Topic: ZODIAC CHARACTERISTICS OF MEN KUMBHA_AQUA_কুম্ভরাশির পুরুষের বৈশিষ্ট্য

বিভিন্ন রাশির পুরুষের বৈশিষ্ট্য
কুম্ভ (২১ জানু  - ১৮  ফেব্রু) :  পুরুষ

কোন পরিণামের কথা চিন্তা না করে নিজেকে যেকোন সমস্যার মধ্যে জড়িয়ে ফেলা এই কুম্ভ পুরুষগুলো আপনার সাথে প্রেমে মগ্ন মানুষের মতো আচরণ করবে এই প্রত্যাশা করবেন না। যদি করেন তো আপনার জন্যে সেটা ভুল করা হবে। শুধু ভুল নয় বরং মারাত্মক ভুল। বন্ধুত্বের কথা যদি ওঠে তাহলে আপনি তার কাছ উষ সঙ্গ কিংবা অন্তরঙ্গতম বন্ধুত্বও প্রত্যাশা করতে পারেন। কিন্তু ভালোবাসা ? সেক্ষেত্রে আমার এক পরিচিত কুম্ভের একটা উক্তি মনে পড়ছে, “যে কেউ-ই মেয়ে সঙ্গী পেতে পারে। কিন্তু ভালোবাসা অন্য ব্যাপার।” এটা একটা বিচক্ষণ মন্তব্য। “এটা অন্য ব্যাপার” - এবং সেটুকুই কুম্ভের কাছে যথেষ্ট। যখন সে বুঝতে পারে যে সে আপনার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ছে তখন সে এমন ভাব করবে যেন সে আপনাকে পছন্দ করে না। আর এর পেছনে যুক্তিটাও পরিষ্কার - একদম সহজ। কুম্ভরা সবাইকে পছন্দ করে। প্রত্যেকেই তার বন্ধু। সে হয়তো তার সবচে বড় শত্রুটিকেও নিজের বন্ধু হিসেবে সম্বোধন করবে। সুতরাং সে যখন কাউকে বলবে যে তাকে পছন্দ করে না তখন তার সেই কথার ভিন্ন মানে থাকা কোন আশ্চর্যের বিষয় নয়। কিন্তু এটা ঠিক কী বোঝায় সেটা বুঝতে অল্প গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। তার এই কথার সূক্ষ্ম দ্যোতনার মধ্যে জটিলতা থাকতে পারে।

যদিও অন্যের অনুভূতিগুলো নিয়ে নাড়াচাড়া করতে তার ভালো লাগে কিন্তু নিজের অনুভব-অনুভূতি প্রকাশ করতে সে পছন্দ করে না। তার নিজের প্রতিক্রিয়া এবং উদ্দেশ্যগুলো খুবই জটিল। কিন্তু সে ওগুলোকে জটিল করেই রাখে যাতে আপনাকে বোকা বানিয়ে, অবাক করে আনন্দ পেতে তার কোন সমস্যা না হয়। ভালোবাসা, এবং বন্ধুত্ববোধের অনেক অভিজ্ঞতাই সে অর্জন করবে, কিন্তু সে চাইবে এই প্রতিটি অভিজ্ঞতাকে সূক্ষ্মভাবে নিরীক্ষা করতে। তাকে বিয়ের মঞ্চে উঠাবার আগ পর্যন্ত আপনিও তার ঐ অভিজ্ঞতার ধারবাহিকতায় একটি নতুন অভিজ্ঞতাই মাত্র। যদিও এটা শুনতে খুব কঠিন লাগছে। আবেগতাড়িত হবেন না। তার হাজারো সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও তাকেও বাগে আনা সম্ভব। কিন্তু তাকে বাগে আনার আগে, মানুষের সম্পর্কে তার বিশিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির প্রকোপ থেকে উতরে ওঠার কায়দা আপনাকে শিখতে হবে।

সে দলীয় চেতনাধারী একজন ব্যক্তি। সে যেখানে যাবে সেখানেই তার একটা দল দাঁড়িয়ে যাবে। খেলাধুলায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়টা তার কাছে কোন বিচিত্র ব্যাপার নয়। বরং এটা যেন তারই সৃষ্টি এবং এই রকম নিরপেক্ষতার সূত্রগুলো সে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলোতেও বজায় রাখে। তার আগ্রহ সবখানে সমানভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আর তাই মানুষের সাথে তার ভালোবাসা এতোটাই ব্যক্তিকেন্দ্রিকতাহীন।

Thumbs up

Re: ZODIAC CHARACTERISTICS OF MEN KUMBHA_AQUA_কুম্ভরাশির পুরুষের বৈশিষ্ট্য

যার সাথেই সে মেশে তার প্রতিই সে বিশেষ মূল্য নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখে। কিন্তু আমরা তো সাধারণত এমন করি শুধু আমাদের বিশেষ মানুষগুলোর জন্যেই। একজন কুম্ভের কাছে প্রতিটি মানুষই বিশেষ মানুষ। প্রতিটি মানুষ বলতে প্রতিটি মানুষই বটে। এমনকি যাদের সাথে সে এখনও মেশেনি তারাও এই তালিকাভুক্ত। ইউরেনাস-শাসিত অল্পকিছু মানুষই কেবল স্বার্থপর বা স্খূল মনের অধিকারী। আর যখন তাকে এমন মনে হবে, তখন আপনি যদি তাকে হালকাভাবে বলেন যে সে খুব নীচু-মনের পরিচয় দিচ্ছে তাহলেই সে কুম্ভসুলভ খোলা মনের অধিকারী হয়ে উঠবে। কুম্ভরা নিজেদের সম্পর্কে নিচু-মানসিকতার অভিযোগ সহ্য করতে পারে না। সাধারণত সে উচ্চ আদর্শের প্রতি অনুরক্ত। ভালো যে তার মধ্যে একটা দৃঢ় নৈতিক নীতি রয়েছে। (অবশ্য এটা তার নিজের গড়া নৈতিক রীতি। তার এই রীতি হয়তো সমাজে সাধারণভাবে প্রচলিত কোন রীতি-নীতির সাথে মিলবে না) এটা প্রায় নিশ্চিত যে তার জীবনে অসংখ্য পরিবর্তন আসবে, বিতর্কের মুখোমুখী হবে এবং অনেক অপ্রত্যাশিত ঘটনাও ঘটবে। তবে কিছু কিছু সময় তার মধ্যে হয়তো এক নিরবচ্ছিন্ন প্রশান্তি বিরাজ করবে, যেটা অন্যান্য রাশির জাতকদের মধ্যে বিরল। যদি একবার তার মধ্যে কোন আলোড়ন বা সাংঘাতিক কোন অনুভবের সৃষ্টি ঘটার কারণে বিশ্ব মানবতা ছেড়ে কোন নারীর প্রতি তার আকর্ষণ জন্মায়, তাহলে সে অত্যন্ত সহানুভূতিশীল একজন প্রেমিকে রূপান্তরিত হবে। কিন্তু এই সাংঘাতিক অনুভবটি ফুরিয়ে যাবার আগের সময়টাই হলো বিপজ্জনক। যেহেতু সমষ্টির সমস্যার কাছে নিজের সমস্যাকে তুচ্ছ করে দেখাই তার স্বভাব, তাই এই স্বভাবের কিছু প্রভাব তার প্রণয়ের উপরেও পড়বে তাতে সন্দেহ নেই। তাই বলে হতাশ হবেন না। এমন সম্ভাবনাও প্রচুর যে সে হঠাৎ করেই উপলব্ধি করতে শুরু করবে অসংখ্য নামহীন মানুষের প্রয়োজনে সাড়া দেবার সাথে সাথে আপনার প্রতি নিজের বিশ্বস্ততাকেও সে উজাড় করে দিচ্ছে। তারপর সে আবার ঘাড় ঘুরিয়ে ঠিকই চিন্তার অবকাশ পাবে যে সব বন্ধুর জন্যে বা বিশ্ব মানবতার জন্যে পাছে তার ভালোবাসা যেন হারিয়ে না যায়।

আপনার কুম্ভটি বারংবার বিশ্লেষণ করেও নিজেকে প্রশ্ন করতে থাকবে, “কেন আমি বুঝতে পারছি না ওই কথাটি বলে সে কী বোঝাতে চেয়েছিল ?” এ কথার মানে না বোঝা পর্যন্ত সে অবশ্য স্বস্তিও পাবে না। যেকোন দুরূহ বিষয় তার মধ্যে অস্থিরতার সৃষ্টি করে। আর তখন তার সাময়িক নীরবতা, বিচ্ছিন্নতা দেখে ভাববেন না সে প্রাণহীন হয়ে উঠেছে। যখন তার কাছে মনে হয় যে কোন একটা ব্যাপার যেন লুকানো আছে, তখন সেই পর্দা ঘুচিয়ে আসল সত্যটা বের না করা পর্যন্ত রাতে তার ঘুমও আসবে না। অনেকসময় এমন হয় যে সে যেটা খুঁজে বের করে সেটা দেখে তাকে বরং হতাশাগ্রস্থই হয়ে উঠতে হয়। তাই বরং সতর্ক থাকুন যেন লুকানো সেই বিষয়টিতে হতাশ হবার কিছু না থাকে। কিন্তু সেটা যদি হতাশ হবার মতোই হয় তাহলে প্রস্তুত থাকুন, সে তার হতাশাকে লুকাবার বিন্দুমাত্র চেষ্টা না করে, তার সময় নষ্ট না করে নতুন পর্দা উন্মোচনের তাগিদে বেরিয়ে পড়বে।

যে মেয়ে কুম্ভের মনে দাগ কাটতে চায় তাকে আগে কুম্ভটির মনে দাগ ফেলতে হবে। একটা খোলা বই তার মধ্যে কোন কৌতূহলের জন্ম দিতে পারবে না। সে বরং বন্ধ বইয়ের প্রতিই বেশি আকৃষ্ট। যতো বেশি আনকোড়া এবং বন্ধ ততোই বেশি কুম্ভের কৌতূহল। যখন কোন মেয়ে তাকে তেমন পাত্তা দেয় না কিংবা নিজের ব্যাপার নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখে, অন্তত কুম্ভটির সাথে পরিচয়ের প্রথম দিকে, সেই মেয়ের প্রতি হঠাৎ করেই কুম্ভটির প্রবল আকর্ষণের জন্ম নেবে। রক্তের গন্ধ পেলে ব্লাড হাউন্ড যেভাবে সেটা খুঁজে বের করতে অস্থির হয়ে ওঠে কুম্ভটি তেমনি অস্থির হয়ে উঠবে ঐ মেয়েটির ব্যাপারে। কেন মেয়েটি এতো আবেগপ্রবণ ? (বুঝতেই পারছেন আবেগপ্রবণ হওয়া কোন ব্যাপার নয়, যতক্ষণ আপনার আবেগপ্রবণতার কারণটি তাকে না বলছেন।) মেয়েটি কি সত্যিই এতোটাই পরিবর্তনকামী, নাকি এটা তার অভিনয় ? কেন মেয়েটা এতো পারফিউম মাখে, আর ছোট, কাট-ছাট পোশাক পড়ে ? আর কী দরকার তার এরকম পোশাক পরে ওষুধের দোকানটার সামনে যাবার ? সিংহ, ধনু আর বৃশ্চিকেরা শিশ বাজিয়ে সে কী অবস্থাটাই না করলো ? সে কি আত্মনিয়ন্ত্রিত নাকি বহুগামী ? তার মধ্যে কী এমন আছে যেটা তাকে এতো আকর্ষণীয় করে তুলছে ? প্রথম যখন প্রশ্নগুলো মেয়েটিকে সে করে তখন মেয়েটি হয়তো মনে মনে বেশ আনন্দই অনুভব করে। কিন্তু পরবর্তীতে যখন সে দেখে যে কুম্ভটি হোটেলের ওয়েট্রেসটার প্রতি, এমনকি বাবুর্চির সহকারীটির প্রতিও একই রকম কৌতূহল প্রকাশ করে তখন অবশ্য মেয়েটির জন্যে অনুভূতির শীতলতা ছাড়া আর কোনকিছুই থাকে না। বিজ্ঞানীর হাতে ধরা পড়া একটা পোকার মতো অনুভূতি নারীসুলভ প্রেমের নিদর্শন নয়। ফলত মেয়েটি ক্লান্তভাবে দৃশ্যপট ত্যাগ করে, কিংবা দৌড়ে পালায় এমন কারো কাছে, যে পুরুষটি আরও বেশি তীব্র এবং পার্থিব। আর কুম্ভটি তার পরবর্তী রোমান্টিক ইনভেস্টিগেশনের আগে একমুহূর্ত কিংবা দুইমুহূর্তের জন্যে দুঃখকাতরভাবে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। (অবশ্য প্রেমভিন্ন অন্যকোন ধারণা বা আবিষ্কারের গন্ধ যদি এর আগেই সে পেয়ে যায় তাহলে তার পরবর্তী প্রণয়কলার বিষয়টা হয়তো পিছিয়ে যাবে।)

Thumbs up

Re: ZODIAC CHARACTERISTICS OF MEN KUMBHA_AQUA_কুম্ভরাশির পুরুষের বৈশিষ্ট্য

আপনার কাছে হয়তো কুম্ভ পুরুষটি মনকাড়াভাবে ভদ্র এবং বশ্য বলে প্রতীয়মান হবে। কিন্তু আপনার বরং হাতের আঙ্গুলে সবসময় একটা বৈদ্যুতিক চার্জের ব্যবস্থা রাখা উচিত যাতে করে সবসময় আপনার মনে থাকে এটা শুধুই তার বশ্যতার মরীচিকা, সত্যিকার কিছু নয়। একই কথা প্রযোজ্য তার নম্রতা আর আবেগের ক্ষেত্রে। কোন মেয়ের কাছ থেকেই একবিন্দু সুযোগসন্ধানী মনোভাব সে সহ্য করবে না। একবার যদি তার মনে হয় যে কোন মেয়ে তাকে বশ করার কৌশল করছে, তাহলে তার এই বশ্য নম্র-ভদ্র আচরণ নিমেষে উধাও হবে। আপনার মনে হবে একজন স্ত্রৈণ লোক হঠাৎ করেই একজন ক্রুদ্ধ প্রেমিকে পরিণত হয়েছে। এবং আধখাওয়া কাঁঠালটা আপনার মুখে ছুড়ে মারতেও তার কোন দ্বিধা নেই। ভয় পাবার মতো ব্যাপারটা হলো এই যে একজন অত্যন্ত হতাশ কুম্ভের পক্ষে এহেন অপ্রত্যাশিত কাজটি করা মোটেও দুরূহ নয়।

আর এর থেকেও যেটা আরও বেশি ভয়ঙ্কর সেটা হলো আপনি হয়তো তাকে ক্ষমাও করে দেবেন। তাকে ক্ষমা করবেন না। অন্তত একবারের বেশিতো নয়ই। কুম্ভ সাধারণত তেমন নারী ভালোবাসে যারা নিজেদের ভিত্তিতে শক্ত, অর্থাৎ নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারে। তবে এ ব্যাপারে পুরুষসুলভ কঠোরতা তার পছন্দ নয়। সে চায় মেয়েটি তাকে তার স্বাধীনমতো উড়ে বেড়াতে বাধা দেবে না, এবং স্যাতস্যাতে চোখে আবেগী প্রতিজ্ঞা বা অভিযোগের সুর তুলবে না। আর ঐ আধখাওয়া কাঁঠালের ব্যাপারে বলতে হয় যে, কুম্ভরা  জেন্ডার-নিরপেক্ষ। কিন্তু যখন তাদের মধ্যে কোন উত্তেজনার সৃষ্টি হয় তখন নারী-পুরুষ ভেদাভেদটা তারা ভুলে যেতেও পারে। আর এটার সাথে যদি তার মানসিক দুর্বোধ্যতা বা আকস্মিকতাকে লাগান, তাহলে কাঁঠালের জুসে মরিচ মিশিয়ে আপনার চোখে ছুড়ে মারাও তার জন্যে সহজ ব্যাপার হয়ে উঠবে।

কুম্ভরা তাদের জীবনের কোন এক পর্যায়ে সামাজিক ভাবে বেশ স্বীকৃত হবে - এই সম্ভাবনা খুবই উঁচু। এটা যদি পুল খেলায় জয়লাভের ট্রফি হয় কিংবা এলাকার সবচে লম্বা মানুষ হবার ক্রেস্ট হয়, বা যাই হোক, কোন না কোন ব্যাপারে তার পরিচিতি অত্যন্ত সম্মানের সাথে তুলে ধরা হবে। এটা নোবেল প্রাইজের মতো বড় কিছুও হতে পারে। অনেক কুম্ভই এরকম সম্মানের অধিকারী হয়েছেন। (অপরদিকে, অনেক সংখ্যক মানসিক সমস্যাগ্রস্থ কুম্ভই মানসিকভারসাম্যহীনদের সাথে প্রতি সপ্তাহে দেখা করতে যান। এই দুই গোত্রের মধ্যে পার্থক্যটা কী সেটা বলা মুশকিল) কিছু কিছু ইউরেনাস-শাসিত পুরুষের মধ্যে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে আড়ম্বর লক্ষ্য করা যায়। আপনার হয়তো এমন একজনের সাথে দেখা হবে যে তার টাওয়েল অন্য কেউ ব্যবহার করলে কিংবা তার খাবারের উপর অন্য কারো শ্বাস ফেললে সে বিরক্ত হয়ে ওঠে। তার এই চিরস্থায়ী ভয়টির পেছনে রয়েছে অসুস্থতা কিংবা জীবাণুর আশঙ্কা। এই ভয়-ভীতিকে নিজের রোমান্টিক জীবনে ঢুকতে দেবে না, এমনটি কুম্ভের কাছ থেকে প্রত্যাশা করা ঠিক নয়। আর বস্তুত তার এসব ভয় কোন না কোনভাবে তার উদ্দেশ্যও পালন করে। হয়তো তার অজান্তেই। সে যদি বলে যে আপনার আই-শ্যাডোটা দেখলেই তার এ্যালার্জির মতো হয় এবং তার হাচি আসে - তাহলে অবাক হবেন না। ইউরেনাস-শাসিতদের মধ্যে যেসব জিনিস তারা এড়িয়ে চলতে চায় সেগুলোর প্রতি এলার্জি গড়ে নেয়ার একটা প্রবণতা দেখা যায়। তারা এটা করে ডাক্তারদেরকেও বোকা বানাতে পারে। আর নিষ্পাপ, নিরীহ, এবং আশঙ্কাহীন মেয়েগুলোকে বোকা বানাবার কথা ছেড়েই দিলাম।

Thumbs up

Re: ZODIAC CHARACTERISTICS OF MEN KUMBHA_AQUA_কুম্ভরাশির পুরুষের বৈশিষ্ট্য

সে তেমন মানুষ নয় যে আপনার কষ্টে খুবই আবেগী হয়ে সান্তনা দেবে। একটা বুনো ফুল তুলে নিয়ে আপনার দিকে ছুড়ে  দেবার ক্ষেত্রে যে সম্ভাবনা ঠিক ততোটুকুই সম্ভাবনা রয়েছে যে সে কোন অর্কিড এনে আপনার হাতে দেবে।

এবং সত্যি বললে প্রথমটির আশঙ্কাই বেশি। সে আপনাকে দামি কোট কিংবা হীরের অলংকার উপহার দেবে না। এ ব্যাপারে হেলেন হেইজ আর তার স্বামী ম্যাকআর্থারের একটা মজার কাহিনী আছে। ম্যাক আর্থার যখন প্রথম হেলেনের সাথে পরিচিত হলেন তখন তিনি এক প্যাকেট চিনাবাদাম হেলেনের হাতে দিয়ে বলেছিলেন - যদি এই চিনাবাদামগুলো আসলে মনি-মুক্তো হতো! অনেক বছর গড়ালো, অনেক টাকা খরচ হলো এবং একদিন তিনি মনি-মুক্তো খচিত একটা অত্যন্ত দামী নেকলেস হেলেনের হাতে দিলেন এবং বললেন - যদি এই মনিমুক্তোগুলো চিনাবাদাম হতো! আমি জানিনা ম্যাকআর্থার কুম্ভ ছিলেন কি না। কিন্তু ইউরেনাসের প্রভাব যে তার মধ্যে ছিল সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। আর এই ধরনের অপ্রত্যাশিত উজ্জ্বল আনন্দটাই আপনার ভাগ্যে জুটবে যদি আপনি কুম্ভের খপ্পরে পড়েন। বলুন তাহলে দামি কোটের কী দরকার ?

এবার আসুন সবচে খারাপ বিষয়টি সাহসের সাথে মোকাবেলা করা যাক। কোন আবেগকাতর, বা ভাবকাতর চিন্তা চলবে না। এটা এরকম। “বাচ্চাদের যেমনি চকলেট খেতে হয়, তেমনি বড় হলে কর্কট, মকর, সিংহ এবং তুলাদের বিয়ে করতে হয়” এভাবে ব্যাপারটাকে মোটেও ভাবে না কুম্ভরা। আর সত্য বলতে, যতদিন একজন মানুষের পক্ষে বিয়ে না করে থাকা সম্ভব, ততদিন তারা সাধারণত বিয়ের কথা মাথাতেও ঢোকায় না। কিছু কিছু দুর্লভ কুম্ভ অবশ্য খুব কম বয়সেই বিয়ের শৃঙ্খল নিজের গলায় জড়িয়ে নেয়, কিন্তু তাদের সংখ্যা এতোই কম যে, সে আশায় উজ্জ্বল হয়ে ওঠা ঠিক নয়। তাদের মধ্যে বিয়ের ব্যাপারে উদাসীন হবার কারণ হলো, ভালোবাসার ভিত্তি হিসেবে তারা প্রত্যাশা করে একটা উষ্ণ, বিশ্বস্ত এবং সুন্দর বন্ধুত্ববোধ। (ভালোবাসা থেকেও সহজে সটকে পড়া যায়, বুঝতে পারছেন ?) তারা এমন একটি মেয়ে পছন্দ করে যে নিজেও বন্ধুভাবাপন্ন এবং কুম্ভটির সাথে সবকিছুতে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম। যেমন হাবিবুল বাশারের ব্যাটিং এ্যাভারেজ কতো, ক্রসওয়ার্ড পাজল, এ্যারাবিয়ান হর্স, যমুনার বুকে জোনাকী, রোলারকোস্টারের চক্কর সবকিছুতেই তার মতো আগ্রহ থাকবে। এগুলোতো সহজই। কিন্তু এতো বিষয়ে কথা বলার থাকলে ভালোবাসার সময়টা পাবেন কোথায়। একবার কথা বলার ঝোঁক পেয়ে বসলে তাকে আর খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তার দৃষ্টিতে আদর্শ নারী হলো সে যে একজন বন্ধু এবং যে তার কাছ থেকে কোন তীব্র আবেগময় প্রত্যাশাগুলো করবে না। এখন আপনার কী বলার আছে ? সহজ উত্তর, কিছুই নেই!

কুম্ভ পুরুষদের কাছে ভালোবাসার শারীরিক প্রতিফলন দেখানোটা বুঝি অস্বস্তিকর। তার প্রথম শুভরাত্রি চুম্বনের স্মৃতিটি হয়তো অনেক দিনের জন্যে গালে বয়ে বেড়াতে হবে। স্বীকার করছি যে, এরকম পরশ বয়ে বেড়িয়ে এবং এক ঘোর লাগা শিহরণ নিয়ে অপেক্ষায় থাকার ব্যাপারটাই আলাদা। কিন্তু এই রকম খাপছাড়া আর আকস্মিক সম্পর্ক যখন আপনাকে অনেক আগেই বিধ্বস্ত করে তুলেছে তখনও আপনার কুম্ভটি মনে মনে এই ধারণা নিয়েই সন্তুষ্ট যে কী চমৎকার একটা বন্ধু-বন্ধু সম্পর্কই না আপনি আর সে দুজনে উপভোগ করছেন। এমনকি আপনাকে ভালোবাসি বলার সাহস তার মধ্যে সঞ্চারিত হবার পরও বিয়ের কথায় উপন্যাসে পাওয়া যতো অজুহাত দিতে তার দেরি হবে না।

Thumbs up

Re: ZODIAC CHARACTERISTICS OF MEN KUMBHA_AQUA_কুম্ভরাশির পুরুষের বৈশিষ্ট্য

যখন সেগুলো তার ফুরিয়ে যাবে তখন নতুন কল্পনাপ্রসূত অজুহাত দিতেও তার কোন কষ্ট হবে না। সে হয়তো ধৈর্য সহকারে আপনাকে বোঝাবে যে আপনার প্রাপ্য অনুযায়ী ভরণ-পোষণ করার ক্ষমতা তার এখনও হয়নি, কিংবা তার বাবা মা তাকে এখনও পাশে চায়, কিংবা সে এখনও আপনার উপযুক্ত হয়ে ওঠেনি ইত্যাদি। যদি এতেও তার কাজ উদ্ধার না হয় তাহলে সে হয়তো বলবে যে, ভবিষ্যৎ এতো অনিশ্চিত, চারিদিকে আণবিক অস্ত্রের হুমকী ইত্যাদি ইত্যাদি। কিংবা যদি তার বস্ তাকে আগামী বছর বান্দরবনে বদলি করে তখন কী করবেন ? আপনি হয়তো সেখানে গিয়ে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাবেন। আর সেই শোকে কাতর হয়ে তাকে সারাজীবন কষ্ট বয়ে বেড়াতে হবে। আপনি ভাবছেন সত্যই সে এই দুঃখ কাটিয়ে উঠতে পারবে না ? আমি একজন কুম্ভ জাতককে চিনি যার সাথে একটি মেয়ের বারো বছরের সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু কুম্ভটি মেয়েটিকে কেন বিয়ে করবে না শুনুন, কারণ বিয়ে করলে মেয়েটিকে তার শখের বৃত্তি অর্থাৎ চিত্রজগৎ ছেড়ে আসতে হবে। কিন্তু মেয়েটি যে কোনদিন মঞ্চে তার পাও রেখে দেখেনি সেটা তার ভাবনার বিষয় নয়। কুম্ভটির মনে হয়েছে যে মেয়েটির মধ্যে প্রতিভা আছে। কোন একদিন নিশ্চয়ই কোন প্রডিউসারের নজরে মেয়েটি পড়বে। এখন মেয়েটিকে সে যদি বিয়ে করে, তাহলে মেয়েটির পুরো ভবিষ্যৎটাই মাটি হয়ে গেল না ? তার চেয়েও বড় কথা, কুম্ভটির নিজের কাছেই বা কেমন লাগবে ব্যপারটা ? কুম্ভটিকেতো প্রতিভা নষ্ট করার কষ্ট বয়ে বেড়াতে হবে। তখন নিজেকে তার মনে হবে একদম সাদা-কালো একটা স্বার্থপর আর খারাপ মানুষ। এবং অবাক হবার কিছু নেই যে এই বেচারি অবশেষে অপেক্ষাকৃত ইতিবাচক চেতনার অধিকারী একজনের সাথে চলে গিয়েছিলো।

কিন্তু এখানেই সব শেষ নয়। এটা যদিও সত্য যে অধিকাংশ কুম্ভই দেরি করে বিয়ে করে, কিন্তু অবশেষে তারা ঠিকই বিয়ে করে। তাদের মধ্যে বিয়ের লক্ষণটা তখনই দেখা যায় যখন তাদের সর্বশেষ অবিবাহিত বন্ধুটিও বিয়ে করে কক্সবাজার হানিমুনে চলে যায়। তখন সে পেছনে পড়ে থেকে হঠাৎ উপলব্ধি করে একটা রহস্য সবাই উন্মোচন করে ফেললো অথচ তার সেটা চেখেও দেখা হলো না। স্বভাবতই, এই অবস্থা তার সহ্যাতীত। ঠুস করে দিয়ে বসে প্রস্তাব। হঠাৎ করেই, ইউরেনাস-শাসিত ব্যক্তিটি, আপনি তো জানেনই ...।

প্রাথমিক অবস্থায় আপনি হয়তো ভাববেন তাকে একটু শিক্ষা দেয়া উচিত। তাকে ভাবানো উচিত যে একজন প্রাণোদ্দীপ্ত তরুণের কাছে তাকে হারতে হচ্ছে। আপনাকে বরং সতর্ক করা যাচ্ছে এতে করে তাকে চিরতরেই হারাতে হবে। ভগ্ন-হৃদয় কুম্ভটি অগ্নিময় চোখে অধিকারপরায়ণতা ফুটিয়ে তুলে এসে আপনাকে ছিনিয়ে নেবে নাকি দু এক ফোঁটা অশ্রুপাত করে এরকম কিছু একটা বলবে, “ঠিকই তো, সবচাইতে যোগ্য মানুষটিরই জয় হয়েছে।” কোনটা ঘটবে ? অনেক বেশি সম্ভাবনা পরবর্তীটির ক্ষেত্রে। আপনার সঙ্গহীন জীবনটাকে সে এতোই সহজে মেনে নেবে যে সেটা আপনার জন্যে রীতিমতো অপমানজনক মনে হতে পারে। এবং আপনার মনটাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দ্বগ্ধ করার জন্যে এ প্রশ্নটি করতেও সে ছাড়বে না, “আমরা কি এখনও বন্ধু থাকতে পারি না ?” আপনি যদি রাগান্বিত হয়ে বলেন যে ‘না’। তাহলে পরিত্যক্ত বাসনায় কাঁধটা মৃদু ঝাঁকিয়ে সে তার পথে হাঁটা ধরবে। আর আপনি যদি বলেন ‘হ্যাঁ’ তাহলে আবার আপনি সেখানেই পৌঁছে যাবেন, যেখান থেকে শুরু করেছিলেন, ‘বন্ধুত্ব’।

Thumbs up

Re: ZODIAC CHARACTERISTICS OF MEN KUMBHA_AQUA_কুম্ভরাশির পুরুষের বৈশিষ্ট্য

তার মনে ঈর্ষার কোন স্থান নেই। আপনি যতক্ষণ না তাকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে আপনার উপর আস্থা রাখা যায় না, ততক্ষণ সে নির্বিঘেí আপনার উপর আস্থা রাখবে। তবে তার এই আস্থা যে স্বভাবসুলভভাবে উৎপন্ন তা নয়, বরং আপনাকে যাচাই করেই সে আস্থাশীল হয়ে উঠেছে। জন্মকুষ্ঠিতে উপযুক্ত প্রভাব না থাকলে ভিত্তিহীন সন্দেহ বা অধিকারপরায়ণতা প্রদর্শন করা তার ক্ষমতার বাইরে। যদি বা তার মধ্যে হিংসা থাকেও, তো সেটা আপনি কখনই বুঝতে পারবেন না। অবশ্য যদি সে সেটা নিজেই সহ্য করতে না পারে তাহলে ভিন্ন কথা। শারীরিকভাবে আস্থাহানী ঘটাবার সম্ভাবনা তার ক্ষেত্রে খুবই কম, যদি বা থাকে। এর কারণ হলো যদিও শারীরিক সম্পর্কের ব্যপারে তার মধ্যে আগ্রহের কমতি নেই কিন্তু এটা তাকে মোহগ্রস্থ করে তুলতে পারে না। মাঝে মধ্যে দুএকজন কুম্ভকে দেখবেন যারা শারীরিক সম্পর্কের প্রতি খুবই অনুরক্তি নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে তার মধ্যে যে বৃশ্চিকের প্রচ্ছন্ন প্রভাব রয়েছে তাতে বাজি ধরতে পারেন। (আর এ ধরনের কুম্ভগুলোও  তাদের এই চরিত্রটি প্রকাশ্যে মেলে ধরবে না সেটা নিশ্চিত বলে মেনে নিতে পারেন।

একবার সঙ্গী নির্বাচন করে ফেললে কুম্ভ তার আরও যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে সেদিকে ঝুঁকে পড়ে। সে হয়তো নিজের গবেষণাগারে আয়েশ করে বসে কিশোর-কিশোরীর সম্পর্ক কিংবা পুরুষ-নারীর সম্পর্ক পর্যবেক্ষণ করবে এবং সেসব নিয়ে চিন্তা করবে। (সেটা মোটেও খারাপ নয়, কেননা এর ফলে আপনাদের দুজনের সম্পর্কের আশা যখন আপনি ছেড়েই দিয়েছেন, তখনই সেটাতে আশার আলো জ্বলে উঠতে পারে।)

ইউরেনিয়াস-শাসিতদের সেক্স সম্পর্কে উঁচু আদর্শ এবং চিন্তা রয়েছে। যদি তার মধ্যে কোন অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলার বাসনা জন্মায় (তার দৃষ্টিতে অবৈধ হলেই যথেষ্ট) বা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে তাহলে সে হঠাৎ, আকস্মিকভাবে সে সম্পর্ক ভেঙ্গে চলে আসবে। যদিও এতে তার নিজেকেও যথেষ্ট কষ্ট সহ্য করতে হবে। কিন্তু কোন অসৎ সম্পর্ককেই জিইয়ে রাখার থেকে এটাই তার কাছে সহজ। আর যে কোন কারণই তার মধ্যে অপরাধবোধ জন্ম দিতে পারে। হতে পারে সেটা আপনার বাবা-মার অসম্মতি, দুজনার দুই ধর্ম, বা আপনার কোন পুরোনো প্রেমিক যার সাথে আপনার সম্পর্ক পুরোপুরি শেষ হয় নি, বা আট বছর বয়সে নেয়া তার কোন প্রতিজ্ঞা, কিংবা এমনকিছু যেটা সে একবার কোন বইতে পড়েছিল। কিন্তু কারণ যাই হোক না কেন, তার সেই ঘনিষ্ঠতা ফিরে পেতে হলে তাকে অপরাধবোধ থেকে মুক্তি পেতেই হবে। এখন তাদের ভালোবাসার তীব্রতা লাইলি মজনুর মতো হলেও এই অবস্থা এড়ানো সম্ভব নয়। কুম্ভরা হৃদয়ভঙ্গের কথা নিজেদের মধ্যেই পুষে রাখে, যতক্ষণ না বন্ধু-বান্ধব তাকে কিছু জিজ্ঞেস না করছে। কুম্ভটি তার নব্বই বছর বয়স হওয়া পর্যন্তও আপনার জন্যে অপেক্ষা করতে পারবে। আপনার যদি মনে হয় যে অত বয়সে ভালোবাসার-শারীরিক আনন্দ আর পাওয়া সম্ভব নয় - তাতে কীই বা আসে যায় ?

সবচে খারাপ যেটা সেটা হলো সে যে অপেক্ষায় থাকবে সেটাও আপনাকে কোন না কোন কারণে জানতে দেবে না। কেন দেবে না তাকে এটাই জানতে হবে এবং আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে। সে আপনাকে এমন একটি মিথ্যে ধারণা দেবে যেন মনে হবে তার সাথে আপনার সম্পর্ক সেই শুরু থেকেই একটা ঘোর কিংবা বন্ধুত্ব ছিলো। কিন্তু প্রকৃত সত্যটা সে লুকিয়ে রাখবে। কিন্তু এই প্রকৃত সত্যটাকে প্রকাশ করলে হয়তো কোন এক অদূর ভবষ্যিতে আপনাদের পুনর্মিলন হতো এবং সব সমাধান হয়ে যেত। এটা খুবই নির্দয় একটা কাজ, কিন্তু এভাবেই সে তার ভালোবাসার খেলাটি খেলে। আপনার সান্তনা একটাই। সেটা হলো সেও তার নিজের মতো করে কষ্ট ভোগ করছে। আপনি সেটা কী করে নিশ্চিত হবেন ? আরও একবার “কুম্ভ - কী করে চিনবেন” পড়ে দেখুন। নিজের অনুভব সম্পর্কে কোন কথা না বলেও সেটা অন্যের মাঝে প্রবাহিত করার একটা সূক্ষ্ম টেলিপ্যাথিক ক্ষমতা তার আছে। এবং এটা অত্যন্ত কষ্টদায়ক হয়ে উঠতে পারে। বিশেষত যখন তার এই মৌলিক ক্ষমতাটি আপনার মনে এমন একটি ধারণা দেবে যে সে সুখে নেই। মনে তার এখন সবুজ বাতি জ্বলছে, অথচ জনসমক্ষে যতদিন তার ইচ্ছা সে লাল বাতিই জ্বালিয়ে রাখবে। তার এই আচরণ হয়তো প্রণয়ঘটিত ক্ষেত্রে খুব বাজে কিছু ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি করবে। এই জ্যাম পার হওয়া পথচারীদের জন্যে কঠিন, কিন্তু সেতো ড্রাইভারের সীটে। অতএব এক্ষেত্রে আপনার তেমন কিছু করার নেই। আপনি হয়তো তাকে বশে আনার আরও কোন রহস্যময় পরিকল্পনা করতে শুরু করবেন। কিংবা কোন বিশেষ কিছু করে (যেমন শুক্র গ্রহ প্রদক্ষিণকারী প্রথম নারীর সম্মান অর্জন করবেন) তাকে কৌতূহলী করে তুলে আপনার সাথে যেন নিজে থেকেই এসে কথা বলে সেই পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইবেন।

Thumbs up

Re: ZODIAC CHARACTERISTICS OF MEN KUMBHA_AQUA_কুম্ভরাশির পুরুষের বৈশিষ্ট্য

কিন্তু এরকম অর্জন যে তার অনুভূতিকে বদলে দেবে তাও নয়। আপনি যদি বাড়ির পাশের ফাস্টফুডের সবচে ভালো দোকানটির ওপাশে আর কোথাও কখনও না গিয়ে থাকেন তবুও সে আপনাকে ভালোবাসবে, তবে এটা হয়তো তার নিজস্ব চিন্তাভাবনার পদ্ধতিতে একটু সমস্যার সৃষ্টি করবে। আপনি হয়তো এখানে ওখানে শুনে থাকবেন যে ভালোবাসার ক্ষেত্রে ইউরেনাস-শাসিত পুরুষেরা খুবই জিদি হয়। আপনি একদম সঠিক কথাটিই শুনেছেন। প্রণয়ঘটিত ব্যাপারে তার এই স্থির মনস্কতা হয়তো আপনাকে পুরো পাগল বানিয়ে দেবে, কিংবা রাগে ক্ষোভে অন্য একটি পুরুষের দিকে ঠেলে দেবে। কিন্তু তাতে কেবল সময়ের অপচয়ই হবে। সে মোটেও ঈর্ষাকাতর নয়, মনে আছে ? কিংবা তার মধ্যে ঈর্ষা থাকলেও আপনি সেটা বুঝতে পারবেন না। তাছাড়া, ইউরেনাসসুলভ তার বাজে রকমের অন্তর্জ্ঞান তাকে ঠিকই বুঝিয়ে দেবে এসবই আপনার ভান। কেননা সে এটাও জানে যে আপনি কেন বিরক্ত হয়ে উঠেছেন। ভুলবেন না, সে আপনাকে যথেষ্ট সময় নিয়ে যাচাই করে দেখেছে। আপনার যে একমাত্র কাজটি করার আছে সেটা হলো প্রত্যাশা করা যে ৯০ বছর বয়সেও আপনি আকর্ষণীয় থাকবেন নতুবা শুক্রের চারপাশে একবার ঘুরে আসার চেষ্টা-চরিত্র শুরু করতে পারেন।

পরিস্থিতি যদি ঠিক উল্টো হয়, তাহলে কুম্ভ আপনার মধ্যে হয়তো একরাশ অধিকারপরায়ণতার সৃষ্টি করবে। কিন্তু নিজের নিয়ন্ত্রণ হারাবেন না। এর জন্যে দায়ী অবশ্য কুম্ভটির বন্ধু বাৎসল্য। যেখানেই এবং যখনই সে বন্ধু পাবে তখনই বন্ধুটির প্রতি তার প্রাণ উদ্বেলিত হয়ে উঠবে। আপনি হয়তো অনেক সময় জানতেই পারবেন না সে কোথায়, এমন কি যখন আপনার জানা উচিত, অর্থাৎ বিয়ের পরেও। নিজের মনকে বোঝান যে যেখানেই, যত রাত পর্যন্তই সে থাকুক না কেন, এটা কেবল তার কাজের প্রতি আকর্ষণ, বন্ধু বাৎসল্য এবং মানুষের প্রতি তার অশেষ কৌতূহল ছাড়া আর কিছু নয়। যদি তার বন্ধুটি হয় কোন নারী তাহলে এমন ভান করুন যেন আপনি কিছুই জানেন না। অবশ্য সরাসরি তাকে প্রশ্ন করলে সত্য উত্তরটি পাবার প্রত্যাশা করতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি তাকে সন্দেহ করেন এবং আবার জিজ্ঞাসা করেন, তো সে বুঝবে যে আপনি আসলে সত্য উত্তরটা শুনতে আগ্রহী নন। তখন আপনাকে শাস্তি দেবার জন্যে সে হয়তো উদ্ভটতম কোন গল্প বানিয়ে বলবে (এবং তার উদ্ভটতম গল্প উদ্ভটতম কল্পনাকেও হার মানিয়ে দেয়)। আপনি হয়তো তখন ঘন্টার পর ঘন্টা ভাবতেই থাকবেন সত্যিই সে ঐ লালচুল মহিলাটাকে অপূর্ব সুন্দরী বলে সম্বোধন করেছিল কি না, এবং নিজের সন্দেহপ্রবণতায় বিরক্ত হয়ে উঠবেন। (কেননা তার কিছুক্ষণ আগে সে হয়তো আপনাকে জানিয়েছে যে মহিলাটির সাথে কী কথা বলেছে তার কিছুই মনে নেই। আর আপনি তাকে উত্তর করেছেন, “হ্যাঁ, হ্যাঁ, আমি বাজি ধরে বলতে পারি তোমার কিছ্ছু মনে নেই।”) সত্যই তার কিছু মনে ছিল না, কিন্তু আপনি যেহেতু বিশদ বর্ণনা শুনতে চেয়েছেন, সেহেতু সেও উৎফুল্লচিত্তে বানিয়ে বানিয়ে আপনাকে উপযুক্ত শিক্ষা দেবার মতো গপ্পটা বলেছে। আপনি অবশ্য দ্রুতই শিখবেন।

Thumbs up

Re: ZODIAC CHARACTERISTICS OF MEN KUMBHA_AQUA_কুম্ভরাশির পুরুষের বৈশিষ্ট্য

যদি সে তার সেই নিঃসঙ্গতার মেজাজে বিচরণ করতে আগ্রহী হয়ে ওঠে তাহলে মনে কষ্ট নেবেন না। বরং তাকে তার নির্বাক স্বপ্নগুলোর সাথেই কিছুক্ষণ সময় কাটাতে দিন। তার আধ্যাত্মিক বিশ্রাম শেষ হলে সে উষ্ণভাবে আপনার সাথে সেই স্বপ্নগুলো আলোচনা করতে আসবে। আর যাকিছু তাকে উষ্ণতাময় আনন্দ দেয়, সেসবে তাকে অনুপ্রাণিত করুন। অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে সেই যে শ্রেষ্ঠ পুরুষটি হবে এমন কোন কথা নেই। তবে বিশ্বমানবতার উপকারে আসে এমন কিছু আবিষ্কার কিংবা মঙ্গলের বুকে প্রথম মানুষ হিসেবে পদচারণা করার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে তার মধ্যে। সেখানে গিয়েও অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে। টাকা-পয়সায় টানাটানি থাকলেও কুম্ভ স্বামীর সংসারে সবসময়ই কোন না কোন অপ্রত্যাশিত সুসংবাদ আপনার জন্যে রয়েছে। সাধারণত অত্যন্ত সম্পদশালী বা কোটিপতি কুম্ভের সংখ্যা খুব একটা বেশি নয়। প্রচুর আয় করতে হবে এমন উচ্চাকাঙ্ক্ষা তাদের মধ্যে বিরল। যত কুম্ভ বড়লোক আশে-পাশে রয়েছে তারা হয়তো এই সম্পদ পেয়ে গেছে, কিন্তু এই সম্পদের জন্যেই লোভীর মতো লড়াই করে এসেছে এমন নয়। যদি এমন দেখেন যে তার ব্যাংক একাউন্টটা বেশ মোটাসোটা তাহলে সে হয়তো মানবতার ভালো হবে এমন কোন পণ্য তৈরির জন্যে বা মঙ্গলকর পরিকল্পনার জল্পনা কল্পনা করছিল আর তখন সেটা এমন মোটা হয়ে উঠেছে।

কিংবা এমনও হতে পারে যে সে তার বৃদ্ধ বয়সের জন্যে টাকা জমিয়ে রেখেছে। কে জানে ? হয়তো কোন একদিন সে টাইম-মেশিনে চড়ে ভ্রমণে বেরোতে আগ্রহী আর সেটার ভাড়া দিতে অক্ষম হতে চায় না। সে বেশ বিচক্ষণভাবেই টাকা-পয়সা খরচ করবে। তবে যখনই পারবেন তখন টাকা জমানোর চেষ্টা করুন। ক্রেডিট কার্ড, বা বাকিতে কোন কিছু করবেন না। আপনার অতিরিক্ত খরচের ফলে সৃষ্ট অভাবটা হয়তো সে কখনই পূরণ করতে পারবে না। কখনও কখনও সে হয়তো আপনাকে তার খরচের মহানুভবতা দেখিয়ে হতবাক করে দিতে পারে, তবে সেখানেও একটা সীমা থাকবে।তবে তার উপর মেষ, সিংহ, ধনু কিংবা মীনের প্রভাব থাকলে তার খরচের হাত আরও বড় হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু তারপরও সে অপরিণামদর্শী হয়ে উঠবে না।

বাচ্চারা তাকে একজন অপূর্ব শ্রোতা হিসেবে পাবে। তাদের রূপকথার গল্পগুলো শুনে তার মজা লাগবে। সে বরং শিহরিত হবে বাচ্চাদের দৈত্য-দানো আর জীন-পরীর কাহিনীগুলো শুনে। এনএফএস মোস্ট ওয়ান্টেডের চিটকোড কী বা বাচ্চা মেয়েটার পুতুল-ভেঙ্গে যাবার কান্নাকাটির সমাধান একজন কুম্ভ বাবার কাছে হাতে ঘড়ি পরার মতোই সহজ। অংকের ধাঁধাগুলোর উত্তর দিতেও সে ওস্তাদ।

Thumbs up

Re: ZODIAC CHARACTERISTICS OF MEN KUMBHA_AQUA_কুম্ভরাশির পুরুষের বৈশিষ্ট্য

আপনার ক্যারিয়ারের খেয়াল রাখতে গিয়ে তাকে খাওয়াবার কথা যেন ভুলে না যান, কিংবা তার জামার বোতাম সেলাই করতে যেন মনে থাকে। তার সোফার উপর এসে আপনার বান্ধবীরা ক্যাম্প করতে চাইলে বাধা দিন আর ঘন্টার পর ঘন্টা টেলিফোন নিয়ে বসে থাকবেন না। যখন সে তার কলম কিংবা সিডিটা খুঁজে পাবে না, তখন টিভি কিংবা উপন্যাসে ডুবে থাকবেন না। আপনাকে বিয়ে করার পেছনে তার কয়েকটি কারণ আছে। যদিও ভালোবাসার জায়গায়, ভালোবাসা আছে, কিন্তু তার প্রধান কারণটা ছিলো এটা যে সে সার্বক্ষণিক এমন একজনকে পাবে যে তার সিদ্ধআলুগুলো ভর্তা করে দেবে, তার জামার বোতাম সেলাই করে দেবে, তার হারিয়ে যাওয়া লেখাগুলো খুঁজে দেবে, এবং মাঝে মধ্যে তার অদ্ভুত সরঞ্জামগুলোও সাজিয়ে গুছিয়ে দেবে। সে অবশ্য আপনার অতিরিক্ত টিভি দেখা, বই পড়া, কিংবা নারীসুলভ মজা করা ইত্যাদির মাঝখানে কর্তব্যের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলবে না। কিন্তু তার কাছে একজন ভালো স্ত্রী কিংবা একজন মা-এর সংজ্ঞা খুব সাধারণ: সে এমন একজন মেয়ে হবে যে সংসারটাকে সার্বক্ষণিক আগলে রাখে। এমনকি অপেক্ষাকৃত প্রগতিশীল চিন্তার অধিকারী কুম্ভরাও দায়িত্ব-পালন না করেই ঘোরাঘুরি করে বেড়ালে স্ত্রীর দিকে ভ্রূ কুঞ্চিত করে তাকাবে। তবে আপনি নিশ্চয় এতে তেমন কিছু মনে করছেন না। কেননা আপনার কুম্ভটি এতো মজার মজার সারপ্রাইজের একটা জীবন্ত উৎস যে আপনার সোপ-অপেরা অনুষ্ঠান না দেখলেও চলবে। নারীদের ম্যাগাজিন না কিনলেও চলবে। কিংবা আপনার বান্ধবীর সাথে ফিসফিসিয়ে একান্ত আলাপ না করলেও চলবে। তার এই আকস্মিকতাই আপনার মনের সচলতা ধরে রাখতে সক্ষম। (আর তাকে সামলাতেই আপনার যাবতীয় মানসিক সক্রিয়তার প্রয়োজন হবে।)

সে যখন তার নতুন কোন প্রকল্প নিয়ে একাগ্র হয়ে উঠবে এবং আপনি কী করছেন সে ব্যাপারে তেমন কৌতূহল তার মধ্যে থাকবে না, তখন অনায়াসেই আপনি সেই মেয়েলী কথাবার্তা নিয়ে বান্ধবীদের সাথে জুড়ে বসতে পারেন। কিন্তু ব্যথা পেয়ে তার আঙ্গুল ফুলে উঠলে আপনার বরং তার পাশে নিমেষে পৌঁছে যাওয়া উচিত, কেননা তার প্রতি যত্নের অবহেলা হলে সে ভীষণভাবে একটা তিক্ত-মনের মানুষ হয়ে ওঠে।

অদ্ভুত ব্যাপার হলো, যদিও সব ব্যাপারেই কুম্ভরা খুবই বাস্তববাদী, তারপরও তারা তাদের প্রথম প্রেম ভুলতে পারে না।(প্রথম ডেট নয়, বরং যে মেয়েটি প্রথম তাকে ফুল দিয়েছিল সেটা, এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য আছে)। ইউরেনাস-শাসিতরা সাধারণত তাদের শৈশবের প্রিয় সঙ্গীটিকেই বড় হয়ে বিয়ে করে, কিংবা একটা ম্রিয়মাণ স্মৃতি নিজের মনে পুষে রাখে। কুম্ভ সাধারণত তার প্রথম প্রেমের কাহিনী সবিস্তারে স্মৃতিচারণ করতে পারে, এবং এটা হয়তো একজন স্ত্রীর কাছে অত্যন্ত বিরক্তিকর। এই সমস্যার সমাধান হলো তার প্রথম প্রেম হয়ে ওঠা। আপনাকে হয়তো বিয়ের পিঁড়িতে বসতে অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে, কিন্তু সেক্ষেত্রে আপনার তো আর একজন পেত্নীর দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবার ভয়টি নেই। কেই বা পারে চিনাবাদামকে মনিমুক্তাতে রূপান্তরিত করতে, কিংবা উল্টোটা করতে ? তাই কাঁঠালের জুস সামান্য পরিমাণ চোখে গেলে এতো মনে করার কী আছে ? তার প্রণয়ঘটিত জটিল চিন্তা-ধারার কথা বাদ দিলে হঠাৎ হঠাৎ তার কিছু উক্তি যদি বিবেচনায় আনেন, তাহলে দেখবেন অত সুন্দর কথা শুধু যেন ফেরেশতারাই বলতে পারে। আপনাদের বিবাহ-বার্ষিকীর কথা সে ভুলে যেতে পারে কিন্তু জানুয়ারিতে আপনার জন্যে ভায়োলেট ফুল সে ঠিকই এনে দেবে। ঈদ ? কে বলে যে এটা বছরে শুধু দুই দিন ? বছরের যেকোন দিনই ঈদ হতে পারে যদি আপনি চান। প্রেম-ভালোবাসার একটা শব্দ উচ্চারণ না করেও সে দিনের পর দিন, সপ্তাহের পর সপ্তাহ এমনকি মাসের পর মাস টিকে থাকতে পারে। এরপর কোন এক সকালে আপনি যখন তার জন্যে মজার কেকটা স্লাইস করছেন, তখন সে হঠাৎ আপনার চোখের দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকাবে, এবং নম্রভাবে প্রশ্ন করবে, “তুমি কি জানো কতো সুন্দর তুমি ?” তার বলার মধ্যে এমন একটা কিছু থাকবে যে আপনি হয়তো আপনার হাঁটুতে শক্তি হারিয়ে ফেলবেন।

সমুদ্রসৈকতে জিঙ্গেলবেল, ভোর বেলায় জন্মদিন, হ্যালোইনে ভ্যালেন্টাইনস ডে, মাঝরাতে রংধনু। কমলা রঙের মিষ্টি কুমড়ার মাঝে একটা লাল রঙের হৃদয় আঁকুন, চকলেটটা ডিপফিন্সজ থেকে বের করুন, কেকের উপর মোমবাতিগুলো জ্বালান। আপনি কুম্ভটির প্রেমে পড়েছেন ? সেটা জানতেন না ? আমি আপনাদের সম্পর্কের শুভ পরিণতি কামনা করছি। কিন্তু সাবধান। আপনি ওয়ান্ডারল্যান্ডে হারিয়ে যেতে পারেন।

সৌজন্যঃ ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ. স্মাইল ডট কম.বিডি:৮০৮০

Thumbs up