখানে ফ্রান্সের জন্ম।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Thu, 27 Jan 2011 12:31:27 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7125.html#p7125</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: জীবন টুকরো জীবন_উৎপলকুমার বসু_LIFE : PART OF LIFE_UTPAL KUMAR BASU]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7111.html#p7111</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>জীবন টুকরো জীবন </strong></p><p><em>অ্যাম্বিশন ছিল, মুচি হবেন। বিদেশে ট্রাক-ড্রাইভারির পরীক্ষা দিয়েছেন।<br />পুষবেন বলে সাপ ধরে এনেছিলেন। স্লো সাইকেল রেসে চ্যাম্পিয়ন।<br />বাংলা কবিতার মহারথী। আলগোছে কিছু জীবন বললেন </em></p><p><strong>উৎপলকুমার বসু </strong></p><p>আমি জন্মেছি কলকাতায়, ভবানীপুরে। ছেলেবেলায় মা’কে হারাই, তার পর আমার এক নিঃসন্তান মাসি আমাকে নিয়ে যান দিনহাটা। কুচবিহারে। আমাকে মাসিই মানুষ করেন। দিনহাটা হাইস্কুলে ক্লাস থ্রি থেকে পড়েছি। ওই স্কুলে আমাদের এক জন মাস্টারমশাই ছিলেন কমল গুহ, আমাদের রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী। দিনহাটার আর এক জন বিখ্যাত ছেলে পেয়ারাদা, ভাল নাম এরশাদ, পরে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। ভারতবর্ষ তখন স্বাধীন হব হব। কুচবিহারের রাজা রাস্তা দিয়ে গেলে সামনে রাস্তায় ঝাঁট পড়ত। তার পর বিউগিল বাজাতে বাজাতে এক দল যেত, তার পর সেপাইসহ রাজা যেতেন, শেষে আমরা রাস্তা নোংরা করতে করতে। </p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296042242.gif" alt="utpal kumar basu" /></span></p><p>বাড়ির কাছেই স্কুল ছিল। হেঁটেই যাতায়াত করতাম। টিফিন খেতে বাড়িতে আসতাম। যেহেতু আমি শহর থেকে গেছি, তাই একটু নিঃসঙ্গ ছিলাম, বন্ধুবান্ধব বিশেষ ছিল না। কিন্তু আমার নিজের একটা ছোট চিড়িয়াখানা ছিল। সেখানে কুকুরছানা বেড়ালছানা থেকে আরম্ভ করে পাখি, পোকামাকড়, শিশির মধ্যে গিরগিটি ছিল। একটা পাহাড়ি ময়না ছিল। বাবু টাইপের। রোজ দুপুরে বলত— স্নান করব, স্নান করব। তখন তাকে স্নান করাতে হত। মাসি অসম্ভব রেগে গেল যখন আমি একটা সাপ ধরে আনলাম পোষার জন্য। বলল, আর না, ঢের হয়েছে।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Wed, 26 Jan 2011 11:45:32 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7111.html#p7111</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: তোমাকে লিখছি_কবীর সুমন_I WERITE TO YOU_INDEPENDENCE DAY]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7104.html#p7104</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>তোমাকে লিখছি<br />প্রজাতন্ত্র দিবস পেরিয়ে সংবিধান নিয়ে একটি খোলা চিঠি&nbsp; </strong></p><p><em>পুড়ল আদিকন্দ দলুই<br />পুড়ছে আমার সংবিধান<br />পুড়তে পুড়তে হয়তো আগুন<br />লিখবে নিজেই একটা গান। </em></p><p>বন্ধু,</p><p>গান চেয়েছ। ওই চার লাইন দিয়ে শুরু করলাম। এই কথাগুলোই যে গোড়ায় থাকবে তার মানে নেই। লিখতে লিখতে হয়তো দেখব ওগুলো পরে কোথাও চলে যাচ্ছে। কোন খেয়ালে যে তুমি আমায় এমন এক বরাত দিলে তুমিই জানো। আমি কিন্তু জানি না, কোন আক্কেলে আমি রাজি হয়ে গেলাম। সংবিধানবিশারদ বা আইনজ্ঞ নই আমি। এ দেশের নাগরিক, পেশায় সংগীতকার এবং এক ধরনের সাংবাদিক, নিবন্ধকার। আমার পাসপোর্টে অবশ্য অামার নাম কবীর সুমনের তলায় নির্দিষ্ট একটি জায়গায় আমার পেশা ‘সংগীতকার’ই লেখা অাছে। এই দেখ, পাসপোর্ট। এক স্বাধীন, সার্বভৌম প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হিসেবে আমার পরিচিতি দলিল, যার পাতায় পাতায় অন্যান্য দেশের ভিসার ছাপ পড়ে, যদি সেই ভিসা আমি আবেদন করে পেয়ে যাই। </p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296040957.gif" alt="independence day" /></span></p><p>যে দিন থেকে আমাদের দেশের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল (আমার বয়স তখন দশ মাস, আর তুমি তখনও আসোনি) সেই দিনটি যথারীতি পালন করা হল। সারা পৃথিবীতেই তো প্রতি বছর নানান ‘দিবস’ উদযাপন করা হয়ে থাকে। আমাদের দেশেও। এ বারে, প্রজাতন্ত্র দিবস, মানে যে দিন ভারত এক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গ্রহণ করেছিল স্বাধীনতা লাভের পর তার প্রথম সংবিধান, সেই দিনটির অল্প কাল আগে তুমি বায়না ধরলে— এত কিছু নিয়ে গান লিখেছ, আজ আমাদের সংবিধান নিয়ে একটা গান লেখো। তুমিও জানো, আমিও জানি সংবিধানের সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা-সমৃদ্ধ কোনও গান লিখতে তুমি আমায় বলোনি। এই সময়ে, এই বয়সে, এই অবস্থায় আমাদের সংবিধান আমায় কী বলছে, তার পটভূমিতে আমি কী দেখছি, কী বুঝছি, তা নিয়েই লিখতে বলেছ তুমি আমায়। পেশাদার গান লিখিয়ে-সুর করিয়ে এই আমি নিজের কথা জানিয়ে দেওয়ার জন্য যেমন গান লিখেছি, আজও লিখি, তেমনই অপরের বরাত অনুসারেও লিখেছি, সুর করেছি কম নয়। ওখানেই পেশাদিরিত্বের জায়গাটা। ছায়াছবির বিশেষ একটি দৃশ্যের জন্য, হয়তো নায়ক বা নায়িকার জন্য গান বাঁধার সময় নিজেকে রেখেছি সেই চরিত্রগুলির জায়গায়। পার্শ্বচরিত্রের বেলাতেও তাই। সিরিয়াল বা টেলিফিল্‌মের টাইটেল সং-এ ধরতে হয়েছে গল্পটার মেজাজ। আবার, ধরো, এক নামজাদা বিস্কুট কোম্পানির জন্যেও দু’লাইনের গান বাঁধতে হয়েছিল। রুশ সঙ্গীতকার চাইকভ্‌স্কি এক জায়গায় লিখেছিলেন, ‘এক জন মুচি যেমন প্রতি দিন নানান পায়ের মাপে জুতো বানান, আমি সেই ভাবে সংগীত রচনা করি।’ সত্যিকার পেশাদার লোক এমনই হয়। আমাদের দেশের অনেক সৌখিন, মেঘলোকবাসী, শুচিবায়ুগ্রস্ত ‘শিল্পী’ অবশ্য ভীষণ দুঃখ পান এমনধারা কথা শুনলে।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Wed, 26 Jan 2011 11:23:29 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7104.html#p7104</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: প্রথম বই_উজ্জ্বলকুমার দাস_FIRST BOOK]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7102.html#p7102</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>প্রথম বই <br />উজ্জ্বলকুমার দাস </strong></p><p>৮৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১১ মে চিন দেশে বিশ্বের প্রথম বইটি প্রকাশিত হয়। জাপানের ধর্মপ্রাণা সম্রাজ্ঞী মোবতকু বুদ্ধদেবের প্রায় দশ লক্ষ বাণী-সহ ‘হীরকসূত্র’ নামে একটি গ্রন্থ প্রচারের পরিকল্পনা করেন। </p><p>তখনকার দিনে এ কালের মতো বিদ্যুৎচালিত কোনও ছাপার মেশিন আবিষ্কৃত হয়নি। তাই কাঠের ব্লক তৈরি করে হস্তচালিত মেশিনের সাহায্যেই ‘হীরকসূত্র’ বইটি ছাপা হয়েছিল। বইটি ছেপেছিলেন ওয়াং চি। পৃথিবীর মুদ্রণের ইতিহাসে এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা। ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে চিনের কাংসু শহর থেকে এই বইটি খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। </p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296040216.gif" alt="book" /></span></p><p>ভারতবর্ষের প্রাচীনতম বই পাওয়া গিয়েছিল কাশগড়ে। সেটি চতুর্থ শতকের কথা। লেখা হয়েছিল সিদ্ধমাতৃকা লিপিতে তেরেট পাতা বা তালপাতায়। লেখার জন্য কোথাও প্যাপিরাস, কোথাও পার্চমেন্ট বা ফলক ব্যবহৃত হয়েছিল। </p><p>বই তৈরির পদ্ধতিতে বিপ্লব আনেন জোহান গুটেনবার্গ। ১৪৫৬ সালে তিনি প্রথম মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কার করেন। তাঁর ছাপাখানায় প্রথম ছাপা হয় ‘বাইবেল’, যা ‘গুটেনবার্গের বাইবেল’ নামে পরিচিত। এই বইটি এক সময় হারিয়ে যায়। ১৭৬০ সালে আবার বইটি খুঁজে পাওয়া গেলে তার নামকরণ হয় ‘মার্জারিন বাইবেল’। </p><p>গুটেনবার্গের মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই মুদ্রণযন্ত্র সারা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। ১৪৫৬ সালে ইতালিতে, ১৪৬৮ সালে সুইজারল্যাণ্ডে, ১৪৭০ সালে ফ্রান্সে, ১৪৭৩ সালে হল্যাণ্ডে, ১৪৭৪ সালে স্পেনে এবং ১৪৭৬ সালে ইংল্যাণ্ডে প্রথম বই ছাপা হয়। তাই এই দশককে বলা হয় বই ছাপার শৈশবকাল, আর এই সময়ে প্রকাশিত বইগুলিকে ইংরেজিতে বলা হয় CRADLE BOOK।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Wed, 26 Jan 2011 11:10:55 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7102.html#p7102</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: গঙ্গাসাগর: পুরাণে এবং ইতিহাসে _নির্মল কর_GANGASAGAR PURAN AND HISTORY]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7098.html#p7098</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>গঙ্গাসাগর: পুরাণে এবং ইতিহাসে <br />নির্মল কর </strong></p><p>সাগরদ্বীপ। বঙ্গোপসাগরের উপকূলে সুন্দরবনাঞ্চলের এই দ্বীপটিরই পৌরাণিক নাম শ্বেতদ্বীপ। এরই দক্ষিণাংশে গঙ্গা যেখানে সাগরের সঙ্গে মিলেছে, সেই স্থানটি গঙ্গাসাগর নামে খ্যাত। সামনে আদিগন্ত সমুদ্র, পেছনে শ্যামল বনানী আর বালুকাময় বেলাভূমির মাঝখানে মহর্ষি কপিলের মন্দির। হিন্দু-মানসে গঙ্গাসাগর একটি মহাতীর্থ হিসেবে গণ্য। সাগরতীরের সার কথা মকর-সংক্রান্তিতে সাগর সঙ্গমে পুণ্যস্নান। তাই যুগ যুগ ধরে সাধুসন্ত ও মোক্ষকামী মানুষের এত ভিড়।</p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1263406941.gif" alt="mokor sankranti" /></span></p><p>এককালে সাগরদ্বীপ ছিল ১৭০ বর্গ মাইলের এক সমৃদ্ধ জনপদ। ১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দে সামুদ্রিক ঝড় এবং জলোচ্ছ্বাসে সাগরদ্বীপের প্রায় দু’লক্ষ মানুষ সমুদ্রের টানে ভেসে যায়। সেই থেকে দ্বীপটি বহুকাল জনহীন এবং শ্রীহীন হয়ে পড়েছিল। সপ্তদশ শতাব্দে বিদেশি বণিক এবং ইংরেজরা সাগরদ্বীপকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আবিষ্কার করেন। হবসন জবসন অভিধানে এই দ্বীপের উল্লেখ আছে। জেমস প্রাইস নামে এক ইংরেজের লেখায় দেখা যায়, সাগরদ্বীপের নাম গঙ্গাসাগর। ১৬৮৩ খ্রিস্টাব্দে হেজেস এখানে একটি হিন্দুমন্দির দেখতে পান। এখানকার রাজা নাকি বছরে দু’লাখ টাকা তীর্থকর আদায় করতেন। পরে লুইল্লিয়ার নামে আর এক সাহেব সাগরদ্বীপে দুই সাধুকে দেখেছিলেন। ১৭২৭ খ্রিস্টাব্দে আলেকজেণ্ডার হ্যামিলটনের বিবরণ থেকে জানা যায়, সাগরদ্বীপ হিন্দুদের কাছে খুবই পবিত্র তীর্থস্থান। প্রতি বছর শীতে বহু সাধু ও তীর্থযাত্রী এখানে স্নান করতেন এবং পুজো দিতেন।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Wed, 26 Jan 2011 11:00:37 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7098.html#p7098</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: যে বইয়ের বৃহৎ অংশই পোড়া_সুদীপ জোয়ারদার_BURNT BOOK]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7097.html#p7097</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>যে বইয়ের বৃহৎ অংশই পোড়া <br />সুদীপ জোয়ারদার</strong></p><p>প্রাচীন সাহিত্যে একটি বিখ্যাত গ্রন্থ—গুণাঢ্যের ‘বৃহৎ কথা’। প্রাকৃত ভাষায় লেখা এই গ্রন্থটিতে রয়েছে এক লক্ষ শ্লোক। শুনলেও অবাক লাগবে, আদতে গ্রন্থটি কিন্তু কবি লিখেছিলেন সাত লক্ষ শ্লোকে। ছ’লক্ষ শ্লোকের বিরাট অংশ কবি নিজেই পুড়িয়ে ফেলেছিলেন। </p><p>ঘটনাটির সূত্রপাত অন্য এক ঘটনায়। সংস্কৃত ভাষা শিক্ষায় ইচ্ছুক সাতবাহন রাজ সিমুক তাঁর রাজসভার দুই পণ্ডিত গুণাঢ্য ও শর্ববর্মাকে একদা শুধোলেন, কতদিনে তাঁরা তাঁকে সংস্কৃত শেখাতে পারবেন। গুণাঢ্য ভেবে বললেন, বারো বছর অধ্যয়ন না করলে সংস্কৃত সাহিত্যে বুৎপত্তি জন্মায় না, তবে তিনি এই কাজটি করতে পারবেন ছ’বছরে। শর্ববর্মা গুণাঢ্যের কথায় বাধা দিয়ে বললেন, মহারাজের মত লোকের পক্ষে ছ’বছর বিদ্যাভ্যাসে কষ্ট স্বীকার করা কঠিন, তিনি এই কাজটি ছ’মাসে করার ক্ষমতা রাখেন। শর্ববর্মার অদ্ভুত কথা শুনে গুণাঢ্য অবাক হয়ে গেলেন। ক্ষুব্ধ হয়ে বললেন, এই অসম্ভব শর্ববর্মা সম্ভব করতে পারলে তিনি সংস্কৃত ভাষাচর্চা করাই ছেড়ে দেবেন। শর্ববর্মার চোখে দম্ভের ঝিলিক। বললেন, এই কাজে ব্যর্থ হলে বারো বছর তিনি গুণাঢ্যের পাদুকা মাথায় বহন করবেন। </p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296038291.gif" alt="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296038291.gif" /></span></p><p>শর্ববর্মা কিন্তু সফল হলেন। লিখলেন ‘কলাপ ব্যাকরণ’ নামের একটি উৎকৃষ্ট গ্রন্থ। গ্রন্থটি পড়ে সাতবাহন রাজ নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই চলনসই সংস্কৃত শিখে গেলেন। এদিকে কথামতো, গুণাঢ্য সংস্কৃত ভাষাচর্চা ছেড়ে দিলেন। কিন্তু পণ্ডিত কবি বিদ্যাভ্যাস তো ছাড়তে পারলেন না। ছাড়লেনও না। সংস্কৃত থেকে চলে এলেন প্রাকৃত ভাষায়। অল্প সময়ের মধ্যে রচনা করলেন সাত লক্ষ শ্লোকে বিখ্যাত গ্রন্থ—‘বৃহৎ কথা’। রাজার কাছে গুণের কদর আগেই কমেছিল। ‘বৃহৎ কথা’ও সে কদর কিন্তু ফেরাতে পারল না। উপরন্তু রাজা ‘বৃহৎ কথা’র অনেক উপাখ্যানের দোষ-ত্রুটির উল্লেখ করলেন। গুণাঢ্যের মন একেবারে ভেঙে গেল। তিনি স্থির করলেন গ্রন্থটি পুড়িয়ে ফেলবেন। একদা রাজধানী প্রতিষ্ঠান নগরের অদূরে তিনি বসলেন এই দহন কর্মে। সে এক আশ্চর্য দৃশ্য। গুণাঢ্য ‘বৃহৎ কথা’র একটি করে পত্র পাঠ করেন আর নিক্ষেপ করেন প্রজ্বলিত আগুনে। এই গ্রন্থ দহনের খবর পৌঁছল সাতবাহন রাজের কাছে। ছুটে এলেন তিনি। কিন্তু এর মধ্যেই পোড়ান হয়ে গিয়েছে সাত লক্ষ শ্লোকের মধ্যে ছ লক্ষ শ্লোকের বিরাট অংশই। রাজার বাধায় বাঁচল এক লক্ষ শ্লোক। </p><p>‘বৃহৎ কথা’র বৃহৎ অংশ পুড়ে গেল তবু ‘বৃহৎ কথা’ নামেই কিন্তু বেঁচে রইল গ্রন্থটি। এখন অবশ্য প্রাকৃত ভাষায় লেখা ‘বৃহৎ কথা’ বইটি আর পাওয়া যায় না। সংস্কৃতে কেউ কেউ ‘বৃহৎ কথা’র সারাংশ লিখেছিলেন। ‘বৃহৎ কথা’ বেঁচে আছে সেগুলোর মধ্যেই।</p><p>সৌজন্যঃ আনন্দবাজার পত্রিকা, ২৯ মাঘ ১৪০৮ রবিবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০০২</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Wed, 26 Jan 2011 10:39:16 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7097.html#p7097</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: বই শুধু BOOK নয়_কিশোরী শাস্ত্রী_BOOK IS NOT BOOK]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7096.html#p7096</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>বই শুধু Book নয় <br />কিশোরী শাস্ত্রী</strong></p><p>কৃষ্ণের মতো অষ্টোত্তর শতনাম না হোক, নয় নয় করে বইয়ের কিন্তু ডজন খানেক নাম। এসেছে নানান দেশের নানান ভাষা থেকে। আমাদের কাছে ‘বই’ শব্দটি আপনতম। এর নাড়ী-নক্ষত্র ঘাঁটতে গেলে আরবি ভাষায় পৌঁছতে হয়। পণ্ডিতরা বলেন, ‘বই’ শব্দটির শেকড় আরবি ভাষার ‘ওয়হী’ শব্দে। ওয়হীর ছাঁটকাট ‘বহি’। আর তা থেকে বই। অর্থটি বেশ পবিত্র। ওয়হী মানে ঈশ্বর বা আল্লার বাণী বা দিব্যবাণী, বই হল তাই ‘দিব্যবাণীর বই’। </p><p>বইয়ের ভারতীয় নাম কম করে তিনটি। গ্রন্থ পুস্তক পুথি। গ্রন্থের গোড়ায় গ্রন্থন। কাগজের পাতাগুলি একত্র সাজিয়ে সুচ-সুতোয় গেঁথে ফেলার পোশাকি নাম গ্রন্থন। গ্রন্থি গ্রন্থনা শব্দগুলিও গ্রন্থ শব্দটিরই জাতভাই। সংযোজনা শব্দটির বিকল্প গ্রন্থনা শব্দটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বেশ পরিচিত। পুস্তক শব্দটি সংস্কৃত শব্দ ‘পুস্ত্‌’ থেকে এসেছে বলে পণ্ডিতদের অভিমত। শব্দটির অর্থ ‘বন্ধ’। অর্থাৎ বন্ধন। পাতার সঙ্গে পাতার বন্ধনই তো বইকে সম্ভব করে। পুথি শব্দটির সৃষ্টি সংস্কৃত শব্দ ‘পুস্তিকা’ থেকে। পুস্তিকা থেকে পুথিয়া এবং তা থেকে পুথি বা পুঁথি। ভারতে ভূর্জপত্র থেকে পুথি তৈরি হয়েছে প্রথম। তবে সে-কথা এখন নয়। </p><p>এখন বরং দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দেওয়া যাক। যাওয়া যাক ইংরেজদের দেশে। বুক শব্দটি আবালবৃদ্ধবনিতা বোধহয় সকলের জানা। কিন্তু এ কথা ক’জনের জানা যে Book শব্দটি আধুনিক? পুরনো আমলে Book ছিল Boc । ইংরেজরা এখন সভ্য হয়ে ওঠেনি। সেই অ্যাংলো-স্যাকশন যুগে BEECH (বিচ) নামে এক গাছ ছিল। তার ছাল-বাকল ছিল মসৃণ। লেখালিখির পক্ষে সুবিধাজনক। ফলে বিচ-বাকলের বই। তো এই বিচগাছের থেকেই নাম এসে থাকবে বিচ। উচ্চারণের বিকৃতির সূত্রে Boc বা বোক্‌। পরে পরে Book (বূক্‌ বিকল্পে বুক)। </p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1296037494.gif" alt="calcutta book fair" /></span></p><p>এই ইংরেজি শব্দটির কাছাকাছি আরও দুটি শব্দ পাওয়া যায়। জার্মান ভাষায় BUCH আর সুইডিস ভাষায় BOK. CH উচ্চারণে চ বা ক দুই-ই হতে পারে। অর্থাৎ BUCH পারে বুচ্‌ বা বুক্‌। তবে দেখা যায় যে তুলনামূলক ভাবে সুইডিশ শব্দ BOK ইংরেজি শব্দ BOOK-এর নিকটতম আত্মীয়। পুরনো ইংরেজি শব্দে যা ‘C’ , সুইডিশ শব্দে তা ‘K’ । তফাত এই যে ইংরেজি Book স্বরধ্বনি O আর এক-কটি আমদানি করেছে। Bok থেকে Book। </p><p>এ বার লাতিন ভাষা। এ-ভাষায় LIBER (লিবার) নামে একটি শব্দ আছে। শব্দটির অর্থ ‘বই’। প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয় এই LIVRE শব্দটি থেকেই LIBRARY (লাইব্রেরি) বা বইঘর, পুথিঘর, পুস্তকাগার, গ্রন্থশালা ইত্যাদি। আবার ফরাসি ভাষায় LIBER হলো LIVRE, আর স্প্যানিস ভাষায় LIBRO । আসলে শব্দ দুটি বইয়েরই সমার্থক। </p><p>তবে এ-কথা ঠিক যে LIBER, LIVRE এবং LIBRO শব্দগুলির উচ্চারণ BOOK শব্দের কাছাকাছি নয় আদৌ। যেমন নয় BOOKVA শব্দটি। এটি রুশ শব্দ। শব্দটির শরীরে BOOK শব্দের আদল ধরা পড়লেও অর্থে কিন্তু ফারাক আছে। BOOKVA মানে বই নয়— পত্র। ঠিক, রুশ শব্দটি কিছু বিদঘুটে। KNIGA। রুশ শব্দের মতন চিনা ভাষায় বইও বেখাপ্পা। বইয়ের চিনা শব্দ SHU (শু)। <br />পরিশেষে ইউরোপ ঘুরতে ঘুরতে গ্রিসে পাড়ি দেওয়া যাক, এ-মুল্লুকে BOOK-এর নাম BIBLION। না, শব্দটিতে LION লুকিয়ে নেই— বরং আছে প্যাপিরাস গাছের ছাল। তার মানে ‘বাকলবই’। গ্রিক ভাষার বিবলোজ শব্দটি বেশ শক্তপোক্ত। এর থেকেই তৈরি হয়েছে বাইবেল, বিবলিওগ্রাফি, বিবলিও ফাইল শব্দগুলি। গাছের ছালের মহিমা অনেক! লাতিন ভাষায় ফোলিয়েজ (FOLIAGE) নামে একটি শব্দ আছে। অর্থ, গাছের ছাল। এই ফোলিয়েজ থেকেই এসেছে ফোলিও (FOLIO) শব্দ। শব্দটির অর্থ হুবহু এক নয় অবশ্য। এর মানে ভাঁজ-করা পাতা। আর কে না জানে যে বই ভাঁজ করা পাতাই আদতে। অনেকগুলি পাতা যখন বই বানায় তখন তার নাম FOLIO VOLUME অর্থাৎ মোটা বই।</p><p>সৌজন্যঃ আনন্দবাজার পত্রিকা, ২২ মাঘ ১৪০৮ রবিবার ৩ ফেব্রুয়ারি ২০০২</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Wed, 26 Jan 2011 10:26:31 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7096.html#p7096</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: লালাবাবু (কৃষ্ণচন্দ্র সিংহ)_প্রণবেশ চক্রবর্তী_LALABABU]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7047.html#p7047</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>লালাবাবু<br />প্রণবেশ চক্রবর্তী</strong></p><p>শুধু একটি কথা। তা-ও কোনও মহাপুরুষের কণ্ঠে উচ্চারিত হয়নি। উচ্চারিত হয়েছিল এক অতি সামান্য ধীবর কন্যার কণ্ঠে। আর তাতেই সেকালের পূর্ব ভারতে বিত্ত ও মর্যাদায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী লালাবাবুর জীবনে ঘটে গেল আমূল রূপান্তর।</p><p>ঠাকুরদা গঙ্গাগোবিন্দ সিংহ ছিলেন বাংলার গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসের প্রবল প্রতাপাম্বিত দেওয়ান। তিনিই আদরের নাতিকে ‘লালা’ বলে ডাকতেন। নাম কৃষ্ণচন্দ্র সিংহ। কিন্তু সেই কৃষ্ণচন্দ্র নাম ঢাকা পড়ে গেছে আদরের ‘লালা’ নামে। সকলের কাছে তিনি হয়ে উঠলেন ‘লালাবাবু।’ মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি’র সিংহ পরিবারের গৌরব তিনি।</p><p>সেই ঐশ্বর্যবান মানুষটি একদিন সামান্য এক কথায় ঘর সংসার বিত্ত-বৈভব, স্ত্রী-পুত্র সব কিছু ছেড়ে দীন কাঙালের বেশে পথে নেমে গেলেন। কথায় বলে বাস্তব ঘটনা কখনও কখনও কল্পনার চাইতেও চমকপ্রদ হয়। হয় যে, সেটাতো লালাবাবুর জীবনেই প্রমাণিত।</p><p>ঊনিশ শতকের প্রথম পাদে লালাবাবু স্বীয় কর্মদক্ষতায় ওড়িশা প্রদেশের সর্বোচ্চ দেওয়ানের পদ লাভ করেন। সেই সময় পুরী জগন্নাথ মন্দিরের কর্তৃপক্ষ অবহেলা করে দীর্ঘদিন বার্ষিক কর সরকারের কাছে জমা দেননি। পরিস্থিতি এমনই হয়ে উঠল যে, কর না দেওয়ার অভিযোগে মন্দির নিলামে ওঠার জোগাড় হল। খবরটা গেল লালাবাবুর কানে। পরম ধর্মপ্রাণ লালাবাবু এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করলেন এবং তিনিই ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগী হয়ে নিলাম বন্ধ করলেন। পুরীর রাজাকে বললেন, আর দেরি করবেন না, এবার তাড়াতাড়ি বকেয়া কর শোধ করে দিন। সুযোগ পেয়ে পুরীর রাজাও যথেষ্ট তৎপরতার সঙ্গে কর শোধ করে দিলেন।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Sat, 22 Jan 2011 13:20:56 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7047.html#p7047</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: যোগী শ্যামাচরণ_প্রণবেশ চক্রবর্তী_JOGI SHYAMACHARAN]]></title>
			<link>http://forum.banglalibrary.org/post7041.html#p7041</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>যোগী শ্যামাচরণ<br />প্রণবেশ চক্রবর্তী</strong></p><p>ব্রিটিশ আমলের সামরিক পূর্ত বিভাগে চাকরি করতেন শ্যামাচরণ লাহিড়ি। তাঁর কর্মক্ষেত্র ছিল রাণীক্ষেত। হঠাৎই একদিন তাঁকে রানীক্ষেত থেকে বদলি করা হল দানাপুরে। দানাপুরে এসে তিনি অফিসের কাজে যোগ দিলেন বটে, কিন্তু কাজে মন দিতে পারলেন না। দ্রোণগিরিতে থাকার সময় যোগ-সিদ্ধ গুরুর কৃপায় তিনি যে যোগসাধন শুরু করেছিলেন—সোই তখন তাঁর জীবনে একমাত্র ধ্যান-জ্ঞান। তাঁর সামনে আধ্যাত্মজীবনের শতদল যেন ধীরে ধীরে উন্মোচিত হতে থাকে।</p><p><span class="postimg"><img src="http://forum.banglalibrary.org/extensions/image_upload/images/1295700271.gif" alt="shyamacharan" /></span></p><p>তাঁর দানাপুর অফিসের উপরওয়ালা ছিলেন একজন ইংরেজ সাহেব। এই সাহেবও জানতেন, শ্যামাচরণ লাহিড়ি একজন প্রচ্ছন্ন সাধক, তিনি আদর করে উদাসীন-প্রকৃতির শ্যামাচরণকে ‘পাগলাবাবু’ বলেই ডাকতেন। আবার এই উপরওয়ালা সাহেবের জন্যই একদিন শ্যামাচরণের প্রচ্ছন্ন যোগবিভূতি গোপনীয়তার আবরণ ভেদ করে প্রকাশ্যে এসে পড়ে। সেই ঘটনাটাই এখন বলছি।</p><p>হঠাৎই একদিন লাহিড়ি মশাই অফিসে এসে দেখলেন, সদা হাস্যময় ইংরেজ সাহেবের মুখ ভার—কেমন যেন উদ্বেগের কালো ছায়া তাঁর মুখমণ্ডলে ছড়িয়ে আছে। এরকম তো কখনও হয় না। কিন্তু সাহেবকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করারও কোনও সুযোগ নেই। তাই, এমন একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার নজরে পড়লেও তিনি এ বিষয়ে প্রথমদিন চুপচাপই রয়ে গেলেন।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (mamonjafran)]]></author>
			<pubDate>Sat, 22 Jan 2011 12:47:28 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.banglalibrary.org/post7041.html#p7041</guid>
		</item>
	</channel>
</rss>

