Topic: অন্যরকম...
অন্যরকম অন্য কিছু
ছাড়ছে না যে আমার পিছু,
অন্যরকম কিছুটাকে
ফেলে তাকাই পিছুডাকে,
মনে পড়ে অন্য মানুষ
অন্য রঙের চেনা ফানুস,
অন্যরকম আরেকটি বার
আসবে কবে ফিরে আবার?
Last edited by Claw (2009-09-21 23:34:10)
মানুষ বোঝ না!
....হেলাল হাফিজ
You are not logged in. Please login or register.
অন্যরকম অন্য কিছু
ছাড়ছে না যে আমার পিছু,
অন্যরকম কিছুটাকে
ফেলে তাকাই পিছুডাকে,
মনে পড়ে অন্য মানুষ
অন্য রঙের চেনা ফানুস,
অন্যরকম আরেকটি বার
আসবে কবে ফিরে আবার?
Last edited by Claw (2009-09-21 23:34:10)
সকালে সকাল মেখে
ভোরের আলোয় ভোর,
খুকুমনি উঠে গেল
খোলে ঐ দোর।
অলিরা জাগিয়া গিয়া
ঐ দেখো ঝুজছে,
জুঁই-শাখ পেলো বুঝি
ফুল কলি ফুটছে।
রবি কর মেলে ডানা
আলোকে ভরাইল্
ঘুম ভেঙে উঠে পড়ো
আঁধার ডরাইলো
আসছে না ঘুম শুয়ে আমি,
ঘুরছে পাখা তবু ঘামি;
যায় না বাতাস আমায় ছুঁয়ে,
তার পরেও আছি শুয়ে।
হাত বাড়ালেই শরীর আছে
স্পর্শে আমি জাগছি না আজ,
ক্লান্তি আমার মনের মাঝে
ক্লান্তি বিহীন করছি যে কাজ।
খাঁটি দুধে কদলি ঢালি,
বিষধর সর্প পালি,
করিয়া সর্বনাশ
খাইয়াছি সর্পবাণ,
মোদের বাঁচার পথ কিসে?
দলছুট আমি শুধু
দল ছেড়ে চলে যাই,
স্বপ্নের সাথে আমি
ঘুম ভেঙ্গে উঠে যাই।
চুপচাপ থাকি আমি
নেই কারো সঙ্গে,
সারা বেলা বসে বসে
মাখি কথা অঙ্গে।
সাধারন থাকি আমি
ঘরে রই রুদ্ধ,
একা একা করি আমি
সারাক্ষন যুদ্ধ।
তোমার পতাকা দিয়াছো যারে
শক্তি সাহস দাওনি তো তারে,
দেখিয়া শক্তির অভাব
বদলে সে ফেলেছে স্বভাব,
পতাকাটি পথে ফেলে
চুরি করে মনো ঢেলে;
তোমার সম্মান দেখো হারে!!!
যে জন দিবসে
মনের হরষে
জ্বালায় টিউব লাইট;
আশু গৃহে তার
জ্বলিবে না আর
বাতি, হইলে নাইট!
যে জন বিষাদে
মনের নিষাদে
জ্বালায় রাখে বাতি;
আশু গৃহে প্রভু
কাড়িও না কভু
আলোক, হইলে রাতি!
যে জন বাধ্য
হয় না সাধ্য
বাতি ছাড়া কাজ দিনে;
আশু গৃহে হেন
কভু না হয় যেন
কাজ করে বাতি বিনে!
Last edited by Claw (2009-09-22 00:17:37)
কবিতা খুব একটা পরি না। অনেকদিন পর পরলাম, ভীষণ ভালো লাগলো। কবিকে আমার কয়েকটা প্রশ্ন আছে।
১। কবিতার কি কোন আলাদা নামকরণ করা য়ায় না ?
২। কয়েকটা কবিতায় রবীন্দ্রনাথের কয়েকটা লাইন মনে হয় ঢুকে গেছে। যেমন,
যেজন দিবসে মনের হরষে,/ জ্বালায় মমেরবাতি/ আশু গৃহে তার জ্বলিবেনা আর/ নিশীথ প্রদীপ ভাতি।
এই রকম আর কি।
৩। "অন্য রকম অন্য কিছু" ছন্দটা ভীষণ সুন্দর। কিন্তু "আসছে না ঘুম শুয়ে আমি" এই কবিতার ভাব এবং তার উপস্থাপনা মনকে ভীষণ ছুঁয়ে যায়। "দল ছুট আমি শুধু" চার মাত্রার ছড়ার ছন্দের কবিতা। সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে ছন্দের জাদুকর বলা হত। তার কথা মনে পরে গেলো, অনেক দিন পর এত সুন্দর ছন্দে বাঁধা কবিতা পরলাম।
আরো লেখ, তোমার হাতে লেখা আছে, শব্দগুলো আরও সুন্দর সুন্দর বাছার চেষ্টা করো।
কবিতা খুব একটা পরি না। অনেকদিন পর পরলাম, ভীষণ ভালো লাগলো। কবিকে আমার কয়েকটা প্রশ্ন আছে।
১। কবিতার কি কোন আলাদা নামকরণ করা য়ায় না ?
২। কয়েকটা কবিতায় রবীন্দ্রনাথের কয়েকটা লাইন মনে হয় ঢুকে গেছে। যেমন,
যেজন দিবসে মনের হরষে,/ জ্বালায় মমেরবাতি/ আশু গৃহে তার জ্বলিবেনা আর/ নিশীথ প্রদীপ ভাতি।
এই রকম আর কি।
৩। "অন্য রকম অন্য কিছু" ছন্দটা ভীষণ সুন্দর। কিন্তু "আসছে না ঘুম শুয়ে আমি" এই কবিতার ভাব এবং তার উপস্থাপনা মনকে ভীষণ ছুঁয়ে যায়। "দল ছুট আমি শুধু" চার মাত্রার ছড়ার ছন্দের কবিতা। সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে ছন্দের জাদুকর বলা হত। তার কথা মনে পরে গেলো, অনেক দিন পর এত সুন্দর ছন্দে বাঁধা কবিতা পরলাম।
আরো লেখ, তোমার হাতে লেখা আছে, শব্দগুলো আরও সুন্দর সুন্দর বাছার চেষ্টা করো।
কবির উত্তর...
১। কবি তো আর নাম বাছাই করে লিখে না, লিখার আনন্দে লিখে যায়। তাই শিরোনাম হীন। যখন মনে ছন্দ আসে, মুঠোফোনে লিখে রাখি, নাম আর দেয়া হয় না।
২।ওটা ডিজাইন করতে গিয়ে লিখা। এমন ডিজাইন করছিলাম যে ভেতরে আলো পৌঁছায় না। বাস্তবে এমন অনেক ভবন আছে যেগুলোতে আলো বাতাস ঢোকে না, কিন্তু কিছু করার নেই। কাজ করতে করতেই 'যে জন দিবসে...' মাথায় ঘুরছিল, নিজেকে গালি দিয়ে লিখা। আর পরের দুটো যারা অসহায়, তাদের নিয়ে লিখা!
৩।এটা কোন প্রশ্ন না বিধায় উত্তর দেয়া থেকে বিরত থাকলাম!
হাতের কাছে সুকুমার রায়, নজরুলের ছড়া আর কবিতার বই থাকে সব সময়, আর থাকে ছোট বেলার স্মৃতি। এক একটা কবিতা পড়ি আর সেতার রসে সিক্ত হয়ে নতুন ফল গড়ি... ইনফ্লুয়েন্স থেকে যায়।
Aamra naki parar Onchate chele !!
"Bolte paren ki ki gun dorkar Onchate hote hole ??"
Amra naki parar Onchate chele !!
Proti Pujai Bill niye chanda tuli bole !!
Amra naki Parar Onchate chele !!
Chaier dokane bose adda mari !!
Time pass kori bole !!
Amara aki parar Onchate chele !!
Parai Parai Mostai Kori Bomabaji Kori Bole !!!
Baki taa kaal debo !! aapni banglai type kore chapiye din please............
খাঁটি দুধে কদলি ঢালি,
বিষধর সর্প পালি,
করিয়া সর্বনাশ
খাইয়াছি সর্পবাণ,
মোদের বাঁচার পথ কিসে?
বাঁচিয়া কি লাভ মিত্র
দেখিয়া জীবন-চিত্র
প্রাণ করে ছটফট
বলো দেখি চটপট
মরিব কেমনতরো বিষে?
Claw wrote:খাঁটি দুধে কদলি ঢালি,
বিষধর সর্প পালি,
করিয়া সর্বনাশ
খাইয়াছি সর্পবাণ,
মোদের বাঁচার পথ কিসে?বাঁচিয়া কি লাভ মিত্র
দেখিয়া জীবন-চিত্র
প্রাণ করে ছটফট
বলো দেখি চটপট
মরিব কেমনতরো বিষে?
দাদা, অসাধারন... অসাধারন!
তোমার পতাকা দিয়াছো যারে
শক্তি সাহস দাওনি তো তারে,
দেখিয়া শক্তির অভাব
বদলে সে ফেলেছে স্বভাব,
পতাকাটি পথে ফেলে
চুরি করে মনো ঢেলে;
তোমার সম্মান দেখো হারে!!!
বলছি নেহাত বাধ্য হয়ে,
জগত হতেই শক্তি নিয়ে
জগত মাঝেই আবার তারে বিলায়ে দিতে হয়।
ভীম কিম্বা স্যান্ডো হয়ে
আসে না কেউ জন্ম নিয়ে
শক্তি কিম্বা সাহস কোনো জাদুর ছড়ি নয়।।
অল্প অল্প করে বয়ে
মানুষ ওঠে শক্ত হয়ে
অল্প অল্প সাহস করেই ভাঙ্গে ভীরুর ভয়।
এসব ভুলে প্রথম রাতে
পতাকা নেয় কোমল হাতে
যেজন, সেজন পথের মাঝে উল্টাবে নিশ্চয়।।
Posts [ 15 ]
[ Generated in 0.392 seconds, 8 queries executed ]