Topic: ZODIAC CHARACTERISTICS OF WOMEN MEENA_PISCE_মীন রাশির নারীর বৈশিষ্ট্য

বিভিন্ন রাশির নারী বৈশিষ্ট্য
মীন (১৯  ফেব্রু - ২০  মার্চ) :  নারী

লাইনটা ডান দিকে। বেশি ভিড় জমাবেন না। এমনতো হওয়ার নয় যে, প্রতিটি পুরুষই তার জীবনসঙ্গী হিসেবে একজন মীন নারীকে পাবে। কিন্তু তা-ই বলে লাইন ভেঙে সামনে চলে যাবেনন্ধ সেটা তো ঠিক নয়। আপনার সুযোগ এলে তবেই তার মুখোমুখি হবেন। আশা করুন সব যেন ভালো হয়।

রাশিচক্র না পড়তেই মীন নারীর যাদুকরী ব্যক্তিত্বের যথেষ্ট শোরগোল পড়ে গেছে। তারও কিছু দোষত্রুটি রয়েছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত থাকতে পারেন। কিন্তু প্রথম দর্শনে কলেজে বা ভার্সিটিতে সব ছেলেরাই তাকে নিজেদের ভ্যালেন্টাইন হিসেবে দেখতে চায়।

প্রয়োজনে নিজেদেরকে একটু প্লে-বয় ইমেজে নিয়ে যেতেও তাদের দেরি হয় না। আমাদের অবশ্য এটাও মেনে নেয়া উচিত যে, আধুনিক স্বাধীনচেতা নারীদের লৌহকঠিন ইমেজটাও মীন নারীদের চাহিদাকে আকাশচুম্বি করে তুলেছে। নারীসুলভ সেই রহস্যময়তা ফেলে এই ধরনের স্বাধীনচেতা আচরণ যখন প্রেমিকদের মনে ঘন-কুয়াশার স্তর জমিয়ে দিচ্ছে তখন বিনয়ী, সুন্দরী, অসহায় নেপচুন সৃষ্টিগুলোর আর কি-ই বা করার আছেন্ধ সরু লাঠি দিয়ে প্রেমিকের দলবদ্ধ সারিতে পেটাতে শুরু করা ছাড়া ?

এটা মোটেও বিষ্ময়কর নয় যে, নেপচুন-শাসিত নারীরা পুরুষদের কাছে এতো গুরুত্বপূর্ণ। মীন নারী তার প্রেমিক কিংবা স্বামীকে ছাড়িয়ে ব্যক্তিগত জীবনে বৃত্তিগত উন্নতির চেষ্টা করে না বললেই চলে। তার পুরুষটির উপর প্রভুত্ব খাটানোর বিন্দুমাত্র আগ্রহ কিংবা গোপন ইচ্ছা তার মধ্যে নেই। পুরুষটির জন্যে সে চেয়ার ঠেলে দিতে পারবে। ওভার কোট তার গায়ে পড়িয়ে দিতে পারবে। ট্যাক্সি ডাকতে পারবে। এমনকি সিগারেটটাও ধরিয়ে দিতে পারবে। যতক্ষণ খুশি প্রাণখুলে আপনার গুণকীর্তনও করতে পারবে। মীনটির একটাই প্রত্যাশান্ধ আপনি তাকে নিরাপত্তা দেবেন এবং তার যত্ন নেবেন। সেও সুখিচিত্তে আপনার ঘাড়ে মাথা রেখে বড় বড় চোখে বিষ্ময় নিয়ে আপনাকে প্রকাশ করবে যে, আপনি কতো শক্ত-সমর্থ এবং এই ভয়ংঙ্কর পৃথিবীতে আপনাকে তার কতো প্রয়োজন। একবার চিন্তা করে দেখুন কতো-শতো নেকড়ে নিরীহ মেয়েটির জন্যে লোভাতুরভাবে অপেক্ষা করে আছে। শুধু যেটা প্রয়োজন সেটা হলো তার ভীতিকর স্নায়বিক অসাড়তা থেকে তাকে মুক্ত করা। সে যদি পুরোপুরি সেই ভিক্টোরিয়ান যুগের নারীদের মতো নাও হয় (যদিও তাদের অধিকাংশই সে যুগের নারীদের মতোই) তারপরও সে আপনার বিমুগ্ধ শ্রোতা হয়ে আপনার যাবতীয় সমস্যাগুলোর কথা শুনবে। যাকে বলা হয় দুঃসময়ের বন্ধু। ঠিক তেমনি এক বন্ধু হয়ে প্রতিটি সমস্যার মুহূর্তে আপনার পাশে থাকবে।

মীন নারীরা ভাবে যে তার প্রেমিক, বন্ধু, ভাই, বাবা বা যেকোন পুরুষ মানুষই একটা হাত বাধা থাকলেও অনেক সমস্যাই সমাধান করতে পারে। যেটা একজন নারী পারে না। একজন পুরুষের পক্ষে এই একই বিশ্বাসে বিশ্বাসী হওয়া মোটেও দুরূহ নয়। শুধু যদি তার স্পর্শকাতর আস্থাটুকু সে পায়। পুরুষরা তো পুরুষই। এখনও আপনি ভাবছেন কেন এই মেয়েগুলো পুরুষদের কাছে এতো প্রিয় ? সে তার গৌরবউজ্জ্বল পুরুষটির একটি লাজুক, শান্ত এবং স্বর্গীয় প্রশান্তিময় একজন সঙ্গিনী। সারাক্ষণ বকবক করা ঝগড়াটে আর রাগচটা অন্যান্য নারীদের মতো সে নয়। তার এ্যাকোয়ারিয়ামের আলোটা মোলায়েম এবং স্নিগ্ধ।

নিয়নের আলো আর স্টক মার্কেটের সেই ছোট বড় অংকগুলো দেখে ক্লান্ত চোখকে শান্ত করে দেয় এই পরিবেশ। সে অবশ্য ভাবে না যে ওই অংকগুলো তার জীবনে নিরাপত্তার জাল বুনতে পারে (কিংবা যদি বা সে ভাবতোই যে সেখানে তার নিরাপত্তা লুকিয়ে আছে তাহলে সে হয়তো নিজের পেন্সিলটাকে ধার দিতে শুরু করতো।)

শীতকালে সে উলের তৈরি গরম পোশাক পরবে। হাতে গ্লাভস পরবে। বসন্তে কাটছাট সুন্দর ফুল-স্কার্ট পড়বে। গ্রীস্মে তাকে বিকিনি পরতে দেখবেন। হেমন্তে তাকে আপনার পাশে আদুরে ভঙ্গিতে বসে ফুটবল খেলা দেখতে দেখবেন।

হয়তো তার হাত আপনার পকেটে ঢোকানো থাকবে যেন সেগুলো উষ্ণ থাকে। আপনাকে সে খেলার স্কোর জিজ্ঞেস করবে। প্রতিটি ঋতুতেই সে নারীসুলভ। একটা বিতর্কিত কথার ঝুঁকি নিয়েই উল্লেখ করছি, পুরুষগুলো তার পেছনে এমনভাবে লেগে থাকে যেন সে মধুর উৎস এবং তারা এক একটা মৌমাছি।

Thumbs up

Re: ZODIAC CHARACTERISTICS OF WOMEN MEENA_PISCE_মীন রাশির নারীর বৈশিষ্ট্য

তার সঙ্গে ক্ষণিকের আলাপচারিতাতেই পুরুষরা প্রশান্তি অনুভব করে। পুরুষটির চোখে ভেসে ওঠে কোন এক শীতের রাতের দৃশ্য। জ্বলজ্বলে আগুনের পাশে বসে উষ্ণতা নিচ্ছে। কিংবা কোন এক বসন্তের মাতাল দিনে গাছে ঝোলানো বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আয়েশ করছে। কিন্তু কেউ তাকে বিরক্ত করছে না। মেয়েটি তাকে পরিষ্কার বুঝিয়ে দেবে যে তার পেশায় কোন সমস্যা বা এ ধরনের কোন কারণে কখনই তাকে দোষারোপ করবে না। এটা সবসময়ই অন্য কারোর দোষ। তার পুরুষটির দোষ নয়। মীনরা কখনই তাদের পুরুষদের দ্রুত উন্নতির ব্যাপারে জোরাজুরি করে না। পুরুষটির নিজের গতিই এই মেয়ের জন্যে যথাযথ। তারপরও অন্যান্য রাশির নারীদের থেকেও এই মেয়েরা ভয়ংঙ্কর হয়ে ওঠে কি করে সেটা কি আমি ভেঙে বলবো ? ফ্লাশ! সামুদ্রিক বিপদসংকেত : বিয়ের পর সে একটু আট্টু অভিযোগ অভিমান করবে। বস্তুত, সে অনেক বেশিই এটা করবে। অবশ্য এটা আপনার কাছে কিছু মনে হবে না। কারণ আপনি তার যাদুতে বশ হয়ে আছেন। অনেক অনেক সময় সে প্রখরভাবে শ্লেষাত্মক হয়ে উঠবে। কিন্তু প্রতিটি নারীরই কিছু না কিছু দোষ থাকে। আর মীন নারীরা ঝগড়াটে মেজাজে থাকার চেয়ে অধিকাংশ সময়ই ভদ্র মেজাজে থাকে। একজন চরম নিষ্ঠুর কিংবা অলস স্বামীকে সে সারাক্ষণ খোঁচাতে থাকবে। তাকে শুদ্ধ হতে বলবে। আর তাছাড়া কে আছে যে তার নিষ্ঠুর এবং অলস স্বামীটির এই পরিণতি চায় না ? আমি অন্তত নেই। আমিও তার দলে।

মীনের চমৎকার মেয়েলিত্ব তার ছোট ছোট ক্ষুদ্রতাগুলোকে ঢেকে রাখে। তাছাড়া অধিকাংশ সময়ই নেপচুন-শাসিত মেয়েরা নম্র-ভদ্র, স্বপ্নালু আর নারীসুলভ আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। যেহেতু মীনরা একসঙ্গে দু’টো দিকেই সাতরাতে জানে তাই অন্যান্য মেয়েরা যেসব জটিল পরিস্থিতিতে ঘাবড়ে যাওয়ার উপক্রম করে সেখানে তারা শান্তভাবে পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হয়। অবশ্য সাধারণভাবে শান্ত স্বভাবের এই মেয়েটির মুখ থেকেও মাঝে-মধ্যে বিদ্রুপাত্মক কিছু শব্দ বিরক্তিসূচক হয়ে বেরিয়ে আসবে বই কি। যেসব মীন মেয়েরা তাদের শৈশবে রুক্ষ আচরণের শিকার হয়েছে তারা হয়তো নিজেদের রাশির সূচক মাছ দু’টোকে ছিন্ন করে দেবে।

এরকম ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক। কেননা সেক্ষেত্রে মেয়েটি একাকী, দুঃখভারাক্রান্ত হয়ে উঠবে। সমস্ত সময়টা সে উদভ্রান্তের মতো সাতরে বেড়াবে। প্রতিনিয়ত নিজের থেকে পালানোর জন্যে গহীন থেকে গহীনে ডুব দেবে আর প্রতিবারই নিজের সঙ্গেই তার দেখা হবে। তবু বুঝতে পারবে না যে আত্ম-ভালোবাসায় আর আত্ম-করুণায় সে যতই নিজেকে নিমজ্জিত করবে ততই সেটা তার জন্যে বিষময় হয়ে উঠবে। ড্রাগস, পানীয় এবং মিথ্যে ঘোর তাকে প্রকৃত সত্য থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। আর মাঝ নদীর পাথরের টুকরোগুলো তাকে অন্ধ করে রাখে।

পরবর্তীতে এটাই তার চরম অবনতির কারণ হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু নেপচুনসুলভ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী একজন জাতিকা সাধারণত মীনের সূচক মাছ দু’টিকে অর্থবহ করে তোলে। নিজেও তাদের মতোই নিজের গতিকে মোহনীয় করে তোলে। প্রথমে সুন্দর ও কমনীয় ভাবে খানিকটা সে পিছিয়ে যাবে। পরক্ষণেই আবার খানিকটা এগিয়ে যাবে। সুতরাং আপনার বোঝার কোন উপায় নেইন্ধ আসলে সে কোনদিকে যাচ্ছে। মীনের সম্বন্ধে বলা চলে যে, তারা একটা রহস্যাবৃত গভীর সমুদ্রন্ধ যেখানে সব নদীগুলো গিয়ে মিশে। তাকে অর্জন করার সম্ভাবনা আপনার বেশি হবে যদি আপনি তার কিছু গোপন এবং লুকিয়ে রাখা ব্যাপারগুলো জানতে পারেন। কেন সে সাতরাতে থাকে ? প্রথমত সে জটিল প্রকৃতির। নিকি হিলটন, মাইকেল ওয়াইলডিং, এডি ফিশার এবং রিচার্ড বার্টন কে প্রশ্ন করে জানুন। কেননা তাদের প্রত্যেকেরই মীন নারীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। বস্তুত একজন মীন নারীর সঙ্গেই তাদের সবার বিয়ে হয়েছে। এই মীন নারীটি শুধু যে জটিল তা-ই নয় বরং কিছুটা প্ররোচণাকারীও বটে। বিশেষত যখন সে আপনাকে তার গলায় জরিয়ে ধরবে তখন।

আপনি হয়তো বলবেন যে, আপনি এমন একজন মীন নারীকে চেনেন যে রান্না করার সময় এ্যাপ্রোন পরে, মুখে লাজুক হাসি জড়িয়ে রাখে। আবার ত্যাগী স্ত্রী হিসেবে, সুগৃহিনী হিসেবে এবং একজন কোমলমতি মা হিসেবেও সে অতুলনীয়। আপনার মতে সে জটিলও নয় এবং প্ররোচণামূলকও নয়। আমার খোলামেলা বক্তব্য ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে আশা করছিন্ধ আপনার ধারণা ভুল। আপনি যে মীন নারীর ব্যাপারে দাবি করছেন সে আলাদা ধরনের। আমিও তাকে চিনি, কিংবা অবিকল তার মতোই একজনকে চিনি।

Thumbs up

Re: ZODIAC CHARACTERISTICS OF WOMEN MEENA_PISCE_মীন রাশির নারীর বৈশিষ্ট্য

এই মীন নারীটি বিধবা। গুলশানে থাকে। তার নাম পলিন। সে এপ্রোন পরে। মুখেও লাজুক হাসি লেগে থাকে। আর অন্যান্য ব্যাপারগুলোও একই রকম। এরকম একটা নিরীহ ইমেজের নারী কী করে জটিল কিংবা প্ররোচণাকারী হবে ? আমি আপনাকে সে উত্তর দেবো। প্রথমত, সে সবাইকে তার এ্যাপ্রোনের মায়াজালে জড়িয়ে রাখে। (তার অবশ্য এমার‌্যাল্ড পাথরের কানের দুল নেই। সম্ভবত আগামী বছর সেটা তার কানে দেখতে পাবেন।) সে এমন একজন নারী যাকে তার আদরের সন্তান হারানোর ব্যথা সহ্য করতে হয়েছে। সহ্য করতে হয়েছে একঘেয়েমি, মনভাঙা, বিরহ, ভয়, দারিদ্র এবং হঠাৎ করে ক্ষণস্থায়ীভাবে সম্পদের অধিকারী হয়ে ওঠার বিষ্ময়টাও। বাচ্চাদের হাঁটুতে আঘাত লাগলে, কাপড় কিংবা উঁচু বুট জুতো হারিয়ে গেলে এসব তাকেই দেখতে হয়েছে।

প্রতি রবিবারে তার পরিষ্কার ঝকঝকে রান্নাঘরে স্বামীর জন্যে বিশেষ রান্না রাঁধতে হয়েছে। শ্বশুর সম্বন্ধীয় আত্মীয়স্বজনদের সবচে’ বিচিত্র গোষ্ঠিটাকেও মোকাবেলা করতে হয়েছে। বিশেষত যখন তারা আটটি অঞ্চলের ভিন্ন ভাষায় কথা বলে থাকে। ভাগ্যের এই দুর্ভোগগুলো সে অতি সহজেই পরাস্ত করেছে। এসব কি কোমলতার লক্ষণ ? এগুলোই কি তার কমনীয়তার পরিচায়ক ? তার সম্বন্ধে তার দুই ছেলের বক্তব্য হলোথন্ধ অত্যন্ত চমৎকার, মেয়েলি স্বভাবের, নিরীহ, হাসি-খুশি, ছোট খাট একটি মানুষ। যাকে সবসময় নিরাপত্তা দিয়ে ঘিরে রাখতে হয়। সে এটাও বোঝে না যে সামনের দরজার তালাটা কি করে কাজ করে।

সে উৎফুল্লভাবে দুর্বোধ্য এবং স্বপ্নালু। অর্থনীতি সম্বন্ধে কিছুই সে জানে না। কিন্তু সে এমন সব পোশাক পরতে পছন্দ করে যে আপনার মনে হবে মায়াসিরের ফ্যাশন ডিজাইনাররাই তার নাতি-পুতি। প্রায়ই সাত রকমের রান্না করে তার বিভিন্ন বয়সের সত্যিকার নাতি-পুতিদের জন্যে। বিভিন্ন ভাড়াগুলোও সময় মতো পরিশোধ করেন। ছুটির দিনে কিংবা জন্মদিনে তিনি ভালো ভালো উপহারও কিনতে সক্ষম হন। তাও আবার কম দামি রেস্টুরেন্টের বেয়ারার একবেলার বখশিশের সমতুল্য টাকা দিয়েই এতো সব করেন। তাকে সম্মান করে এবং ভালোবাসে এরকম মানুষের একটি উদ্ভট দলও রয়েছে। এর মধ্যে তার দুই ছেলের স্ত্রী, লাইব্রেরিয়ান, সুপারইনটেন্ড, বাগানের মালিক, ফল বিক্রেতা, অন্তত ছয়টা বাস্তুহীন বেড়াল এবং কিছু দুষ্টু প্রকৃতির বাচ্চা ছেলে, কসাই, হকার। বিশ্বাস করবেন কি-নান্ধ তার বাড়িওয়ালাও। তার হয়তো একজন শত্রু আছে। স্বামীকে বিয়ে করার আগে যে পুরুষটিকে সে প্রত্যাখ্যান করেছিল সেই ব্যক্তিটি। সে বেচারা হয়তো শোকে হতাশায় বিদেশী কোন সংস্থায় যোগ দিয়েছিল। আর আমার সন্দেহ এই মীন নারীটি তার নামটিও মনে রেখেছে কি-না। মীন নারীরা হৃদয়হীন। তারা জটিল এবং প্ররোচণাকারী। (কিন্তু তার প্রতিবেশীদের এ কথা বলতে যাবেন না।)

মার্চের বাতাসের মতোই মীন মেয়েগুলোর মেজাজ একেক সময় হয়ে উঠবে একেক রকম। সে অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ। যখন তার অনুভূতিতে আঘাত লাগবে তখন তার চোখের জল ধরতে বালতির প্রয়োজন হতে পারে। সে আপনার দিকে এমন ঘৃণাময় দৃষ্টিতে তাকাবে যেন আপনি একটা ছোট খরগোশকে এইমাত্র গুলি করে মেরে ফেলেছেন। মীন নারীরা নিজেদের সম্বন্ধে প্রায়ই এই ধারণা করে যে এই সংগ্রামমুখর সমাজে টিকে থাকার কিংবা বেঁচে থাকার জন্যে যে কৌশল বা উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রয়োজন, হতাশাব্যঞ্জকভাবে তার কোনটিই তাদের মধ্যে নেই। ফলে গভীর হতাশা তাদের মনে বাসা বাধে। এরকম মুহূর্তগুলোতে তাকে আপনার সাহস যোগানো উচিত। তার রহস্যাবৃত, গভীর জ্ঞানের প্রশংসা করুন। তাকে বলুন যে যতো মানুষের সঙ্গেই সে মিশেছে তাদের প্রত্যেকেরই অনুভূতির প্রতি তার অনুকম্পার কোন তুলনা নেই। বস্তুত, এ কথা ঐশী বাণীর মতোই সত্য। কঠিনতম যে শিক্ষাটা তাকে নিতে হবে সেটা হলো নিজের লাজুকতা এবং নিজের দ্বন্দ্বগুলোর উর্ধ্বে উঠে আসা। তার মধ্যে ভীতিগুলো চেপে বসে গেলে সে সবার থেকে আলাদা হয়ে যাবে। তখন আর ভেবে কী হবে যে সে কেন একা থাকে ? অনেক সময়ই তার মধ্যে এই ভয় কাজ করে যে কাউকে বেশি চাপাচাপি করা কিংবা অনুরোধ করা বা কোন সুযোগের সদ্বব্যবহার করা অনুচিত। কিন্তু এমন যে অন্য কেউ ভাবছে না, এ কেবল তার নিজেরই চিন্তা সেটা তাকে কে বোঝাবে!

মীন মেয়েরা নিজেদের ধূর্ততা দিয়ে এবং বিদগ্ধতার আবরণ দিয়ে, কিংবা নিজেকে আত্মনির্ভরশীলতার আচ্ছাদনে জড়িয়ে তাদের লাজুকতা এবং দুর্বলতা ঢেকে রাখতে চায়। কিন্তু এটা কেবলই আত্মরক্ষার জন্যে একটা আবরণের আশ্রয় নেয়া মাত্র। নিজের কোমল হৃদয়টা প্রকাশিত করতে তার ভয়। পাছে কেউ সেটা ভেঙে দেয়। আমি একজন মীন নারীকে চিনি যে সুন্দর সুন্দর গান লিখে নিজের মনের কষ্ট আর লুকানো কোমল স্বপ্নটাকে ইঙ্গিতে তুলে ধরে। যখন সে গান লেখে না তখন তার ইমেজটা সে করে রাখে অনেকটা এমন যে সে একজন শক্ত মনের, খাপছাড়াগোছের ক্যারিয়ার-প্রেমি নারী।

Thumbs up

Re: ZODIAC CHARACTERISTICS OF WOMEN MEENA_PISCE_মীন রাশির নারীর বৈশিষ্ট্য

কিন্তু এ ধরনের মীন নারীরাও নিজ রাশি-বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে পেরে ওঠে না। আত্মনির্ভরশীলতার প্রতি জোর করে বিশ্বাস এনেও ট্যাক্সি ডাকার সময় পুরুষটির সাহায্য ঠিকই তার লাগবে। কিছু কিছু ব্যাপার আছে যেগুলো কেউ কেউ পালন করতে পারে না। যেমন নেপচুন-শাসিত নারীরা যেমন জনসমক্ষ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীসুলভ আচরণটি কিছুতেই করতে পারে না। যেসব পুরুষ তাদের অন্তর্গত ভয়-ভীতি থেকে তাদের মুক্ত করতে পারে এবং তাদের প্রায়শ উচ্চারিত একটি বাক্য, ‘কোন গর্দভ মেয়েদের আবার স্বামী লাগে ? স্বামীরা বরং জীবন অতিষ্ট করে তোলে।’ এমন মনোভাব ভুল বলে প্রমাণিত করতে পারলে সে বরং প্ররোচিত হয়। একবার ভেবে দেখুন যে মেয়েটির নিজেকে অন্যের কাছে সপে দেয়াটা তার খাওয়া দাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং ঘুমানোর থেকেও জরুরিন্ধ সে কি না এই কথা বলছে।

আপনার জন্যে তুলে রাখা হৃদয়ের একটি বড় অংশ ছাড়া বাদবাকি পুরোটাই মীন নারী তার সন্তানদের জন্যে দিয়ে দেবে। সে তার প্রতিটি সন্তানকেই ভালোবাসবে। কিন্তু যে সন্তানটি অন্যদের থেকে দেখতে মন্দ, দুর্বল, খাটো বা রোগান্ধ সে সন্তানটির প্রতি তার একটু বেশি টান লক্ষ্য করা যাবে। টোলপড়া সুন্দর চেহারার বাচ্চাটিকে ফেলে বরং একটা ভীত সন্ত্রস্ত পঙ্গু শিশুকে কেউ যদি দত্তক নেয় তো সে একমাত্র মীন অভিনেত্রী। ছোট ছেলেদের লজ্জাবোধ মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকালের কষ্টগুলো মীন নারীদের মতো আবেগময়ভাবে আর কারোর বোঝার সাধ্যি নেই। প্রতিটি সন্তানের জন্যেই মীন মায়ের রয়েছে সুন্দর আর মোলায়েম যতো স্বপ্নের সম্ভার। সে নিজে শিশু হিসেবে যা কিছু থেকে বঞ্চিত হয়েছে সেসব যেন তার সন্তানরা পায় সে জন্যে এমন কোন ত্যাগ নেই যা সে করতে পারবে না। সে অতিমাত্রায় সম্মতিজ্ঞাপক হয়ে উঠতে পারে। তার পক্ষে শাসন করা বা নিয়ম মানতে বাধ্য করা খুবই দুরূহ কাজ। তবে তাকে এটা বুঝতে হবে যে কোন ব্যাপারে দৃঢ়তার অভাব আর সে ব্যাপারে চরম খামখেয়ালির থেকে কোন অংশে কম নয়। তার যত্নে লালিত শিশুগুলোর চরিত্র গঠনের ক্ষেত্রে এই শাসনহীনতা বরং খামখেয়ালিরই নামান্তর। কেননা আত্মনির্ভরশীল হয়ে বেড়ে ওঠার জন্যে শিশুদের প্রয়োজন কড়া শাসন এবং কঠোর দিক নির্দেশনা। যদি অতিরিক্ত আহ্লাদের দায়ে সে দোষী হয়ে থাকে তাহলে সেটা তাকে নম্রভাবে বুঝিয়ে বলুন। কোন ক্লেশ ছাড়াই সেটা সে বুঝতে পারবে। আপনার পরামর্শ অনুযায়ী শাসন করতে মনোযোগী হয়ে উঠবে। অনেক নেপচুন-শাসিত মা সুখিচিত্তে দয়া এবং শাসনের মাঝামাঝি একটি পথ অনুসরণ করতে সক্ষম হয়। তার সন্তানেরাও সুসন্তান হয়ে বেড়ে ওঠে।

মীন নারী উৎফুল্লচিত্তে আপনাকেই সংসারের অধিকর্তা হিসেবে মেনে নেবে। যদি তার সাহায্য আপনার একান্তই প্রয়োজন না হয় তবে মীন নারী সম্ভবত প্রতিযোগিতার এই নিষ্ঠুর বাণিজ্যিক বিশ্বে প্রবেশ করতে চাইবে না। ওই বড় সন্দেহজনক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময় তার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা হয়েছে (যদি সে নেপচুন-শাসিত সাধারণ জাতিকা হয়ে থাকে)। তখন থেকেই সে আপনার অপেক্ষায় ছিল যে আপনি তাকে এই জমযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবেন। কিছু সংখ্যক সবাই নয় তবে কিছু সংখ্যক মীন নারী খরুচে স্বভাবের।

তার কেনাকাটার বিলের ছেড়া কাগজটার সংস্কৃত ভাষায় লেখা হিসেবের সঙ্গে ব্যাংকের টাকার হিসাব কেন মেলে না সেটা তাকে আপনার বুঝিয়ে দিতে হতে পারে। কিন্তু জরুরি অবস্থায় যখন শ্যাম্পেনটা একটু কষ্টসাধ্য হয়ে উঠবে আর পরিবর্তে স্কিম মিল্ক পান করে তৃষ্ণা মেটাতে হবে তখন পরিস্থিতির সঙ্গে সে খাপ খাইয়ে নেবে।

সমুদ্রের প্রতি তার কান পেতে রাখা। আর সেটা তার কানে কানে কথা বলে। শহরের কোলাহলের মাঝেও তার কানে ভেসে আসে নেপচুনের যতো ফিসফিস শব্দ। সে যতটুকু শুনতে চায় তার থেকেও বেশি তাকে শুনতে হয়। তার জন্মদিন আপনাদের বিবাহবার্ষিকী কিংবা যেদিন তাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন সে দিনের তারিখটা ভুলবেন না। সে নিজেও ভুলবে না। আমি কখনই আমার সেই মীন বান্ধবীটির কথা ভুলবো না যার সঙ্গে আমি ভিকারুন্নিসায় একসঙ্গে পড়তাম। মেয়েটা ছিল চিকন-চাকন, চুলগুলো ছিল কালো আর লম্বা। তার চোখগুলো ছিল অদ্ভুত সবুজ আর ধুসর রঙের মিশ্রন। সে একজন ফুটবল তারকাকে বিয়ে করেছিল (আর যার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাদের কথা উল্লেখ করছি না)। বাবা-মাকে না জানিয়ে এই মেয়ে পালিয়ে বিয়ে করবে সেটা ছিল একদম অপ্রত্যাশিত। মেয়েটি যখন ওই ফুটবল তারকাটিকে প্রশ্ন করেছিল কেন সে তাকে বিয়ে করতে চায় ? তখন তারকাটি যে উত্তর দিয়েছিল সেটা বোধহয় আমার চিরকাল মনে থাকবে। ‘আমি কেন প্রস্তাব করেছিলাম সেটা আমার কাছেও এক বিষ্ময়। সেদিন তোমাকে প্রস্তাব দেওয়ার কোন পূর্বপরিকল্পনাও আমার ছিল না। পার্কের সুইমিং পুলটার কাছে আমরা বসে ছিলাম। যেসব মেয়েরা সাতার কেটে রোদে গা শুকাচ্ছিল তাদের ভেজা চুল এবং ঘর্মাক্ত শরীর দেখতেও বেশ উত্তেজক লাগছিল। তুমি বরং একটা গাছের নিচে সাদা জামা পরে বসেছিলে। তোমাকে আর সবার থেকে অন্যরকম লাগছিল। তোমাকে দেখাচ্ছিল যেন ওদের সবার মধ্যে তুমিই একমাত্র মেয়ে।’ এটাই হলো মীন নারীদের সূক্ষ্ম গোপনীয়তা। নেপচুনের ফিসফিস শব্দগুলো শুনে সে যদি কোন উপাসনালয়ে ত্যাগী নারীর জীবন-যাপন করে তবুও তাকে দেখতে একটি মেয়ে বলেই মনে হবে। কিংবা নাইটক্লাবের নর্তকির জীবন-যাপন করে তবুও তার মধ্যে রইবে সেই চিরন্তন নারীরূপ। পরিপূর্ণ নারী। একশ’ পারসেন্ট।

সৌজন্যঃ ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ. স্মাইল ডট কম.বিডি:৮০৮০

Thumbs up