Topic: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE VRISHABHA TAURUS বৃষরাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

বৃষ রাশি

বৃষ নারী ও কুম্ভ পুরুষ

ব্যতিক্রম সব ক্ষেত্রেই রয়েছে, কিন্তু যে বৃষ নারী তার কুম্ভ পুরুষের সাথে প্রণয় সম্পর্কে সুখি নয়, সে কুম্ভটির তুলনায় এই কষ্টের কারণে বেশি ভেঙ্গে পড়বে। বৃষ নারী যখন প্রেমে পড়ে তখন সে চায় তার এই প্রেম চিরকাল এবং সম্ভব হলে চিরকালের থেকেও আরও তিনদিন বেশি টিকে থাকুক! প্রথমদিকে কুম্ভ পুরুষটিরও একই রকম আকাঙ্খা থাকে, কিন্তু তার খামখেয়ালিপূর্ণ বা অদ্ভুত কাজের প্রবণতা বৃষ নারী ঠিকমতো বুঝতে পারে না, কেননা কুম্ভ পুরুষ নিজেও বুঝতে পারে না সে কখন কি করবে, আর কেনই বা সে এমন করে। একটি উপযুক্ত সঙ্গিনী পেলে কুম্ভ পুরুষ যে সমগ্র জীবনের জন্যেই বিশ্বস্ত এবং তৃপ্ত থাকতে সম্ভব সেটা পরিস্কঠরৎমড়। কিন্তু যখন সে তৃপ্ত হতে পারছে না, তখন তার পক্ষে মেয়েটির কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়া বৃষ মেয়েটির তুলনায় অনেক বেশি সহজ এবং স্বাভাবিক।

যদিও দৈনন্দিন বিভিন্ন বিষয় এবং ব্যক্তিগত স্বভাবগুলোর ক্ষেত্রে কুম্ভরা পরিবর্তনশীল নয়, কিন্তু সহজেই তারা পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে, যখন প্রয়োজন (এমনকি যখন প্রয়োজন নয় তখনও)। বৃষেরা আবার পরিবর্তনের সাথে এতো সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না। বৃষ নারীর কাছে পরিবর্তন একটা ভয়ঙ্কর বিষয়। কুম্ভ পুরুষের সাথে অন্তরঙ্গতা সৃষ্টি হলে বৃষ মেয়েটি কুম্ভের বাহুতে আবেগপ্রবণভাবে নিরাপদ বোধ করবে। বৃষ মেয়েটির কাছে কুম্ভ পুরুষটির সঙ্গ ধিরে ধিরে অভ্যাসে পরিণত হয়। যেমনি ভাবে নিজের চুলের স্টাইল, নিজের পোশাক, পুরোনো সিডি, ভেঙ্গে যাওয়া কফির কাপের প্রতি তার অভ্যস্ততা গড়ে ওঠে - অবশ্য এক্ষেত্রে তার অনুভূতির গভীরতা অনেক বেশি থাকে। এমনকি যখন এই পুরুষটির সাথে তার সম্পর্ক চরম ঘাত-প্রতিঘাতে পূর্ণ হয়ে ওঠে এবং সহ্য ক্ষমতার বাইরেও চলে যায়, তখনও এই মেয়ে একগুঁয়েভাবে ভাববে যে এখনও তাদের জন্যে আশা রয়েছে - এবং তালাক কিংবা বিচ্ছেদের আশ্রয় থেকেও সে নিজেকে সরিয়ে রাখবে। এই মেয়ের সহনশীলতা প্রশংসার দাবীদার। কিন্তু মেয়েটি যদি অবশেষে একবার তার মন স্থির করে ফেলে যে সে কুম্ভটিকে ছেড়ে দেবে, তাহলে ছেড়ে দেবেই। সেক্ষেত্রে কোনকিছু দিয়েই এই মেয়েকে ফেরানো সম্ভব নয়। অর্থাৎ যদি মেয়েটি বিচ্ছেদ এবং চলে যাওয়ার এই পন্থাটি মরিয়া হয়ে সর্বশেষ কৌশল হিসেবে ব্যবহার না করে থাকে। যদি এটা তার কৌশলই হয়ে থাকে, তাহলে তার আস্থা এবং কষ্টের পুরস্কার সে পাবে। কেননা, সাময়িক বিরতি বা বিচ্ছেদ কুম্ভকে তার একঘেয়েমী কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে, এবং পরিবর্তিত দৃশ্যপটে আগ্রহী হতে তাকে বাধ্য করে তোলে। আর এই কৌশলটা কিছু কিছু বৃষ নারী অত্যন্ত সফলতার সাথেই প্রয়োগ করে থাকে।

তাদের শারীরিক সম্পর্কও একই রকম হতাশাব্যঞ্জক এবং অতৃপ্ত থেকে যাবে, যতক্ষণ না বৃষ মেয়েটি কুম্ভ পুরুষের পরিবর্তনপ্রিয় ক্ষেপাটে মানসিকতার সাথে নিজেকে মিলিয়ে নিতে না পারছে। তাদের উপর গ্রহ-নক্ষত্রের ইতিবাচক প্রভাব না থাকলে, বাতাসের মৃদু দোলাতেই তাদের প্রেমের নৌকো উল্টে যেতে পারে, কিন্তু যদি ইতিবাচক সেই প্রভাবটা থাকে সেক্ষেত্রে তারা নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ, ঝগড়ার সময়ও একে অন্যের প্রতি উষ্ণভাবে আসক্ত থাকবে, এবং প্রণয়কাতর চুম্বনে নিজেদের সব বিরোধগুলিও তারা মিমাংসা করে নিতে সার্থক হবে।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE VRISHABHA TAURUS বৃষরাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

বৃষ নারী ও কর্কট পুরুষ

ছোট শিশুকে যেভাবে আদর-ভালোবাসা দেয়া হয়, কর্কট পুরুষ তার সঙ্গিনীর কাছ থেকে ঠিক তেমনি আদর-ভালোবাসা প্রত্যাশা করে। এদিকে বৃষ নারী তার পুরুষ সঙ্গীকে আদর-আহ্লাদ দিয়ে মাথায় তুলতে ওস্তাদ। জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় এই দুটো সত্যকে যোগ করুন, তাহলে ফলাফল কি দাঁড়াবে ? প্রথম দেখাতেই প্রেম ? না, ঠিক ততখানি নয়।

কর্কট কোনকিছুতেই তারাহুরো করে না, এমনকি প্রেমের ক্ষেত্রেও নয়। আর বৃষ নারীও এমন নয় যে, আবেগে উতলা হয়ে প্রেমের গান গাইতে গাইতে প্রণয়ের সমুদ্রে দাঁড়ানো জাহাজটাতে লাফ দিয়ে উঠে পড়বে। অতএব দেখতেই পারছেন, এই দুই রাশির জাতক এবং জাতিকার ভালোবাসার ক্ষেত্রে ‘প্রথম দেখায় প্রেম’ ঠিক তেমন একটা ঘটে ওঠার সুযোগ পায় না।

বৃষ এবং কর্কটের সম্পর্ক বাহ্যত প্রায় নিখূঁত বলে মনে হয়, এবং নিশ্চিতভাবেই এই জুটি যেকোন সাধারণ জুটির থেকে অনেক ভালো একটি জুটি। কিন্তু তাই বলে এই সম্পর্কের মধ্যে যে কোন ভুল-ভ্রান্তি থাকবে না এমন নয়। উদাহরণস্বরূপ উল্লেখ করা যায়, কর্কটদের মা-সংক্রান্ত জটিলতার কথা। কর্কট পুরুষের কাছে তার মা হলো জগতের সব নারীদের মধ্যে আদর্শ এবং অনুকরণীয়। যেটা অনুকরণ করা যেকোন সাধারণ নারীর পক্ষেই একটু কঠিন ব্যাপার। সৌভাগ্যবশত: বৃষ নারী কোন সাধারণ নারী মোটেও নয়, এবং ‘ধৈর্য্যশীলতা’ হলো তার অন্যতম দৃঢ় বৈশিষ্ট্য। অবশ্য, বৃষের ধৈর্য্যেরও একটা সীমা রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই, প্রতিটি কর্কট পুরুষই যে মায়ের আচল ধরে ঝুলে থাকা গোছের তা নয়, কিন্তু, একজন নিখুঁত নারীর প্রতিচ্ছবির মতো হয়ে নিজেকে গড়ে তোলাও কোন সহজ ব্যাপার নয়।

তাদের শারীরিক সম্পর্কটা হবে আদর্শ - কিংবা যতটুকু নিখুঁতভাবে তারা প্রত্যাশা করবে, কিংবা এ ব্যাপারটাকে উৎসাহীত করবে ঠিক ততখানিই নিখুঁত। সৌহার্দ্যপূর্ণতার সব সম্ভাবনাই এক্ষেত্রে বিদ্যমান।

দুজন প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে অনিবার্যভাবেই মাঝে মধ্যে  ঝগড়া-ঝাটি ঘটবে এবং নিজেদেরকে আঘাত (মানসিক) করা থেকে বিরত থাকতেও মাঝে মধ্যে তারা ব্যর্থ হবে। কিন্তু বৃষ এবং কর্কটের জুটিতে মানসিক আঘাতের স্থায়ীত্বটা অন্যান্য জুটির তুলনায় বেশি। এই দুজনারই বোঝা উচিত যে, যেহেতু ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করার প্রবণতা তাদের থাকবে না, তাই অনর্থক আবেগ ঘটিত এই চাপগুলো নিতান্তই সময়ের অপচয়। সেটা যাই হোক, অন্যান্য রাশিদের জুটির তুলনায় এই দুইজনের আপোষ বা মিলমিশ হয়ে যাওয়াটা সাধারণত সহজ হয়। এদের দুজনই প্রশান্তচিত্ত, যে কারণে, শান্তি এবং কোলাহলহীন পরিবেশের তীব্র কামনা তাদেরকে আবার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ফিরিয়ে দেয়।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়ে ভালো হবে—প্রেম, বিয়ে, ব্যবসা ও বন্ধুত্ব।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE VRISHABHA TAURUS বৃষরাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

বৃষ নারী ও মকর পুরুষ

মকর আর বৃষের প্রাকৃতিক সাজুজ্যটা দেখে মনে হয় যে তাদের প্রণয় সম্পর্কটা হবে মখমলের মতো মসৃণ আর জড়তাহীণ। কিন্তু প্রকৃতক্ষেত্রে, এ ধারণা সম্পূর্ণ সত্যি নাও হতে পারে। যদিও তাদের জুটি বা প্রণয়সম্পর্কটা গ্রহ-নক্ষত্রের আশীর্বাদপুষ্ট, কিন্তু এই আশীর্বাদ কেবল নিশ্চিত করে যে, এই জুটি অন্যান্য অধিকাংশ জুটির তুলনায় বেশি ঘাত প্রতিঘাত সহ্য করতে সক্ষম হবে। এর পেছনে তাদের রাশিগত যৌথ সহানুভূতিও কাজ করবে। যেকোন সমস্যা সমাধানে তুলনামূলকভাবে কম তিক্ততার সৃষ্টি হবে, মাঝে মধ্যে একে অন্যকে যে মানসিক আঘাত তারা করবে সেগুলোও হবে তুলনামূলকভাবে কম তীব্র। এবং সাধারণত, দুজনার মধ্যে মিলমিশ হয়ে যাওয়াটা তেমন কঠিণ হবে না। এই দুজনার মধ্যেও বিভিন্ন মতবিরোধ বা সমস্যা দেখা দেবে, কিন্তু একবার দুজন দুজনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে গেলে, খুবই দুরূহ কোন সমস্যা ছাড়া এই দুজনার মধ্যে স্থায়ীভাবে ছেদ তৈরি হবে না।

বৃষ নারী এবং কর্কট পুরুষ দুজনই একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রতিই প্রণোদিত - আর সেটা হলো নিরাপত্তা। আবেগঘটিত এবং আর্থিক নিরাপত্তা। কবি-সাহিত্যিকদের লেখায় দুজন প্রেমিক-প্রেমিকার মাঝে যে ধরনের উঁচু কল্পনার সমাবেশ থাকা আবশ্যকীয় বলে ফুঁটে ওঠে সেই ধরনের কল্পনা প্রবণতা এই দুজনের মধ্যে সাধারণত দেখা যায় না। তারপরও, এই দুজনেরই একটা বিশেষ গুণ রয়েছে, যেটা যেকোন মানবিক সম্পর্কের উৎকর্ষ সাধনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরী - সেটা হলো তাদের ধৈর্য্যশীলতা। তাদের এই যৌথ গুণটি পরিণতিতে আরও তিনটি গুণের উৎপত্তি করে - ত্যাগ, বিশ্বাস এবং আস্থাশীলতা। এই তিনটি যাদুর দণ্ডের মতো মোহনীয় শব্দ যে কোন খাপছাড়া বা আকস্মিক ভালোলাগার মোহকে পরিপূর্ণ এবং স্থায়ী ভালোবাসায় পরিণত করতে যথেষ্ট।

তাদের মধ্যে যৌন সম্পর্কের ব্যাপারে একটা কথাই যথেষ্ট: ‘ভালোবাসাহীন শারীরিক সম্পর্ক শরীরকে কেবল আঢ়ষ্ট করে তোলে। আর শারীরিক সম্পর্কহীন ভালোবাসা কামনা-বাসনাকে অতৃপ্ত করে রাখে।’

প্রায়ই এটা মনে হয় যেন মকর পুরুষ কেবলই পার্থিব কিছু বৈশিষ্ট্য, যেমন, স্বার্থপরতা, শীতলতা, বৈষয়িকতা আর উচ্চাকাঙ্খার সমন্বয়ে গঠিত একটা যন্ত্র। অন্যদিকে, বৃষ নারীকেও যেন মাঝে মধ্যে মনে হয় যে সে কেবলই সাধারণ জ্ঞাণ, একগুঁয়েমী, উচ্চাকাংঙ্খা আর পুরোন  স্বভাবের সমন্বয়ে গঠিত একটা যন্ত্র। কিন্তু তাদের এইসব বৈশিষ্ট্যগুলো যে কেবল নিজেদের ভালোবাসাকে দূরে সরিয়ে রাখার মুখোশ মাত্র, সেটা তারা জানে। আর কোন এক অদ্ভুত কারণবশত এই দূরত্বই তারা কামনা করে।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়ে ভালো হবে—প্রেম, বিয়ে, ব্যবসা ও বন্ধুত্ব।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE VRISHABHA TAURUS বৃষরাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

বৃষ নারী ও মিথুন পুরুষ
 
বৃষ নারী শান্ত, স্থির, বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন। সে নিজের সমস্যা নিয়েই একাগ্র থাকতে চেষ্টা করে। বলা বাহুল্য যে, তার বিস্ময়কর মানসিক দৃঢ়তা এবং তার অটল সহ্যশক্তির সাথে আলোর ঝলকের মতো ক্ষিপ্রতাসম্পন্ন জমজ পুরুষটির (জমজ বলতে দুইজন ভিন্ন চরিত্রের মানুষ একটি ব্যক্তি শরীরের আড়ালে লুকানো, যে ব্যাপারটাকে জ্যোতির্বিজ্ঞানে মিথুন বলে নামকরণ করা হয়েছে) প্রণয় সম্পর্ক তেমন ইতিবাচক সম্ভাবনা রাখে না।

জীবনের রাজপথে যে বাঁকেই এসে এই দুজন (মিথুন পুরুষটির ভেতর অদৃশ্য দ্বিতীয় স্বত্তাটিকে গণনা করে - তিন জন) মিলিত হোক না কেন, তারা ঠিক ঠিক এমন এক মোড়ে এসে পৌছাবে যেখানে তারা বাধ্য হবে কোন একটি পথ বেছে নিতে। একটি পথ হলো  স্বস্তিদায়ক, গতানুগতিক বিয়ের সম্পর্ক। আর অন্যটি হলো খাপছাড়া প্রণয়সম্পর্ক, যে সম্পর্কের মধ্যে হৃদয়ের কোন যোগাযোগ নেই।

বৃষ নারী যখন নিশ্চিত যে সে মিথুন পুরুষটির প্রেমে পড়েছে, তখন প্রথমে তার সমগ্র শক্তি প্রয়োগ করে মিথুনটিকে একটি চিরস্থায়ী, আইনত এবং সমাজগত সম্পর্কের বন্ধনে রাজী করাতে চেষ্টা করবে। অন্যদিকে, মিথুন পুরুষ একই নারীর সাহচর্যে দ্রুত বিরক্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু এটা যে পরকীয়ার ইঙ্গিত তা কিন্তু নয়। সে শুধু চায়, যে মেয়েটিকে সে ভালোবাসে তার বিভিন্ন রূপগুলো দেখতে - অনেকটা যেন ট্রিক মিরর (প্রহেলিকাময় আয়না)-এর ভেতর দিয়ে প্রেয়সীর লুকানো আবেগ বা ভাবগুলো দেখে নেয়ার মতো। কিন্তু বৃষ নারীর কেবল তিনটি ভাব বা মানসিক অবস্থা রয়েছে মিষ্টি, প্রণয়কাতরভাবে তৃপ্ত, গম্ভীরভাবে বিষণ্ণ - এবং ভয়ঙ্করভাবে রাগান্বীত। মিথুন পুরুষটি হয়তো সূপ্তভাবে মেয়েটির এই ভাবাবেগগুলোর মাঝে আবেগী খেয়ালীপণা, চপল উত্তেজনা, কিংবা রাগ-অনুরাগ মিশ্রিত বৈচিত্র প্রত্যাশা করে। মেয়েটি হয়তো পরিবর্তনকে ঘৃণা করে, কিন্তু নতুন নতুন বিষয়ের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়াই হলো মিথুন পুরুষের সঙ্গিনী হিসেবে টিকে থাকার আবশ্যকীয় প্রয়োজন। কিন্তু মিথুনের দ্বৈত বাসনাগুলো কখনই একটি স্থির একক  স্বপ্নে রূপান্তরিত হয় না এবং বৃষ মেয়েটির মনে নির্ভরযোগ্যতার কোন  স্বস্তিও রাখতে পারে না। একই সমস্যা, অর্থাৎ পরিবর্তন-বনাম-একগুঁয়েমি ঘনিয়ে আসে তাদের ভালোবাসার শারীরিক বহিঃপ্রকাশে। তাদের মধ্যে বিপরীত বা বিরূপ বিষয়ের আলোচনা যথেষ্ট হয়েছে। কিন্তু, মনে রাখা জরুরী যে কোন কিছুই অসম্ভব নয়।

মিথুনেরা সবসময়ই সংক্ষিপ্ত-সোজা পথ খুঁজে বেড়ায়। দ্বৈত ব্যক্তিত্বধারী মিথুনদের জন্যে বৃষ নারীদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার একটা সোজ পথ এখানে উল্লেখ করা গেল। আপনাদের দুজনার মধ্যে সমস্যার সবচেয়ে সাধারণ যে কারণ, সেটা হলো - বৃষসুলভ উপলব্ধির প্রবণতা, যখন বৃষের বরং চিন্তা করা উচিত, আর আপনার চিন্তা করার প্রবণতা, যখন বরং উপলব্ধি করা উচিত। আপনার বৃষ প্রিয়তমাকে নিজের প্রখর বুদ্ধিমত্তা দিয়ে হতবুদ্ধি করে দেবার থেকে বরং তাকে উষ্ণ আলিঙ্গন দিয়েই আবিষ্ট করে তুলুন।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়ে ভালো হবে—বন্ধুত্ব।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE VRISHABHA TAURUS বৃষরাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

বৃষ নারী ও সিংহ পুরুষ

বৃষ নারী এবং সিংহ পুরুষের জুটিতে সমস্যা এবং টান টান চাপা উত্তেজনা বিরাজ করবে, যেটা এই দুজনার সামনে একটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়, কিন্তু একই সাথে এই সম্পর্ক অন্যান্য জুটিদের তুলনায় আরও সমৃদ্ধভাবে উপভোগ্য, যদি এই চ্যালেঞ্জটাকে সাহসীভাবে মোকাবেলা করা হয়, এবং জয় করা হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞান সিংহ জাতকদের ‘রাজা-অধিরাজা’-এর সাথে তুলনা করে থাকে। কোন সিংহ জাতকের মধ্যে ‘রাজা’-উপাধি পাবার মতো ততটুকু আবেগী ভারসাম্যতা থাকুক কিংবা নাই থাকুক, এই পুরুষদের মধ্যে তাদের চারপাশের মানুষ, এবং নিশ্চিতভাবেই নিজের সঙ্গিনীকে শাসন করার একটা ব্যক্তিগত অভিলাষ লক্ষ্য করা যায়। বৃষ নারী তার সহজাত প্রবৃত্তি অনুসারেই নিজের পুরুষ সঙ্গির কাছে সমর্পনে আগ্রহী, এবং চিরকালের জন্যে বিশ্বস্ততা নিয়ে তার সাথে জীবন কাটাতে আগ্রহী। কিন্তু কেউ তাকে শাসন করবে - এটা তার কাছে অনেকটা তাকে চালিত করার মতো সন্দেহজনক বলে অনুভূত হয়। যদিও বৃষ নারী গভীর, স্থায়ী ত্যাগ এবং উষ্ণ ভালোবাসা দিতে সক্ষম, কিন্তু তারা খাপছাড়া প্রশংসা করতে একদমই অপারগ, কেননা তাদের কাছে তোষামোদের কোন মূল্য নেই, আর তারা মনে করে পূজা-অর্চনা দূর্বল-স্নায়ুদের জন্যে। কিন্তু প্রতিটি সিংহ জাতকই যেহেতু প্রশংসা দাবী করে, তারা তোষামোদিত হতে এবং পূজনীয় হতে ভালোবাসে, অতএব বোঝাই যাচ্ছে এই দুজনের সম্পর্কের মাঝে কোন জিনিসটার অভাব রয়েছে।

যদিও এই পুরুষের মেজাজ অনস্বীকার্যভাবেই প্রভুত্বপরায়ণ এবং ফলত মাঝে মধ্যে তার মধ্যে স্বৈরাচারি মনমানসিকতা লক্ষ্য করা যায়, কিন্তু কোন ঝগড়া বা বিবাদের পরে, সেই আবার হয়ে ওঠে অত্যন্ত ভদ্র এবং মহানুভব। তার সিংহসুলভ উদার মানসিকতার দরূণ এটা তার জন্যে খুবই স্বাভাবিক যে মিমাংশা করে নিতে সে চুম্বন করতে উদ্যত হবে। মৌখিক ক্ষমা প্রার্থণায় সে তেমন পটু নয়, কেননা সেটা তার আত্মগরিমাকে খর্ব করে। কিন্তু সে যে সত্যই তার আচরণের জন্যে দুঃখিত সেটা সে বিভিন্ন প্রণয়কাতর ভঙ্গি এবং অভিব্যক্তির মাধ্যমে ঠিকই বুঝিয়ে দেবে। আর এ কারণে এই দুইজন কথোপকথনের তুলনায় যৌন সাংসর্গেই নিজেদের সমব্যথা এবং যৌথ শান্তির অনুভব বেশি উপভোগ করতে পারে।

বৃষ নারীর সাথে ঝগড়ার পর তার সাথে মিলমিশ হয়ে যাবার একমাত্র উপায়টা মাঝে মধ্যে ভালোবাসার শারীরিক এবং স্পর্শযোগ্য অভিব্যক্তির মধ্যেই লুকিয়ে থাকে। ফুলেল রোমান্টিক কথোপকথন, বা প্রশংসা বাক্য, কিংবা প্রোরচনাময় তর্কের মাধ্যমে এই মেয়ের মন গলানো সম্ভব নয়, সে পাথরমুখো হয়ে বসে থাকবে। বস্তুতঃ দীর্ঘস্থায়ী কথোপকথন তাকে বিরক্ত করে তোলে, কেননা সে মূলত তার চেতনা দিয়েই উপলব্ধি করতে ভালোবাসে। বৃষ চায় সক্রিয় পদক্ষেপ, শব্দের সম্ভার নয়। অতএব মেয়েটি সিংহ পুরুষের প্রণয়কাতর পদক্ষেপগুলোকে সুন্দরভাবে গ্রহণ করবে, এবং এটা তাদের দুজনের জন্যেই ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

তাদের দুজনার মধ্যে সবসময়ই সেই ক্ষণিক টান টান উত্তেজনাময় মূহুর্তগুলো ফিরে আসবে। কিন্তু পারস্পরিক যে শ্রদ্ধাবোধটি তাদের মধ্যে কাজ করে সেটা তাদের ভিন্ন ভিন্ন মনোভাবের মাঝেও দুজনকে অপ্রত্যাশিতভাবে কোমল এবং আরামদায়ক একটা উষ্ণতায় জড়িয়ে রাখবে।

এই ছেলে এবং মেয়েটি নিজেদের আবেগের ভারসাম্য বজায় রাখার পথে যতো বাধা-বিঘ্নের সমুখেই পড়ুক না কেন, তারা নিজেদের পাশে সবসময়ই বিশ্বস্তভাবে এসে দাঁড়াবে, প্রয়োজনে সমগ্র বিশ্বের বিরুদ্ধেও। যখন ভাগ্য তাদের জন্যে বয়ে নিয়ে আসবে দুঃখ আর দুর্দশা, এদের কেউই বিশ্বস্ততার পরীক্ষায় ব্যর্থ হবে না।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE VRISHABHA TAURUS বৃষরাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

বৃষ নারী ও তুলা পুরুষ

তুলা পুরুষেরা মাঝে মাঝে এমন আচরণ করে যে মনে হয় তারা যেন জীবন থেকে প্রতি বিন্দু জ্ঞাণের আহরণ করতে চেষ্টা করছে আর বেস্ট সেলার বই পড়ে, বুদ্ধিমান ব্যক্তিত্বের সংস্পর্শে থেকে, ভালো ছবি, নাটক এবং কনসার্ট দেখে প্রতি বিন্দু আনন্দ শুষে নিচ্ছে...আর অন্যান্য আরও কিছুর সঙ্গে শুষে নিচ্ছে পার্টিতে সুন্দরী মেয়েদের প্রশংসাটুকুও।

বৃষ নারী ঘরে থাকতেই বেশি পছন্দ করে, শীতের দিনে চুলোর আগুনের পাশে সে আরামবোধ করে, অবশ্য সামাজিকতা রক্ষায় সপ্তাহে এক আধবার বাইরে যেতে তার আপত্তি নেই। তাই বলে, কিন্তু দৌড়-ঝাপ করে ঘুরে বেড়ানো তার জীবনের সাথে খাপ খায় না। তার আগ্রহ অন্যান্য ব্যাপারে, এবং সে আগ্রহের অধিকাংশ জুড়েই দুজনার একাত্মতার প্রত্যাশা...শুধু তারা দুজন...কোন বনপথে হেটে বেড়াবে...গ্রীস্মের রাতে তাবু টাঙ্গিয়ে জঙ্গলে শুয়ে থাকবে...নিজেদের ঘরটাকে সাজাবে গোছাবে...আর বর্তমানটাতে নিজেদের  স্বাভাবিক জ্ঞাণবুদ্ধির প্রতিফলন ঘটিয়ে নিরাপদ ভবিষ্যত গঠণ করবে, গ্রামে একটা সুন্দর বাড়ি কিনবে, আর শহরের এই পাগলাটে হই হুল্লোর ছেড়ে চলে যাবে। এ্যাপার্টমেন্টের বদ্ধ পরিসরে বসবাসের জন্যে তার জন্ম নয়। তার জন্ম হয়েছিল সজীব বাতাসে শ্বাস নিতে...গাঁয়ের মেঠো পথ ধরে প্রিয় পুরুষের হাতে হাত রেখে হেঁটে বেড়াতে... শস্য আর খড়ের গাদার হরিদাভ আলোয় চোখ জুড়াতে...।

অন্যদিকে, প্রতিটি তুলা পুরুষই যে নারীসঙ্গ আসক্ত তেমন নয়। কিন্তু তারপরও, তাদের অনেকেরই নামের আগে প্লেবয় খেতাবটা জুড়ে দেয়া যায়। কিন্তু তুলা পুরুষেরা হোক প্লেবয় গোছের, কিংবা নাই হোক প্লেবয় গোছের, তারা তাদের বুদ্ধিমত্তাকে সবসময়ই তীক্ষ্ণ এবং ধারালো রাখতে আগ্রহী। আর এই কাজটি করতে তারা সবসময়ই বন্ধুবাৎসল্য বজায় রাখে। অতএব, বৃষ মেয়েটি যদি তার কল্পনা এবং আগ্রহের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই পুরুষটির সঙ্গ উপভোগ করতে চায়, তাহলে তাকে প্রতিটি বিরতিতেই মেলামেশার গুণটি অর্জন করে নিতে হবে। তুলা পুরুষটি হয়তো প্রাচীন সভ্যতার উপর বই পড়তে আগ্রহী হবে, কিংবা কোন একটি শৈল্পিক চর্চায় আগ্রহী হয়ে উঠবে, শিক্ষাগত যোগ্যতার বিকাশে আরও দুই একটি ডিগ্রি নিতে পড়াশুনা শুরু করবে, এমনকি, মাঝে মধ্যে ধোয়ায় আচ্ছন্ন সেই সব নাইটক্লাব, কিংবা ডিজে ড্যান্স পার্টিতেও আনাগোনা করতে পারে। কিন্তু যেখানে এবং যেভাবে এই পুরুষটি মেলামেশার এই অবাধ পরিবেশের দিকে অগ্রসর হোক, বৃষ মেয়েটিকে সবচেয়ে সুন্দর পোশাকে সেজে গুজে ঘরের অন্দরমহল থেকে দ্রুত প্রবেশ দরজার বাইরে চলে আসতে হবে। এবং বলাই বাহুল্য, তার প্রিয়তমর হাতে নিজের হাতটা চাপিয়ে দিতে হবে - কোন নিঃশব্দ অসন্তোষ ছাড়াই।

হয়তো তুলা পুরুষটির মতো বৃষ মেয়েটি এতো হৈহুল্লোর পছন্দ করতে পারবে না, কিন্তু তাকে সেটা পছন্দ করার ভান করতে হবে, যদি তার প্রত্যাশা থাকে যে কোন একদিন তার এই ধৈর্য্যের সুফল আসবে, এবং তারা দুজন টাঙ্গাইলের কোন এক খামাড় বাড়ি কিনে নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করবে। তুলাটির সাথে এ ব্যাপারে তার চমৎকার কৌতুকবোধের পরিচয়ও দেয়া উচিত। কেননা, আগামীকালটা হয়তো সুন্দর হবে, তাই না? হয়তো সুন্দর হবে, যদি তাদের জন্মকুষ্ঠিতে গ্রহ-নক্ষত্রের ইতিবাচক প্রভাব থেকে থাকে। আর নয়তো হতেও পারে ভবিষ্যতটা তেমন সুন্দর নয়। কিন্তু কোনকিছুই নিখুঁত নয়। আর এটাই কি তাদের দুজনার কাছে দুজনার প্রতিশ্রুতি নয়? দুজনার সুন্দর ভবিষ্যত - কিংবা অসুন্দর ভবিষ্যত - তারা দুজনই নিয়ন্তা।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়ে ভালো হবে—ব্যবসা ও বন্ধুত্ব ।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE VRISHABHA TAURUS বৃষরাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

বৃষ নারী ও ধনু পুরুষ

বৃষ নারী উপযুক্ত কারণেই ধনু পুরুষের প্রেমে পড়ে। ধনুর মধ্যে আছে আদর্শবাদী মনোভাব, বৃষ মেয়েটির যখন মন খারাপ থাকে, ধনুটি তখন আনন্দচিত্তে তাকে সঙ্গ দেয়, সে কুশলী বক্তা, একজন স্বাপ্নিক, দার্শনিক, একজন বিচক্ষণ ব্যবসায়ী - এবং অন্তরে অন্তরে সে একটা ছোট ছেলে যার আদর ভালোবাসা এবং যত্ন প্রয়োজন। ধনুর উদ্দীপণাময় প্রাণশক্তিটা ছোঁয়াচে প্রকৃতির। আর বৃষ নারীর মনে এরকম একজন পুরুষের প্রভাব পড়লে সেটা উপেক্ষা করা তার পক্ষে সম্ভব হয় না।

যদিও ধনু পুরুষেরা প্রণয়ে সততা এবং আন্তরিকতার যথেষ্ট প্রমাণ রাখে, কিন্তু সঙ্গিনীর অনুভবের ব্যাপারে তার পক্ষ থেকে অনেক ক্ষেত্রেই যথেষ্ট সংবেদনশীলতার অভাব দেখা যায়। তারপরও, বৃষ মেয়েটি যদি ধনু পুরুষটির খোলামেলা কথার তীব্র এবং বিষাক্ত তীরগুলোকে উপক্ষো করতে পারে তাহলে, সে ধনু পুরুষটির এমন কিছু বৈশিষ্ট্য উদঘাটনে সার্থক হবে, যেগুলো একজন অল্পতেই রেগে যাওয়া মেয়ে কিংবা অল্প ধৈর্য্যরে মেয়ের পক্ষে জানতে পারা সম্ভব নয়। ধনু পুরুষ যখন এমন একজন মেয়েকে সঙ্গি হিসেবে পায়, যে মেয়ে তাকে যথেষ্টভাবে বুঝতে পারে, এবং তাকে ভালোবাসে এবং বিশ্বাস করে, তখন এই পুরুষটির  স্বভাব প্রকৃতি চরম উৎকর্ষ সাধন করবে। ভালোবাসা পেলে এবং তার  স্বপ্নগুলোর প্রতি বিশ্বাস রাখলে, ধনু পুরুষটি যেমন উদ্দীপ্ত প্রেমিক এবং একইসাথে একজন একান্তভাবে অনুরক্ত  স্বামী হয়ে উঠতে পারে - তেমন নিদর্শন অন্যান্য অনেক পুরুষদের মধ্যেই অবর্তমান। এই ছেলের এমন একজন সঙ্গিনী প্রয়োজন যে মেয়ে তার সব  স্বপ্নেই বিশ্বাস করে, এবং যে তার  স্বপ্নগুলোর বেলুনের গায়ে সন্দেহ এবং অভিযোগের সূচ দিয়ে ক্রমাগত ফুটো করে না।

ধনু ছেলেটির একজন উৎফুল্ল সঙ্গিনী প্রয়োজন যে তার সাথে পুল খেলবে, এমন একজন সঙ্গিনী যে স্বকীয়  স্বাধীনতাবোধ দিয়ে তাকে একরকম চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে দেবে, যে মেয়ে তার বিভিন্ন ধারণাগুলোকে উৎসাহীত এবং উদ্দীপ্ত করে তুলতে সক্ষম, এবং যে মেয়ে তাকে যথেষ্ট  স্বাধীনতা দেবে এবং একই সাথে তাকে উপর্যুপরি ভালোবাসা এবং অনুরাগের আচ্ছাদনে সবসময় জড়িয়ে রাখবে। যেকোন মেয়ের জন্যেই এতোগুলো প্রয়োজন মেটানো দুঃসাধ্য ব্যাপার, কিন্তু বৃষ নারীর পক্ষে হয়তো সেটা সম্ভব, কেবল ধনুটির সাথে বিভিন্ন ধারণা নিয়ে উদ্দীপ্ত আলোচনার বিষয়টি বাদ দিলে। এই মেয়ে নিঃসন্দেহে স্মার্ট (হয়তো একটু বেশিই স্মার্ট) কিন্তু যতোটা ভালো শ্রোতা সে - ততটা চতুর বক্তা কিংবা উদ্দীপ্ত তর্কবাগিশ হয়তো সে নয়। সে উষ্ণ এবং বিচক্ষণ প্রকৃতির একটি মেয়ে, তারপরও, নিজের অনুভব উপলব্ধিগুলো প্রকাশ করা তার জন্যে তেমন সহজ হয়ে ওঠে না। নিজের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ সে কেবল তার স্পর্শ দিয়েই প্রকাশ করতে সক্ষম।

নিজেদের স্বভাবগত পার্থক্য এবং একে অন্যের শারীরিক ক্ষুধার বিষয়গুলো বুঝবার চেষ্টা করলে তাদের শারীরিক মিলন হয়তো বেশ সুন্দর হয়ে উঠবে।

ধনুর যখন প্রয়োজন বৃষের সহমর্মীতা তখন যদি মেয়েটি তার শীতল নির্লিপ্ততাকে বিসর্জন দিতে পারে, কিংবা যখন নিজের পরিকল্পনা মতো কোন কিছু না ঘটায় ধনু রাগে উন্মাদ না হয়ে ওঠে যদি নিজের রাগকে দমাতে সক্ষম হয় - শুধু সেক্ষেত্রেই এই দুইজন সুখের সন্ধান পেতে সক্ষম। একটা বিষয় তাদের মনে রাখা উচিত: ‘ইন এবং ইয়ং এর শক্তির মতোই মিথ্যে অহংকার সত্যিকার ভালোবাসাকে বিকর্ষণ করে।’ (ইন ও ইয়ং শক্তি: দ্রষ্টব্য: চাইনিজ দর্শনত্বত্ত)

এই জুটির মধ্যে সবচেয়ে ভালো হবে—বন্ধুত্ব ।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE VRISHABHA TAURUS বৃষরাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

বৃষ নারী ও বৃশ্চিক পুরুষ

বৃষ নারী বৈষয়িক মানসিকতাসম্পন্ন। সে উড়নচন্ডি ধরনের নয়, নয় আবেগকাতর, কিংবা আকাশ-কুসুম  স্বপ্ন দেখার পাত্রি। তার স্থির হৃদয়ে, ভালোবাসা বা অনুরাগ খুব দ্রুত জেগে ওঠার সুযোগ নেই। এটা অল্প অল্প করে পরিপূর্ণতায় বিকশিত হয়। কিন্তু একবার যখন তার মনে কাউকে লেগে যায়, যখন সে বুঝতে পারে যে একজন বিশেষ পুরুষের চুলের গন্ধ সে আলাদা করে চিনতে পারে, কিংবা তার কণ্ঠ স্বর শুনে বুক কম্পিত হতে শুরু করে, কিংবা তার হাসি বা হাটার ভঙ্গি দেখে সে পুলকিত হয়, যখন পুরুষটি তার হাত ধরে, তখন তার ভেতরে শিহরণ খেলে যায়, তখন এই বৈষয়িক মেয়েটার সব বৈষয়িক চেতনাগুলো অনির্দিষ্ট কালের জন্যে স্থগিত হয়ে পড়ে। বৃষসুলভ পার্থিব স্থিরতা বা বৈষয়িকতা  স্বত্তেও, এই মেয়েটি ভালোবাসায় পতিত হলে অত্যন্ত নরম হয়ে যায় - আর তার এই নম্রতা অনেক বেশি মাত্রার।

যেহেতু সে একটি স্থির রাশির জাতিকা হয়ে জন্ম নিয়েছে, অতএব একবার যদি সে তার  স্বপ্নপুরুষের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রেমিককে খুঁজে পায়, যার জন্যে সে এতো দিন অপেক্ষায় ছিল (কখনও কখনও কয়েক বছর যাবৎ), তাহলে সে তার মন আর পরিবর্তন করবে না। আর এই পুরুষটি যদি হয় বৃশ্চিক, তাহলে মেয়েটি নিশ্চিন্তে ছেলেটির বিশ্বস্ততাকে নিজের সমকক্ষ বলে ভেবে নিতে পারে (যদি না তাদের জন্ম কুষ্ঠিতে কোন গুরুতর কু প্রভাব না থেকে থাকে)। বৃষ মেয়েটি হয়তো অধিকারপরায়ণ, কিন্তু সেটা ঠিক হঠাৎ করে অকারণ ঈর্ষাকাতরতায় ফেটে পড়ার মতো মতো কিছু নয়। বৃষেরা ঈর্ষাকাতর নয়। ঈর্ষাকাতরতা এমন এক আবেগ, যে আবেগের জন্ম হয় মূলতঃ কোন না কোন ধরনের নিরাপত্তাহীনতা থেকে। আর অধিকারপরায়ণতা দিয়ে বলা হচ্ছে যে বৃষ নিজের সম্পদ বা সম্পত্তির মালিকানায় যে গর্ববোধ করে এবং যে ত্যাগ  স্বীকার করে - সে কথা, হোক সেই সম্পদ তার প্রেমিক পুরুষ, কিংবা সেই সম্পত্তি তার হাতে বোনা বিছানার চাদর।

যখন বৃশ্চিক পুরুষ তার সঠিক সঙ্গিনীটিকে খুঁজে পাবে, তখন শারীরিক সম্পর্কের প্রতি তার ধারণাটা তীব্র হলেও হবে খাঁটি, এবং সেখানে বৃশ্চিকসুলভ অভিজ্ঞতার বশে বহুগামীতার কোন চিন্তা থাকবে না। অতএব, জ্যোতিশ্রাস্তে উল্লেখিত এ সংক্রান্ত বদনাম  স্বত্তেও, সত্যিকার ভালোবাসার ক্ষেত্রে এই পুরুষটি অন্যান্য পুরুষদের তুলনায় বেশি বিশ্বস্ত থাকে, এবং যদি সেই সত্যিকার প্রেমটা হয় বৃষ নারীকে ঘিরে তাহলে অবিশ্বস্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই বললেই চলে। বৃষ নারী অন্যান্য যে কোন নারীর থেকেই অনেক পরিস্কারভাবে বৃশ্চিক পুরুষের ভেতরে জ্বলজ্বলে আর তীব্র সেই কামনাকে উপলব্ধি করতে সক্ষম, আর একই তীব্রতা নিয়ে নিজের ভালোবাসার শারীরিক প্রকাশেও তার জুড়ি নেই।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়ে ভালো হবে—যৌনসঙ্গ।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE VRISHABHA TAURUS বৃষরাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

বৃষ নারী ও বৃষ পুরুষ

বৃষ নারীর কাছে বৃষ পুরুষের মতো এতো প্রিয় আর কোন কিছুই হতে পারে না। বৃষ নারীর মনে ইতিমধ্যেই একটা তীব্র আকর্ষণ তৈরি হয়েছে। সেই মহান প্রেমিক, যারা নগ্নপায়ে সারাদিন অলসভাবে খোলা প্রান্তরে ঘাসের পরে শুয়ে থেকে সময়গুলো কাটিয়ে দেয়, ভালোবাসার মালা গাঁথতে থাকে, আর গিটার বাজাতে থাকে, তাদের প্রেমের শিহরণে কাঁপুক না হয় অন্য সব মেয়েরা। এই মেয়েকে বরং একজন বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন বৃষ পুরুষ দিন, যার পায়ে এক জোড়া পরিচ্ছণ? জুতো রয়েছে। কেননা যখন সে এই মেয়ের গলায় ভালোবাসার মালা জড়িয়ে দেবে, তখন সে মালায় শুকনো কফির দানা না থেকে বরং সত্যিকার জুয়েলারি দোকানের অলংকারই থাকবে, আর সেই অলংকারের টাকাও পূর্ণ পরিশোধ করা থাকবে। যদি তাকে গিটার বাজাতে দেখা যায়, তাহলে সেটা কেবল ছুটি উপভোগ করার জন্যে কোন এক গ্রীস্মের রাতে সুন্দরবনের জঙ্গলে চাঁদের দিকে চেয়ে ‘আহা আহা’ হাপিত্তেস করার নিতান্ত যন্ত্র না হয়ে বরং রুজি রোজগারের অবলম্বন হয়ে উঠবে সেটা নিশ্চিত।

এই দুজনের মধ্যে প্রচুর মিল রয়েছে। যেমন, মেয়েটি নিজের পার্সে রক্ষিত টাকাগুলোর ব্যাপারে মোটেও অসচেতন নয়, আর ছেলেটিও নিজের মানিব্যাগ দুহাতে শক্ত করে ধরে রাখে। যেহেতু তারা দুজনই প্রকৃতিমাতার প্রতি ভীষণ অনুরক্ত, তাই তারা সবুজ বস্তুগুলো বপণে প্রবল আগ্রহী, এবং যৌথ তহবিল কিংবা সমবায় সমিতির টাকার মতো ওই সবুজ বস্তুগুলোর বেড়ে ওঠা দেখতে তাদের দুজনেরই ভালোলাগে।

সঙ্গীত শিল্পেই হোক, কিংবা চারুকলা সম্বন্ধীয় ব্যাবসাতেই হোক, বা ব্যাংকিং, রাজনীতি কিংবা যেকোন কিছু হোক, দুজনের যৌথ উদ্দ্যোগে নিজেদের ভবিষ্যত গড়ে তোলার যে ইচ্ছা এ দুজনের মধ্যে বিদ্যমান, সে ইচ্ছা পূরণে যদি কোনভাবে পুরুষ বৃষটির কিছুটা বেশি সময় লাগেও, ক্ষতি নেই। মেয়ে বৃষটি ঠিক তার মতোই ধৈর্য্যশীল। খুব সম্ভব ছেলে বৃষটিকে আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্যে বছর দু এক চাকরি করতে মেয়ে বৃষটি অসম্মত হবে না, তবে শর্ত হলো, ছেলে বৃষটিকে এই সময়টাতে তার উদ্দেশ্যের পিছনে লেগে থাকতে হবে এবং ক্রমাগত উন্নতির  স্বাক্ষর রাখতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বৃষ মেয়েটি কোন অভিযোগ ছাড়াই অপেক্ষা করবে। এই সবই চমৎকারভাবে সুন্দর শোনাচ্ছে, তাই নয় কি? তারা দুজনা কেবল দুজনেরই জন্যে - এবং এই সম্পর্ক অভঙ্গুর।

এই দুজনার সম্পর্কে প্রথম যেটা ধারণা করা যায়, সেটা হলো তারা দৃঢ়ভাবে একে অন্যের প্রেমে পড়েছে। দ্বিতীয়ত, তারা কোন কাজীর সমুখে একে অন্যের দিকে শান্তভাবে তাকিয়ে রয়েছে, এবং বিরবিরিয়ে বলছে, ‘কবুল’। তৃতীয়ত, যেই কিনা তাদের হানিমুন শেষ অমনি তারা দুজনেই একে অন্যকে অসম্মতি ব্যক্ত করে বলছে, ‘আমি এটা করবো না।’

এই দুজনের ভালোবাসার সম্পর্কের মাঝে অনেক সময়ই এমন হবে যে তারা নিজেদের জীদ ধরে রাখবে, এবং অন্যের দৃষ্টিভঙ্গিটা কী সেই চিন্তা মনে আশ্রয়ই দেবে না। ফলত তারা আবেগীভাবে এবং মানসিকভাবে ভুল ধারণার অন্ধ পথে ধাবিত হয়। এবং নিজেদের মধ্যে ভাবের আদান প্রদানও তাদের জন্যে কঠিন হয়ে ওঠে। তারপরও, বৃষদের চমৎকার সব গুণাবলির একটি হলো যে কোন হতাশাকে ঘাঢ় থেকে ঝেড়ে ফেলে আবার সতেজ উদ্দীপণায় জেগে ওঠা, এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেয়া। যেটা বৃষ একবার শিখে ফেলে, সেটা তারা কখনই ভোলে না। কখনই না। এই দুজন বৃষ যদি একবার নিজেদের প্রতি ক্ষমাসুলভ আচরণটা শিখে নিতে পারে (যেটা বৃষদের জন্যে মোটেও সহজ কাজ নয়) তাহলে তারা নিজেদের হাত দুটো সমগ্র জীবন শক্ত করে আকঢ়ে ধরে রাখতে সক্ষম হবে (বৃষেরা অবশ্য সবকিছুই খুব শক্তভাবে আকঢ়ে রাখে) এবং ভুল ধারণার অন্ধ পথ থেকে বেড়িয়ে আসারও পথ খুঁজে পাবে।

যৌন মিলন, অবশ্য, কেবলই মানব সম্পর্কের আরেক ধরনের অভিজ্ঞতা, কিন্তু সেটা বৃষ প্রেমিক-প্রেমিকাদের জন্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তাদের প্রাথমিক আকর্ষণের মূলে রয়েছে তীব্র শারীরিক আকর্ষণ। মানসিক এবং আবেগের মিশ্রিত অনুভবটা আসে তার পরে। সাধারণভাবেই, আকর্ষণের এই ধারাবাহিকতাটি আদর্শ প্রণয়ের সূত্র নয়, কিন্তু বৃষ নারী, এবং বৃষ পুরুষের মধ্যে এটা বেশ চম]কারভাবে সফল হতে দেখা যায়।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়ে ভালো হবে—যৌনসঙ্গ।

Thumbs up

Re: LOVE FRIENDSHIP MARRIAGE VRISHABHA TAURUS বৃষরাশির প্রেম বন্ধুত্ব বিয়ে

বৃষ নারী ও কন্যা পুরুষ
 
এই দুজনার কেউই সহজে রাগান্বিত হয় না আর হলেও সেটা তেমন প্রায়শ ঘটে না। তাদের দুজনেই খুব শান্ত এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ মেজাজের মানুষ। তারপরও বৃষ নারী যখন রেগে যায়, তখন তার রাগের মাত্রাটা হয় ভয়ঙ্কর, যদিও এরকম রেগে ওঠার সংখ্যা খুবই কম, কিন্তু মনে রাখবেন, তার রাগের গভীর চিহ্ন আপনার মনে ক্ষত এঁকে যাবে। আর কন্যা যখন অবশেষে রাগান্বিত হয়ে ওঠে, তখন সাধারণত সেটা কিছুটা অগভীর এবং বাহ্যিক অনুভূতির তীব্রতারই প্রকাশ মাত্র, এবং তার মনের গভীরে এ সংক্রান্ত কোন দাগ বা চিহ্ন থাকবে না। তবে দুঃশ্চিন্তার বিষয়টা আলাদা। কন্যা পুরুষ দুশ্চিন্তাপ্রবণ, তবে সেটা যে তার হৃদয়ের গভীরে তোলপার ঘটাবে তেমন নয়। কন্যা পুরুষেরা সাধারণত কঠিন পরিশ্রমেও তৃপ্ত, এবং বিনয়ি।

বৃষ মেয়েটিকে মনে রাখতে হবে যে, কন্যাদের কাছে বিবাহিত জীবনটা  স্বাভাবিক কোন অবস্থা নয়, যদিও বিবাহ-বন্ধনকে একটা শৃঙ্খলে পরিণত না করে বরং উষ্ণভাবে উপভোগ্য একটি সম্পর্কে পরিণত করার ক্ষেত্রে বৃষ নারীর মতো এতো দক্ষ অন্য নারী খুঁজে পাওয়া বিরল। যতক্ষণ না বৃষ মেয়েটি কন্যা পুরুষটির উপর প্রবল অধিকারপ্রবণতার প্রদর্শণ না করছে, ততক্ষণ কন্যা পুরুষটি বরং বৃষমেয়েটির হাতের মুঠোতেই থাকবে। এই পুরুষকে প্রচুর  স্বাধীনতা দেবার দুঃশ্চিন্তা করারও প্রয়োজন পড়বে না বৃষ মেয়েটির। কন্যা পুরুষটির কোমড়ে যতো লম্বা অদৃশ্য দড়ীই বৃষ মেয়েটি পেচিয়ে দিক না কেন, এই ছেলের প্রয়োজন কেবল বাসায় কিংবা তার কাছে ফিরে আসবার জন্যে প্রয়োজনীয় দৈর্ঘ্যরে দড়ি। কেননা কন্যা পুরুষ হলো অভ্যাসের দাস, শব্দের সার্বিক অর্থেই। সে মেয়েটির চেহারার সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে, মেয়েটির কানের পেছনে যে সুবাস সেটার প্রতি, নিজের ব্যক্তিগত বাথরুমের প্রতি, কিংবা প্রতি সকালে মেয়েটি তাকে যেভাবে পাউরুটি শেকে মাখনে মাখিয়ে খেতে দেয় সেটার প্রতি, কিংবা তার শার্টগুলো স্ত্রী করে ড্রয়ারে পরিচ্ছণ্ণ ভাবে ভাজ করে রাখে, আর কলারের চারপাশে কোন দাগও থাকে না, এই সমস্ত কিছুর প্রতি সে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। তাহলে কি করে এই বেচারা অন্য কোন মেয়ের কাছে যাবে? প্রশ্নই ওঠে না।

যৌন সম্পর্কের বেলায় এরা দুজনই নির্বাক প্রকৃতির। যদিও এক্ষেত্রে তাদের মৌখিক বহিঃপ্রকাশের এই অভাবটা তেমন প্রকট কোন সমস্যার সৃষ্টি করবে না, কিন্তু তারা যদি এই বিষয়টাতে গুরুত্ব দেয় তাহলে নিশ্চয় তাদের জন্যে আরও সুন্দর এবং অনবদ্য এক অদেখা জগৎ অপেক্ষায় রয়েছে।

কন্যা জাতক হয়তো বৃষ নারীর এতো বিলাশ-সামগ্রী দিয়ে মুড়ে থাকার ইচ্ছার মধ্যে কোন উপযুক্ত কারণ খুঁজে পাবে না, এবং বৃষ মেয়েটি হয়তো কন্যা পুরুষের জীবনযাপনের ব্যক্তিগত ধারণাকে আরাম-আয়েসের প্রতি অনর্থক উদাসীনতা বলে অভিযোগ করবে। কিন্তু এদের দুজনের কেউই বেপড়োয়াভাবে টাকা খরচ করবে না। অতএব আর্থিক কোন বিষয় তাদের সম্পর্কে তেমন কোন সমস্যা হয়ে দেখা দেবে না। গ্রহ নক্ষত্রের ইতিবাচক প্রভাব থাকলে বা না থাকলেও এই দুজন নিজেদের যৌথ এবং কোমল সমব্যথার উপর নির্ভর করে যেকোন ভুলবোঝাবুঝি কিংবা বাকবিতণ্ডা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে মিমাংসা করে নিতে সক্ষম।

এই জুটির মধ্যে সবচেয়ে ভালো হবে—প্রেম, বিয়ে, যৌনসঙ্গ, ব্যবসা ও বন্ধুত্ব ।

Thumbs up