Topic: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE OF TULA (LIBRA) তুলারাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

তুলা রাশি

তুলা নারী ও কুম্ভ পুরুষ

তুলা মেয়েটি সম্ভবত নম্র ও মিষ্টিভাবে তার কুম্ভ পুরুষটির মনে একটা পথ-নির্দেশকের অবস্থান তৈরি করার জন্যে তার কৌশল প্রয়োগ করবে, যাতে করে সে তার নিজের পছন্দের জীবন-যাপনের পদ্ধতিতে ছেলেটিকে অভ্যস্ত করে তুলতে পারে। প্রথমদিকে কুম্ভটি এই পথই অনুসরণ করবে, কিন্তু যখন সে মেয়েটির টোল-পড়া গালের লালিমা আর তার অনুপম আকর্ষণের প্রাথমিক ধাক্কাটা সামলে উঠবে, বলাই বাহুল্য, মেয়েটির ভুবনজয়ী হাসির তীব্র মোহনীয়তাকেও কাটিয়ে উঠতে পারবে, তখন সে ঠিকই তুলা মেয়েটির এই ধীর-স্থির বশ করে নেয়ার পদ্ধতিটি ভণ্ডুল করে দেবে। কুম্ভ পুরুষের একগুয়েমী এতোটাই তীব্র যে সেটার কাছে গাধা বা গর্ধব যন্তুটার একগুয়েমীও তুচ্ছ হয়ে ওঠে, মনে হয় গাধা যেন অত্যন্ত সহজে বশ্য, সহজে প্ররোচিত এবং চালিত একটা সবিশেষ বিনয়ি যন্তু। এই ছেলে যখন মনে করে যে তার মনোভাবই সঠিক, তখন তার অবস্থান থেকে তাকে এক চুল নড়ানোও দুঃসাধ্য ব্যাপার।

তবে, একবার যখন কোনটা ভালো এবং শ্রেয় সেই বিষয়ে এই দুজন একটা আপোষে পৌছাতে পারে, তখন কিন্তু নক্ষত্রদের আশীর্বাদপুষ্ট তাদের দুজনার সম্পর্কটি সেই আশীর্বাদের সব উপহার এবং সুবিধা কুড়িয়ে নিতে সক্ষম হবে। অদ্ভুত হলেও সত্য যে সঙ্গিত বা গান হয়তো কোন না কোনভাবে এই দুজনের মধ্যে প্রাথমিক আকর্ষণ বা কাছে আসার বিষয়টির জন্যে দায়ী, হতে পারে সঙ্গিতের প্রতি তাদের পারস্পরিক আকর্ষণ রয়েছে, কিংবা একজনের আগ্রহের পেছনে অন্যের উদ্দীপণা রয়েছে। কখনও কখনও সেটা সঙ্গিত না হয়ে হতে পারে শিল্প, কখনও সেটা ধর্মীয় কোন ব্যাপার, দর্শন, বিদেশে ভ্রমণ, উচ্চশিক্ষার প্রচেষ্ট, শিশু, তরুণ সঙ্গি-সাথি, কিংবা কোন ধরনের মঞ্জ...কিন্তু সবসময়ই তাদের মধ্যে একাধিক বিষয়ে চিন্তা-চেতনার সাদৃশ্য এবং সহমর্মীতা থাকবে।

কুম্ভের কাছে তুলা মেয়েটি অপরূপা এক নারী, এবং যদিও ভালোবাসা অন্ধ, কিন্তু মেয়েটির দেহ বল্লরীর যে ধারণা ছেলেটির মনে ভাসে সেটা মিথ্যে নয়, বা বাগারম্বরতা নয়। মেয়েটির মনে হয়, কুম্ভটির মতো এতো বেশি স্মার্ট ছেলের সাথে সে এর আগে কখনই দেখেনি। স্বীকার করতেই হবে এই ছেলের বুদ্ধিমত্তা মাঝে মধ্যেই মানুষকে হতভম্ব করে দিতে পারে। যদিও কখনও কখনও তার চিন্তার মাঝে যুক্তির অভাব দেখা যেতে পারে, যেটা মেয়েটিকে মাঝে মধ্যে বিরক্ত করে তুলবে, কিন্তু মেয়েটি মানসিকভাবে যথেষ্ট সচেতন এবং চতুর যে সে কুম্ভের এই খাপছাড়া বৈশিষ্ট্যটির সাথে সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারবে। ছেলেটি তুলা মেয়ের সূক্ষ্ম মন মানসিকতা পছন্দ করে, এবং দ্রুত বুঝে নিতে পারে যে এই মেয়ে তার সাথে অনেক বিষয়েই আলাপচারিতা চালিয়ে যেতে সক্ষম, এবং ফলতঃ তার আকর্ষণ শুধু মেয়েটির দেহের তীক্ষ্ণ বাক আর তার গালের টোলেই সীমাবদ্ধ থাকবে এমন কোন কথা নেই। তবে তুলা মেয়েটিকে যদি তার পলায়নপর কুম্ভ পুরুষটির ভালোবাসা আকঢ়ে রাখতে হয়, সেক্ষেত্রে কুম্ভটিকেই তার পথপ্রদর্শক হিসেবে মেনে নিতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়েয়ে ভালো হবে—প্রেম, বিয়ে, ব্যবসা ও বন্ধুত্ব ।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE OF TULA (LIBRA) তুলারাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

তুলা নারী ও কর্কট পুরুষ

কর্কটপুরুষ পদক্ষেপ রাখার আগে সবসময়ই ভালোভাবে দেখে নেয় কোথায় তার পা পড়ছে, আর খুব কম বিষয়েই সে তাড়াহুড়ো করে, ভালোবাসার ক্ষেত্রেও এ ব্যাপারে তার মধ্যে কোন ব্যতিক্রম নেই। বিয়ের বন্ধনে নানান দায়িত্ববোধের বিষয়গুলো তাকে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত করে তোলে। তার অধিকাংশ কাজ কর্মেই কিছুটা জড়তা বা অক্রিয় আচরণ লক্ষ্য করা যায়। কর্কটের এরকম জড়তার প্রতি তুলা মেয়ের প্রথম যে প্রতিক্রিয়াটি হবে, সেটা হলো ছেলেটির শারীরিক আকর্ষণকে চরমভাবে উপেক্ষা করা, কিংবা তাকে ঈর্ষান্বিত করে তোলার প্রত্যাশায় অন্য পুরুষদের প্রতি নিজের আগ্রহের ঈঙ্গিত দেয়া, এবং ছেলেটির মনে ভয় জাগিয়ে তোলা যে সে তাকে হারাতে চলেছে - কিংবা শারীরিক অনুরাগে অনুরক্ত হতে অসম্মতি জ্ঞাপণ করা - যাতে করে ছেলেটি তার নিজের অতি সাবধানি আবরণ থেকে বেড়িয়ে আসতে পারে। যদি এই দুজনার জন্মকুষ্ঠিতে তাদের সম্পর্কের প্রতি ইতিবাচক কোন প্রভাব থাকে তাহলে মেয়েটির এই প্রতিক্রিয়ায় কাজ হতে পারে। অন্যথায়, এ ধরনের কৌশল এই ছেলেকে আরও খিটমিটে আর বদমেজাজী করে তুলবে এবং অসন্তোষে নিজের খোলসের মধ্যে ঢুকে যাবে।

কর্কট পুরুষদের উপলব্ধি ক্ষমতা ভালো। সে ঠিকই বুঝে ফেলবে মেয়েটি কি করছে, এবং সে আরও নাছোড়বান্দার মতো নিজের অতি সতর্ক মনোভাবকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রাখবে। তার মা একবার তাকে বলেছিল, নিজের ক্রিতকর্মের জন্যে দুঃখিত হবার থেকে বৈষয়িক মনোভঙ্গি নিয়ে চলা শ্রেয়, এবং এই রুক্ষ আর শীতল পৃথিবীতে নম্রতার থেকে চপটতাই বরং সফলতার সুযোগ দেয়। কিন্তু এখন এই সুন্দর আর বুদ্ধিমতি মেয়েটি তার জড়তা কাটিয়ে তাকে অসতর্ক আর আবেগপ্রবণ করে তোলার চেষ্টা করছে...তাকে মুক্ত করার চেষ্টা করছে। এটা বরং তাকে বিভ্রান্ত করে দেবে, এবং আরও বেশি জড়তার দিকে ঠেলে দেবে।

মেয়েটির অতি খরুচে স্বভাব তাকে অস্থির করে তুলবে, আর মেয়েটির নিঃস্পাপ বন্ধুত্ববোধের প্রতি কর্কটের সন্দেহপ্রবণতা মেয়েটিকেও বিরক্ত করে তুলবে। মেয়েটি হয়তো কর্কট ছেলেটিকে জানাবে যে, যে তার দমবন্ধ হয়ে আসে, আর হয়তো ফোনের উত্তরও দিতে চাইবে না। কিন্তু ভেতরে ভেতরে মেয়েটি তার বিরহে ঠিকই কাতর হয়ে উঠবে। কর্কটের সঙ্গ তার প্রয়োজন, ফলতঃ মেয়েটি কর্কটের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে ব্যাপারগুলোকে বার বার বিশ্লেষণের চেষ্টা করবে। ঝগড়ার সময় কর্কট ছেলেটি প্রায়ই শঙ্কায় ভুগবে, কেননা, যে মুহূর্তে তারা আলাদা হয়, সে মুহূর্তটি থেকেই সে মেয়েটির উচ্ছল আশাবাদীতা আর জীবনের প্রতি তার তীব্র ভালোবাসা, আর তাদের হাসি, খুশি ক্ষণগুলোর স্মৃতি তাকে তাড়িত করতে থাকে।

গ্রহ-নক্ষত্রদের আশীর্বাদবঞ্চিত বলে এই দুজনার সম্পর্কের মাঝে প্রায়ই ঝগড়া-বিদ্বেস, আর সম্পর্কের স্থায়িত্ব হুমকীর সম্মুখীণ হয়ে উঠবে। তাদের দুজনার পৃথক দৃষ্টিভঙ্গি সহজে সমাধানযোগ্য নয়। কর্কটের প্রতি একটি সাবধান বাণী: আপনাদের দুজনার সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো আপনার গোপন করার প্রবণতা।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়েয়ে ভালো হবে—যৌনসঙ্গ ও বন্ধুত্ব ।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE OF TULA (LIBRA) তুলারাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

তুলা নারী ও মকর পুরুষ

শুরুর দিকে তুলা মেয়েটির মনে হবে তার গোলাপ-গোলাপি রঙ্গে রঙ্গীন স্বপ্নের সাথে মকর পুরুষটির গোড়াভাবে পুরোনো চিন্তাধারা, নিস্প্রাণ, নিস্তেজ এবং ভারিক্কি চালচলন টিক খাপ খায় না। তার মনে হবে এই ছেলে অসম্ভব রকমের রক্ষণশীল, তার নিজের নিয়মের বাইরে এক বিন্দু নড়তে রাজী নয়, গতানুগতিক, একগুয়ে, কৌতুকরসহীন এবং বিষণ্ণ। শুধু এই নয়, মেয়েটি নিজের মনে বলবে, সে অর্থহীন রকমের হতাশাবাদী, অন্ধবিশ্বাসী এবং আবেগগতভাবে শীতল। তুলা মেয়েটিকে বলছি: তাকে আরও ভালোভাবে জানার আগে আপনার একটু অপেক্ষা করা উচিত। তার মধ্যে একটা খেয়ালী, উৎফুল্লচিত্ত কৌতুকবোধ রয়েছে, যদিও সেটা দুর্লভ এবং সূক্ষ্ম কিন্তু তার কৌতুক বলার সময়জ্ঞাণটা খুবই চমৎকার। সে ভদ্র এবং বিশ্বস্তও বটে। নির্ভরযোগ্য এবং আন্তরিক। কঠোর এবং অবিরামভাবে পরিশ্রমি। তার মধ্যেও শিল্প আর সঙ্গিতের প্রতি আকর্ষণ রয়েছে, কিন্তু এ বিষয়ে সে তেমন একটা আলোচনা করে না। আর মানুষের স্বভাব-চরিত্রের ব্যাপারে তার যে একটা অন্তর্গত জ্ঞাণ রয়েছে সেটার বিজ্ঞাপণের জন্যে সে কোন বিলবোর্ড টাঙ্গাতেও রাজী নয়।

তুলা মেয়ে কথা বলে যেন সঙ্গিতের মূর্ছনার মতো, তার চলাচল গিতিকবিতার মতো। সে সাবলীল, কোমলমতি, এবং আবেগপ্রবণ...যেন ঠিক সজীব গোলাপের সুগন্ধের মতোই মোহনীয়। নিজের মখমলের মতো হাসি কিংবা টোলপড়া গালের মাধুর্য্যরে নিচে তার চালিকাশক্তি উচ্চাকাংঙ্খা আর তার বুদ্ধিদীপ্ত মন যতোই সে লুকিয়ে রাখুক না কেন, সে যে স্থিরভাবে আত্মনির্ভরশীল - সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। অধিকাংশ পুরুষকেই সে তোষামোদ করে, প্রশংসা করে এতোখানি গলিয়ে দিতে পারে তারা স্বেচ্ছায় (এবং অনেক সময় উৎফুল্লচিত্তে) তার ইচ্ছামতোই অগ্রসর হয়। কিন্তু পার্থিব এই মকর ছেলেটি এই মেয়ের মোহনীয়তাকে ঠিকই পরাস্ত করবে যখন ?মেয়েটির পছন্দনীয় উপায়?টি তার ‘পছন্দনীয় উপায়ের’ সাথে মিলবে না। তারপরও নিজের সূপ্ত অপর্যাপ্ততাবোধ আর শূন্যতাবোধ কাটিয়ে উঠার জন্যে এই মেয়েটির উচ্ছলতার যাদুকরি স্পর্শ এবং তার মানসিক চ্যালেঞ্জগুলো মকরটির প্রয়োজন। কিন্তু সেকথা সে স্বীকার করবে না। এমনকি তার নিজের কাছেও নয়। মেয়েটির হাসি যে তার চোখে জল নিয়ে আসে সে কথা স্বীকার করার ক্ষেত্রে এই ছেলের লজ্জাটা একটু বেশি।

নিজের পছন্দের ধারণা থেকে যেহেতু মকর পুরুষকে এক চুল নড়ানো সম্ভব নয়, এবং যেহেতু তার তুলা নারীটি তার থেকে যথেষ্ট নমনীয়, তাই মকরের থেকে তুলাটির জন্যেই নিজের অবস্থান পরিবর্তন করা সহজ। ফলত, এই দুজনার সম্পর্ক সফল করার ক্ষেত্রে দায়-দায়িত্ব মেয়েটির ঘাড়েই বেশি অর্পে যায়।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE OF TULA (LIBRA) তুলারাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

তুলা নারী ও মিথুন পুরুষ
 
তুলা নারী তার নিজের বুদ্ধিমত্তা থেকে কম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন একজন পুরুষের দিকে দ্বিতীয়বার ঘুরে তাকাবে এমন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। অন্যদিকে, মিথুন পুরুষ নিজের ব্যাচেলর জীবনের স্বাধীনতা বিসর্জন দিতে হলে তেমনই একজন নারীকে খুঁজে বেড়াবে যে নারী তার চিন্তাভাবনার জটিলতা অনুধাবন করতে সক্ষম এবং তার স্বপ্নজট বিশ্লেষণে সক্ষম। এই দুজনার সম্পর্ক নক্ষত্রদের আশীর্বাদপুষ্ট। তারা একে অন্যের সহমর্মী, এবং প্রায়ই নিজেদের পৃথকত্বের ব্যাপারগুলোতেও শ্রদ্ধাশীল।

নিশ্চিতভাবেই, মিথুন এবং তুলা চমৎকারভাবে মানানসই, তাদের অনেক গুণ (এবং দোষও) সাদৃশ্য। সাধারণত, এদের মধ্যে একে অন্যের মানসিকতা, একান্ততা, চিন্তা এবং বক্তব্যের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব লক্ষ্য করা যায়। তারপরও, অনেক সময় এরকম ঘটবে যে মিথুন পুরুষটি তার তুলা সঙ্গিনীটিকে গভীরভাবে আহত করেছে, এবং মেয়েটির আবেগী আকস্মিক প্রতিক্রিয়ায় হতবুদ্ধি হয়ে উঠেছে। মিথুন পুরুষের ভালোবাসায় মগ্ন যে তুলা নারী, সে হারে হারে টের পাবে, কেন মিথুন পুরুষের সম্পর্কে এই মন্তব্য করা হয় যে, এই ছেলেটি সবসময়ই কিছু না কিছু চিন্তায় ব্যস্ত, এবং কখনই তার এইসব চিন্তা শেষ হয় না।

মিথুন ছেলেটির হয়তো আক্রমনাত্বক মনোভাব থাকবে না, কিন্তু তার মৌখিক উক্তিগুলো তুলা মেয়েটির জন্যে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং আঘাতদায়ক হয়ে উঠতে পারে। তাছাড়া তুলা মেয়েটি সমস্ত মতামতই নম্র-অস্পষ্ট কৌশল এবং বিনয়ের সাথে ব্যক্ত করতেই অভ্যস্ত। কিন্তু, মিথুন পুরুষ তার অন্তর্গত মনোহারিতা দিয়ে ঠিকই মেয়েটির মন আবার জয় করে নেবে এবং মেয়েটির মনে বিশ্বাস স্থাপন করবে যে সে আসলে তাকে আঘাত দেবার জন্যে কিছু বলেনি, হয়তো প্রকৃতই সে তেমনটি করে নি (মিথুনেরা যা কিছু বলে সেসব কিছুই মন থেকে বলে না - এক ঘন্টা কিংবা এরকম সময় অতিবাহনের পর সেটাই তাদের মনোভাব হয়ে ওঠে)।

তাদের শারীরিক সম্পর্ক নিজেদের হৃদয়কে পরিপূর্ণতা এবং শান্তিতে পরিপূর্ণ করে তোলার মতো যথেষ্ট সুন্দর হয়ে উঠবে। তাদের ঘর-বাড়ি সঙ্গিত, ফুল, বই-পুস্তক - এবং সন্তানদের কোলাহলে মুখরিত হয়ে উঠবে। তারা প্রচুর ভ্রমণ করবে, হয় কল্পনায় কিংবা বস্তুতই বাস্তবে।

জন্মকুষ্ঠিতে কুপ্রভাব থাকলে তাদের সম্পর্কের মধ্যে চাপ চাপ উত্তেজনা, ভুলবোঝাবুঝি এবং ঝগড়া-ঝাটি হতে পারে, কিন্তু তারপরও নিজেদের বাহুতে ফিরে আসার পথ, এবং যেকোন ঝগড়ার পর মীমাংসা হয়ে যাবার সম্ভাবনা সবসময়ই জেগে থাকবে। যতো বড় সমস্যাই হোক না কেন আরও একবার চেষ্টা করে দেখার সুযোগটা সবসময়ই এই জুটিতে বিরাজমান।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়েয়ে ভালো হবে—প্রেম, বিয়ে, ব্যবসা ও বন্ধুত্ব।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE OF TULA (LIBRA) তুলারাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

তুলা নারী ও সিংহ পুরুষ

তুলা মেয়ে খুব সুন্দর করে প্রশংসা করতে জানে। সৌজন্য বজায় রেখে সাবলীলতার সাথে কর্তৃত্বপরায়ণতা এবং শাসন করার সুন্দর একটি পন্থাও তার জানা। কিন্তু মায়ময়ই হোক কিংবা নিষ্ঠুর কর্তৃত্বপরায়ণতা তো কর্তৃত্ব পরায়ণতাই এবং শাসন, শাসনই। সিংহ যদিও মেয়েটির প্রশংসা গুলোকে উৎফুল্লচিত্তে লুফে নেবে। কিন্তু মেয়েটি যখন নিজের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে যুক্তির সাথে একটি সঠিক পথ (যে পথটি অবশ্য মেয়েটির ব্যক্তিগত পছন্দের) বাতলে দিয়ে সিংহকে সেই পথ বেছে নিয়ে জীবন-যাপনের পরামর্শ দেবে, এবং উপুর্যপরি তাড়া দেবে, তখন সিংহ হয়তো একটা আহত দৃষ্টিই মেয়েটিকে ফিরিয়ে দেবে। সিংহ পছন্দ করে তার নিজের নিয়মে চলতে। কিন্তু তারপরও এই দুজন একে অন্যের প্রতি তীব্রভাবে প্রেমময় এবং নিজেদের অনুভূতি প্রকাশে সপ্রতীভ এবং খোলামেলা।

এই দুজনের মধ্যে অর্থনীতি নিয়ে তেমন কোন বড় ঝামেলা হবার কথা নয়। সাধারণত, এরা দুজনেই টাকা-পয়সার ব্যাপারে প্রায় একই রকম দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী। টাকা-পয়সা সৌন্দর্য বর্ধন এবং আরাম আয়েস কিনতে পারে। সিংহটি হয়তো মেয়েটির থেকে সামাণ্য কৃপণ - কিন্তু সেটা তাদের দুজনার টাকা-পয়সা নিয়ে নয়, বরং মেয়েটির প্রতি। ব্যাপারটা এরকম, যদি মেয়েটির কোন কিছু ভালো লাগে তাহলে সেটা কেনা মানে অযথা টাকা নষ্ট করা। কিন্তু যদি তার কোন কিছু ভালো লাগে, তাহলে দাম যাই হোক না ক্যানো, সেই বস্তুটি কেনা হবে ‘নিতান্তই বৈষয়িক,’ এবং নিঃসন্দেহে সেটা ‘ভবিষ্যতে অনেক টাকা বাঁচাবে’। (সিংহের দৃষ্টিভঙ্গি)

এইরকম স্বার্থপর আচরণের কারণে অন্যান্য মেয়ের হয়তো রাগে, অভিমানে চোখে জল চলে আসতো, তুলা নারীও হয়তো কোন এক বৃহস্পতিবারে এরকম রেগে উঠতে পারে, কিন্তু সাধারণত সে একটা উজ্জ্বল উচ্ছল হাসি দিয়ে সিংহটির সাথে একমত পোষণ করে বলবে, ‘জান, তুমি একদম ঠিক বলেছো’। পরবর্তীতে মেয়েটি একাই সেই দোকানে চলে যাবে, এবং তার পছন্দের বস্তুটি কিনে নিয়ে বাসায় ফিরবে।

এই দুজনের মধ্যে ভাব আদান-প্রদানের জন্যে কথার কোন শেষ থাকবে না। মেয়েটি অবশ্য চমৎকারভাবে এবং সুন্দরভাবে সিংহটির কাছ থেকে বিভিন্ন বিষয় শেখার ব্যাপারে এবং জ্ঞাণার্যনের ব্যাপারে কৃতজ্ঞ থাকবে, এবং তার এই কৃতজ্ঞতাটিও পরিস্কারভাবে সিংহটির মনে পৌছে দেবে। অপরদিকে, যদিও মেয়েটি তার সমগ্র জীবন সিংহটিকে বিভিন্ন শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলবে, কিন্তু সবচেয়ে চমৎকার ব্যাপার হলো, সিংহটি কখনই বুঝবে না যে মেয়েটি কি করছে। একজন পুরুষের এটা জেনে কোন লাভই নেই যে তার স্ত্রীর কাছ থেকে কতো কিছু তার শিখবার রয়েছে - বিশেষত, পুরুষটি যদি হয় রাজাধীরাজ!

এই জুটির মধ্যে সবচেয়েয়ে ভালো হবে—যৌনসঙ্গ ও বন্ধুত্ব ।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE OF TULA (LIBRA) তুলারাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

তুলা নারী ও তুলা পুরুষ

তুলা পুরুষ এবং তুলা নারীকে বুঝতে হবে যে তাদের দুজনার একইরকম স্বভাব, ব্যক্তিত্ব এবং বৈশিষ্ট্যগুলোর মাঝে পারস্পরিক যে নেতিবাচক দিকগুলো রয়েছে সেগুলো একত্রিত হয়ে দ্বিগুন বিপদের আশঙ্কা হয়ে দাড়াতে পারে। সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠাণ বা পার্টির প্রতি তাদের তুলাসুলভ অতি আগ্রহ হয়তো হয়তো তাদেরকে বিভিন্ন ক্ষতিকর আমোদ-প্রমোদের দিকে ঠেলে দেবে - যেমন তুলাদের মিষ্টি-প্রীতি, বেশি মিষ্টি খেয়ে তাদের দুজনারই শরীরের ওজন বেড়ে যেতে পারে, আর তাছাড়া অন্যান্য নেতিবাচক বিষয়গুলো তো থাকছেই। পরন্তু, দুজনারই তুলাসুলভ তার্কিক মনোভাব, যদি সেটা নিয়ন্ত্রণ করে ইতিবাচক দিকে ধাবিত করা না হয়, সেক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক অশান্তি, এবং ঝগড়া-ঝাটির সৃষ্টি করতে পারে। পরিণামে সেটা হয়ে উঠতে পারে দুজনার দৈহিক মিলনের বিরুদ্ধে এ্যালার্জি বা অনিহা, কিংবা হাসপাতালের বেডে, যেকোন একজনের শয্যা নেয়া। কেননা, ক্রমাগত ঝগড়া-ঝাটি এই দুজনের ক্ষেত্রেই তাদের স্নায়ুবিক বিকারের কারণ হয়ে দাড়াতে পারে, যেটা নিঃসন্দেহেই তাদের মানসিক এবং আবেগের জন্যে অত্যন্ত ক্ষতিকর। শেষে যে বিষয়টি তুলে ধরতে হয়, যদিও তুচ্ছ নয়, যে রোমান্সের প্রতি তাদের যে তীব্র অনুরাগ সেটা থেকেও সূচনা হতে পারে বিশ্বাসঘাতকতা, বা ঈর্ষাকাতরতার মতো ভয়ঙ্কর ঝড়গুলোর, যে ঝড় পরিণতিতে এই ভালোবাসার পাখিদুটোর শান্তিময় আবাসের ছাদটাই হয়তো উড়িয়ে দেবে। যদি তাদেরকে খুব রোমান্টিক হয়ে উঠতেই হয়, সেক্ষেত্রে তারা প্রতি ভ্যালেন্টাইন ডে তে একে অন্যকে শুভেচ্ছা দিতে পারে, এবং প্রণয়কাতর দুষ্টুমীগুলো বিপরীত লিঙ্গের অন্য কারোর সাথে না করে নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ করে রাখতে পারে। এর ফলে যেটা হবে সেটা হলো, তাদের দুজনের ভালোবাসা বহুদিন সেই তারুণ্যের উন্মাদনা এবং তীব্রতাটা ধরে রাখতে পারবে; এমনকি তখনও যখন তাদের সমবয়সী অন্যান্য রাশির জুটিরা হয়তো রোমান্টিকতা দেখাবার ক্ষেত্রে একটু বেশিই ক্লান্ত এবং অবসাদগ্রস্ত হয়ে উঠবে।

তাদের সম্পর্কের ভালো দিকটির সূচনা হতে পারে, যদি তারা নিজেদের সাদৃশ্যপূর্ণ ইতিবাচক গুণ গুলোর বিকাশ ঘটাতে পারে। এই দুইজন হয়তো কখনই পারস্পরিক প্রশংসা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না, তারা একে অন্যের অনুভবের প্রতি যথেষ্ট সুবিবেচনা করবে এবং অনেক সাদৃশ্যপূর্ণ আগ্রহের যৌথ আবেদন উপভোগ করবে। যেমন প্রায়ই তারা সঙ্গিত, কিংবা চিত্রকলা, কিংবা শিল্প-সংস্কৃতির অন্যান্য দিক, দূরে হাটতে যাওয়া, এবং প্রচুর পড়াশোনার প্রতি অনুরক্ত হবে। দুইজন তুলার বিয়ে হলে, প্রায়ই তাদের বাড়িতে একটা মোটামোটি আকৃতির লাইব্রেরি গড়ে উঠতে দেখা যায়, কিংবা গানের সিডিও সেখানে থাকতে পারে। সিনেমা দেখে অবসর কাটাতে তারা অত্যন্ত পছন্দ করে, এবং পরবর্তীতে সিনেমার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যেমন, ডায়ালগ, অভিনয়, ডাইরেক্শান, আলোকসজ্জা, ক্যামেরার কাজ এবং কাহিনীর উপর নিজেদের মত বিনিময় করে থাকে। তুলা জাতক জাতিকারা সাধারণত অত্যন্ত কুশলী সমালোচক।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়েয়ে ভালো হবে—যৌনসঙ্গ, ব্যবসা ও বন্ধুত্ব ।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE OF TULA (LIBRA) তুলারাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

তুলা নারী ও মীন পুরুষ

যেহেতু ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয়ের পেছনে লুকানো সত্যের সাথে মীনের একটা যোগাযোগ রয়েছে - এবং তুলার সাথে রয়েছে সুবিচার আর সমতার প্রতি অনুরাগ - অতএব প্রায়ই (সবসময় না হলেও, প্রায়ই) এই দুই রাশির নারী ও পুরুষের জুটিটি অদ্ভুতভাবে শান্তিপ্রদ হয়ে ওঠে। মীন ছেলেটি তার তুলা নারীটির প্রতি বেশি ধৈর্য্যশীল হবে, এবং অন্যান্য মেয়ের সাথে একাত্মতার সম্পর্ক থেকে সে যেমন পলায়নপর মনোভাবসম্পন্ন, তেমন মনোভাব তুলা মেয়েটির ক্ষেত্রে তেমন একটা প্রদর্শন করবে না। কারণ, তাদের জুটিটি গ্রহ-নক্ষত্রদের আশীর্বাদপুষ্ট। মীন ছেলে তুলা নারীর প্রতি আধ্যাত্মিক এবং শারীরিক দুই দিক থেকেই তীব্রভাবে আকর্ষণ অনুভব করবে, আর মেয়েটিও তাই। এই মেয়ে মীন ছেলেটির আকাঙ্খা আর বাসনাগুলোকে আরও মোহনীয় আকর্ষণের মাধ্যমে তীব্রভাবে অনুরাগী আর নিয়ন্ত্রণহীন করে তুলবে, যেমন তীব্রতা মীনটি আগে কখনই অনুভব করেনি। ঠিক যেমনিভাবে মেয়েটি নিজেও তার সমগ্র যৌক্তিকতা আর কার্যকারণের দেয়াল ভেঙ্গে, অলৌকিকভাবে ছেলেটির অনুরাগ আর সংবেদনশীলতার মৃদু রঙধনুর প্রতি আকৃষ্ট হবে।

ছেলেটি যদি তাকে কখনও একা রেখে কোথাও দীর্ঘ সময়ের জন্যে চলে যায়, সেক্ষেত্রে মেয়েটি বিরহে কাতর হয়ে উঠবে। ঠিক যেমনিভাবে ছেলেটিও মেয়েটির হাসিমুখের সেই স্বর্ণালী ভোরগুলোর বিরহে কাতর হয়ে উঠবে, মেয়েটির কণ্ঠস্বর তাকে অতিত হয়ে যাওয়া সেই ঘুম-পাড়ানি গানের মূর্ছনার মতো হাতছানি দিয়ে ডাকবে, তা মেয়েটি যতো তুচ্ছ বিষয়েই কথা বলুক না কেন।

মাঝে মধ্যে মেয়েটির বাহ্যিক কর্তৃত্বপরায়ণতা আর তার মেজাজের হতাশাব্যঞ্জক পরিবর্তন স্বত্তেও, মীন ছেলেটি ঠিকই জানে যে এই মেয়েই সেই একজন, যে তার উপর পূর্ণ আস্থা রাখে, এবং তার মধ্যে সেই প্রাণোদ্দীপনা জাগ্রত করে তোলে, যে উদ্দীপণায় উদ্দীপ্ত হয়ে সে নিজেকে বিশ্বাস করতে শিখেছে। ব্যর্থতার পূণরাবৃত্তির পর ক্ষান্ত হয়ে ছেলেটির অবসাদগ্রস্ত যে আত্মসমর্পণজ্ঞাপক বাক্য ‘কী লাভ!’ - এই বাক্যটির থেকে উতরে উঠে আবার তাকে সজীব, প্রাণবন্ত আর সতেজ চেষ্টায় লিপ্ত করার ক্ষেত্রে এই মেয়েটির তুলনা আর কেউ নেই। তাছাড়া, সে নিজেও মোটামুটিভাবে মেজাজী এবং তার মেজাজও মুহুর্মূহু পরিবর্তিত হয়। তাহলে এই মেয়েকে দোষ দেবার তার অধিকারটাই বা কোথায় ? আর তুলা মেয়েটিও জানে যে, এই সেই একমাত্র পুরুষ যে জানে সেই গহীন, দূরবর্তী আর গোপন স্থানটির পথ, যেখানে মেয়েটি জোছনার প্রশান্তি গায়ে মেখে নিয়ে সজীব হয়ে ওঠে, তারপর তার ক্লান্তি কেটে গেলে আরও উদ্দীপ্ত হয়ে ফিরে আসে ছেলেটির উষ্ণ হৃদয়ের নিরাপত্তায়।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়েয়ে ভালো হবে—বন্ধুত্ব ।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE OF TULA (LIBRA) তুলারাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

তুলা নারী ও ধনু পুরুষ

তারুণ্যে বিয়ের প্রতি যতোটা আগ্রহী থাকা স্বাভাবিক ঠিক ততখানি আগ্রহ একজন সাধারণ ধনুর মধ্যে নাও দেখা যেতে পারে, কিংবা হয়তো তেমনটাই মনে হতে পারে তুলা মেয়েটির মনে। মেয়েটির চিন্তা-ভাবনায় দুজনার একাত্ম হবার বাসনা, ফলত, স্বাভাবিকভাবেই, যদি মেয়েটি ধনুর প্রেমে পড়ে থাকে সেক্ষেত্রে মেয়েটির কল্পনায় ভাসবে কেবল একটা আংটি আর কাজির সমুখে মন্ত্র যপার আয়োজন। সেটা খারাপ কিছু নয়, বস্তুত এই দুজনের বিবাহিত জীবন সার্থক এবং আনন্দ উদ্দীপক হবার সম্ভাবনাই বেশি। কিন্তু ধনু পুরুষটি যদি বিয়ের আগে তার ভ্রমণক্ষুধা এবং কৌতুহলের তৃষ্ণা মেটাতে সক্ষম না হয়, সেক্ষেত্রে বিয়ের পরেই সে সেই ক্ষুধা মেটাতে আগ্রহী হয়ে উঠবে। কোনটা পছন্দনীয় ? এটা তুলা মেয়েটিই ভালো বুঝবে।

সব ধনুর ক্ষেত্রে না হলেও, অনেক ধনুই ভালোবাসার প্রথম সত্য অনুভূতি অর্জনের সাথে সাথেই বিয়ের পিড়িতে বসার প্রতি আগ্রহ দেখায় না, বরং অনীহা পোষণ করে। তার মানে এই নয় যে এই ছেলেগুলো বিয়ের প্রতি বিরুদ্ধ মনোভাব পোষণ করে, কিন্তু আসল বিষয়টা হলো পারিবারিক ছত্রছায়া থেকে মুক্ত হয়ে মানসিক, আবেগগত, শারীরিক স্বাধীনতা এবং কর্মকাণ্ডের বিকাশটা সে শুরু করেছে কেবল অল্প কদিন ধরে, এবং এই স্বাধীনতা হারাবার আগে অন্তত আরও কিছুদিন সেই স্বাদ তাকে উপভোগ করতে হবে।

তাই বলে তাকে স্বাধীনভাবে যতদূর খুশি যেতে দেয়া হোক এমন কথা কিন্তু বলা হচ্ছে না। মেয়েটি যদি এই ছেলেকে একদম স্বাধীনভাবে ছেড়ে দেয়, সেক্ষেত্রে সে হয়তো ঘুরতে ঘুরতে এতো দূর চলে যাবে যে সে ফিরে আসার কথাই ভুলে যাবে, হয়তো তার সেই অবাক স্বপ্নগোলোর ঘোরে কোথাও সে হারিয়েই যাবে - কিন্তু, মেয়েটি যদি প্রথম থেকেই ছেলেটির প্রতি সামান্য শক্ত হতো, সেক্ষেত্রে সে হয়তো এখনও মেয়েটির হাতে হাত রেখে, শক্ত করে আকঢ়ে রাখতো, ছাদে বৃষ্টির রিমঝিম সঙ্গিত উপভোগ করতো একান্তে - কিংবা কোন গ্রামের পথে হাতে হাত রেখে হেটে যেতো, শুকনো হরিদাভ খড়ের মিষ্টি ঘ্রাণ শুকে শুকে।

এই দুজনার মধ্যে কথা বলার বিষয়ের কোন কমতি ঘটবে না। ছেলেটির এতো সাহসীকতার মাঝেও তার মধ্যে একটা বাচ্চা ছেলেকে খুঁজে পাবে মেয়েটি। এবং মেয়েটি তার সমগ্র জীবন সেই বাচ্চা ছেলেটাকে শেখাতে শেখাতেই অতিবাহন করবে। প্রতিটি তুলা নারীর মধ্যেই একজন সূপ্ত স্কুল টিচার আছে বলে যেন মনে হয়। ধনুটিও সব ব্যাপারেই যথেষ্ট কৌতুহলী। মেয়েরা কখন কেমন অনুভব করে, আর তারা কখন আবেগী হয়ে ওঠে এসব বিষয়গুলো তাকে আগ্রহী করে তোলে। ছেলেটির মনে হয়তো এক হাজার প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর সেগুলোর অন্ততপক্ষে দুই হাজার উত্তর মেয়েটির মনে প্রস্তুত হয়ে আছে।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়েয়ে ভালো হবে—যৌনসঙ্গ।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE OF TULA (LIBRA) তুলারাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

তুলা নারী ও বৃশ্চিক পুরুষ

তুলা নারী যতোটা প্রখর, বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন, এবং যুক্তিবাদীই হোক না কেন, নিজের সমগ্র জীবন ধরেও যদি নম্র ও বিনয়ি বৃশ্চিক পুরুষের গভীরতম অনুভূতির কথা জানতে চায়, সেক্ষেত্রে সে সফল হবে বলে মনে হয় না। বৃশ্চিক পুরুষটির নির্বিকার মুখোশের নিচে গোপন অনুভবগুলোর গভীরতা কখনই মেয়েটি ছুতে পারবে না। যদি বৃশ্চিকটি মেয়েটিকে ভালোবাসে, সেক্ষেত্রে সে হয়তো মেয়েটিকে এমন অনেক কিছুই বলবে, যেগুলো সে অন্য কারোর কাছেই হয়তো কখনও বলেনি, বা বলবেও না, কিন্তু তাই বলে সে যে মেয়েটিকে তার মনের, হৃদয়ের বা প্রাণের নিভৃত নিবাসে আসবার আমন্ত্রণ করবে সেটা হবার নয়।

মানসিকভাবে সবচেয়ে বিকশিত বৃশ্চিকপুরুষটির মধ্যেও লুকানো রয়েছে প্রতিহিংসার প্রবণতা - শান্ত, প্রশান্ত মুখোশের নিচে। মেয়েটির সতর্ক থাকা উচিত যেন এই ছেলের মনের গভীরে কী ঘটছে না ঘটছে সে সংক্রান্ত বেশি কৌতুহল বা সন্দেহ দিয়ে তাকে ক্ষেপিয়ে না তোলে। এখন বরং বৃশ্চিকটিকেই একটা সতর্কতা দেয়া যায়। যাবতীয় মেয়েলী গুণ থাকা স্বত্তেও বৃশ্চিকটির ভাবা উচিত নয় যে এই মেয়েটি তার খেয়ালের ঘুড়ি হয়ে উঠবে, একটা খাপছাড়া প্রণয়ের দৈহিক অবলম্বন মাত্র হয়ে উঠবে। হ্যাঁ, মেয়েটি যদি সত্যিই বৃশ্চিকটির প্রেমে পড়ে থাকে, সেক্ষেত্রে মেয়েটি হয়তো প্রাথমিকভাবে নিজেকে সমর্পন করার মেয়েলী কোমলতা প্রদর্শন করবে, যেটা দেখে বৃশ্চিকের মনে সন্দেহ হতে পারে যে মেয়েটিকে সে যেভাবে ইচ্ছে ব্যবহার করতে পারবে। কিন্তু মেয়েটির উৎফুল্লচিত্ত প্রসন্নতা, তার মসৃণ অভিব্যক্তির নিচে কিন্তু সে ঠিকই অসহায় আর দুঃসহ হয়ে উঠবে যদি তাকে কোন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের অংশীদার করা না হয়। ঝাড়ু দেয়া, ঘর মোছা, বাসন-কোসন ধোয়া, কিংবা ডাইপার পড়ানো বা খোলা বা ধোয়া ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণের তালিকায় পড়ে না। আমি বোঝাতে চাচ্ছি, যদিও বা সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ...কিন্তু সেখানে মানসিক উদ্দীপনার সুযোগ নেই, নেই কোন চ্যালেঞ্জ। আর মানসিক উদ্দীপণা না থাকলে এই মেয়ে হয়ে উঠতে পারে খুবই দুঃসহভাবে দুঃখি একটি মেয়ে।

দুজনের একজন বা দুজনেরই উপার্যনটা হয়ে উঠতে পারে তাদের সম্পর্কের মাঝে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। আমি চাই তারা যেন আলাদা ব্যাংক একাউন্ট রাখে। (উদাহরন হিসেবে বলা যায়) তুলা নারী নিজের ছোট ভাইয়ের জন্যে কোন উপহার কিনতে স্বামীর কাছে হাত পাততে রাজী নয়। সে যদি নিজে কোন চাকরি করতে চায়, তাহলে বৃশ্চিকটির এ ব্যাপারে উৎসাহ দেয়াটাই সমীচিন হবে। তার না হয়েও উপায় নেই, কেননা, মেয়েটি কোন না কোনভাবে নিজে উপার্যন করতে উঠে পড়ে লাগবে। বৃশ্চিক সাধারণত নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী অন্যকে চালিত করতে জানে, কিন্তু তুলা নারী সহজে চালিত হবার পাত্রিটি নয়।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE OF TULA (LIBRA) তুলারাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

তুলা নারী ও বৃষ পুরুষ

অনস্বীকার্যভাবে, তুলা মেয়ের জন্যে বৃষ ছেলে আশীর্বাদতুল্য। তুলা মেয়ের অস্থির চিত্ত বৃষ ছেলের উপস্থিতিতে প্রশান্ত হয়ে ওঠে। আর তুলাসুলভ সেই সব সিদ্ধান্তহীনতার কষ্টকর মূহুর্তগুলোতে বৃষ পুরুষের মতো এতো দৃঢ়ভাবে, নির্ভরযোগ্যভাবে এবং স্বস্তিদায়কভাবে পথ দেখাতে অন্য কোন পুরুষই সমর্থ নয়। বৃষের উষ্ণতা এবং তার কৌতুকবোধ - নির্ভরযোগ্যতা এবং সাধারণ জ্ঞাণ - এই গুণগুলোই হয়তো মেয়েটি তার স্বপ্ন পুরুষটির মধ্যে অধিকাংশ সময় খুঁজে বেড়ায়।

এই দুজনার জুটির আরও একটা দুর্লভ সুন্দর বিষয় হলো এই মেয়ের অত্যন্ত সরল আশাবাদী মনোভাব যেটা বৃষ পুরুষের স্বভাবসুলভ নেতিবাচকতার প্রবণতা থেকে একটা চমৎকার ভারসাম্য ফিরিয়ে দেয়। এই চমৎকার হাসি-খুশি মেয়েটির মতো করে অন্য কেউই বৃষ পুরুষটিকে তার বিষণ্ণতা আর বিষাদের অন্ধকার থেকে এতো সহজে বের করে আনতে সক্ষম নয়। মেয়েটির সামাজিক কর্মকাণ্ডে বৃষ ছেলেটি হয়তো একটা বাধা হয়ে দাঁড়াবে, এবং প্রতিবাদ-প্রতিরোধ টানাটানিতে মেয়েটির অংশগ্রহণের ব্যাপারেও বিন্দুমাত্র আগ্রহ প্রকাশ করবে না। কিন্তু মেয়েটি যখন চমৎকার করে হেসে উঠবে তখন বৃষটি একটা ছোট আদুরে ভালুকে পরিণত হবে, আর মেয়েটির মোলায়েম, কোমল কণ্ঠস্বরে প্রলুব্ধ হবে। যতক্ষণ মেয়েটি তার পৌরুষসুলভ আধিপত্যকে মেনে নেবে, ততক্ষণ বৃষটি ব্যক্তিগতভাবে মেয়েটির বুদ্ধিমত্তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে। বৃষদের মধ্যে তেমন পুরুষ খুবই দুর্লভ যারা আন্তরিক ভাবেই মানে এবং বিশ্বাস করে, নারী এবং পুরুষ সব ক্ষেত্রেই সমান সমান - অর্থাৎ লিঙ্গীয় সমতায় বিশ্বাসী। বিভিন্ন বিষয়ে তুলা নারীর সাবলীল ব্যবস্থাপনার ক্ষমতায় বৃষ পুরুষটি গর্ববোধ করবে। কিন্তু তুলা নারীর সত্যিকার প্রতীভা যে বৃষটিকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা, সে বিষয়টিও কৌশলে সে লুকিয়ে রাখে।

এই পুরুষ এবং নারীর মধ্যে শারীরিক আকর্ষণটা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং চৌম্বকীয় - সম্ভবত এদের দুজনার প্রাথমিক আকর্ষণের ভিত্তিও বটে। তাই বলে শারীরিক আকর্ষণ থেকে প্রেমের সূচনায় তাদের মধ্যে কোন অনুতাপ সৃষ্টি করে না - বা করলেও কদাচিৎ। বরং এটা তাদের ভালোবাসার শারীরিক বহিঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে আরও গভীরতা যোগ করবে। এই দুজনই আবেগপ্রবণ এবং রোমান্টিক - এবং দুজনেই ভালো করে জানে যে অনুরাগের সাথে শারীরিক আকর্ষণ কি করে মিলিয়ে নিলে যৌথ পরিপূর্ণতার স্বাদ পাওয়া যায়।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়েয়ে ভালো হবে—যৌনসঙ্গ ও বন্ধুত্ব ।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE OF TULA (LIBRA) তুলারাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

তুলা নারী ও কন্যা পুরুষ
 
তুলা মেয়েটি কন্যা ছেলের মনে গেথে থাকা প্রিয় প্রিয় জিনিস যেমন একটা তুলতুলে বালিশ, বেলুন, ললিপপ, হাওয়াই-মিঠাই, সাদা-গুচ্ছ গুচ্ছ মেঘ, কিংবা বড় বড় চিত্রশিল্পিদের চিত্রাংকনের মতো সুন্দর, কোমল আর কমনীয়তার সবগুলো আবেদনের কথাই নতুন মনে করিয়ে দেবে - যখন মেয়েটির মন-মানসিকতা ভালো থাকবে অন্তত তখন। কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে এই মেয়ে হয়তো তাকে মনে করিয়ে দেবে, তার উর্দ্ধতন আর্মি সাজেন্টের কথা, কিংবা তার পেটি চিফ অফিসারের কথা (যদি ছেলেটি নেভীতে কর্মরত হয় সেক্ষেত্রে)।) যে বিশেষ কারণে ছেলেটি মেয়েটিকে ঘিরে এ ধরনের প্রতিচ্ছবির কল্পনা শুরু করেছে - তার প্রধান কারণ হলো এই মেয়ের মধ্যে রয়েছে স্থিরচিত্তে, ভদ্রভাবে কৌশল প্রয়োগ করে নিজের চাহিদা কিংবা প্রয়োজন মিটিয়ে নেয়ার প্রবণতা, এবং তার থেকে দূর্বল আত্মাদের উপর প্রভূত্ব বা কর্তৃত্ব করার বাসনা। এটা স্বীকার্য যে, মেয়েটি কখনই তেমন একটা উচ্চস্বরে কথা বলে না, কিংবা গালি-গালাজের আশ্রয় নেয় না। কিন্তু তবুও মেয়েটির সমগ্র মনজয়ী আচরণ এবং মিষ্টতা স্বত্তেও, প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ বিষয়ে সে ঠিকই কন্যা ছেলেটিকে নিজের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত পোষণের দিকে ধাবিত করবে। এটা একটা সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে। কেননা, মেয়েটির মতো করে চিন্তা করা হয়তো এই ছেলের পক্ষে খুবই দুরূহ এবং বিরক্তিকর বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

কিন্তু কন্যা পুরুষের চাহনীতে খুব ঠাণ্ডা, প্রশান্ত আর সজীব কিছু একটা রয়েছে। যখন পরিস্থিতি ওরকম জটিল হয়ে ওঠে তখন সে শান্তভাবে সমস্যাটাকে দেখার চেষ্টা করে, এবং ঠাণ্ডা স্বরে কথা বলে। তার উপস্থিতিটা এতোই প্রশান্তিদায়ক, এবং একই সাথে এতো স্বস্তিদায়ক, উপভোগ্য আর অনুপ্রেরণাদায়ক যে, এই মেয়ের মেজাজকে ঠিক রাখার ক্ষেত্রে এবং তার মধ্যে স্বভাবসুলভ প্রাণোচ্ছল আশাবাদীতা জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে অল্প কিছু পারদর্শী পুরুষের মধ্যে সে অন্যতম একজন। এই ছেলের কোমল উদ্বেগ মেয়েটির অশ্রুকে হাসিতে পরিণত করতে পারে, সবকিছুকে আবার তাদের পুরোনো সেই রঙধনু রঙ্গের বৈচিত্রে বৈচিত্রময় করে তুলতে পারে।

তুলা এবং কন্যার শারীরিক সম্পর্কের মধ্যে সবসময়ই একটা শান্তিময় আর নিশ্চল ব্যাপার রয়েছে। তাদের অন্তরঙ্গতা কোন একভাবে হয়ে ওঠে স্বস্তিদায়ক এবং শিথীলতায় পূর্ণ।

সার্বিক বিচারে, এই দুজনের চারিত্রিক এবং স্বভাবগত বিষয়ে যতোটা পার্থক্য বা বৈপরীত্য রয়েছে তার থেকে যথেষ্ট বেশি মিল বা সাদৃশ্য রয়েছে। কন্যা পুরুষের কাজের প্রতি তীব্র নিতীবোধের বিষয়ে তুলা মেয়েটির সম্মতি রয়েছে, এবং হয়তো সে নিজের মধ্যেও একই গুণ প্রত্যাশা করে ঈর্ষান্বিতও হয়ে ওঠে। অপরদিকে, তুলা মেয়েটির নিরপেক্ষতা আর সুবিচারের চেতনার প্রতি কন্যারও রয়েছে সমর্থন।

Thumbs up